মহাকাশের ৫টি অদ্ভুত ভুল ধারণা
হলিউডের সিনেমা ও কল্পবিজ্ঞানের গল্পগুলো আমাদের মনে মহাকাশ সম্পর্কে এমন কিছু অদ্ভুত ধারণার জন্ম দিয়েছে, যা সম্পূর্ণ কাল্পনিক।
হলিউডের সিনেমা ও কল্পবিজ্ঞানের গল্পগুলো আমাদের মনে মহাকাশ সম্পর্কে এমন কিছু অদ্ভুত ধারণার জন্ম দিয়েছে, যা সম্পূর্ণ কাল্পনিক।
নাসা এমন এক প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে, যেটি মহাকাশে থাকা একটি মাত্র টার্মিনাল বা যন্ত্র ব্যবহার করেই একাধিক স্যাটেলাইট নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পৃথিবীতে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।
সাহারা মরুভূমিতে সন্ধান পাওয়া অতি প্রাচীন ও বিরল উল্কাপিণ্ড পরীক্ষা করে সৌরজগতের হারিয়ে যাওয়া গ্রহের অকাট্য প্রমাণ পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
হাবল টেলিস্কোপে ধরা পড়ল বিরল মহাজাগতিক দৃশ্য..
শারীরিক প্রতিবন্ধকতা যে অসীম মহাশূন্যে ওড়ার পথে কোনো বাধা নয়, তা প্রমাণ করতে যাচ্ছেন ব্রিটিশ প্যারাঅলিম্পিয়ান এবং সার্জন জন ম্যাকফল।
বিজ্ঞানীদের নতুন এক গবেষণায় বেশ কিছু গ্রহে রহস্যময় বায়ুমণ্ডলের সন্ধান পাওয়া গেছে, যা মহাকাশ গবেষণায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।
আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের ফাটল দিয়ে ভেতরে থাকা বাতাস আশঙ্কাজনকভাবে বেরিয়ে যাচ্ছে।
গভীর মহাকাশে নিখুঁত জ্যামিতিক কাঠামোর সন্ধান পেয়েছে ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা (ইএসএ)।
মহাকাশ স্টেশনে মানুষের কৃত্রিম ভ্রূণের মডেল পাঠিয়েছেন চীনের বিজ্ঞানীরা।
মহাবিশ্বের অসীম শূন্যতায় লুকিয়ে আছে কোটি কোটি নক্ষত্রপুঞ্জ আর রহস্যময় কৃষ্ণগহ্বর।
মহাজাগতিক শূন্যতায় ঘেরা সৌরজগতের দূরবর্তী প্রান্তে লুকিয়ে আছে শত শত অমীমাংসিত রহস্য।
সম্প্রতি নাসার পারসিভারেন্স রোভার মঙ্গল গ্রহে অদ্ভুত গঠনের পাথরের সন্ধান পেয়েছে, যা দেখতে একটির ওপর আরেকটি খাড়াভাবে স্তূপ করে রাখা পাথরের মতো।
কম জ্বালানি খরচ করে পৃথিবী থেকে চাঁদে যাওয়ার নতুন পথ আবিষ্কারের দাবি করেছেন একদল বিজ্ঞানী।
মঙ্গল গ্রহের জন্য হালনাগাদ প্রযুক্তির আকারে ছোট শক্তিশালী হেলিকপ্টার তৈরি করছে নাসা।
মহাকাশের গভীর থেকে আসা রহস্যময় নীল আলোর উৎস জানতে দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানীরা।
১৬ সাইকি নামের গ্রহাণুটিকে ট্রিলিয়ন ডলারের গ্রহাণু বা মহাকাশের গুপ্তধন হিসেবে অভিহিত করা হচ্ছে।
স্পেস এক্সের ফ্যালকন ৯ রকেটের চার টন ওজনের পরিত্যক্ত অংশ ৫ আগস্ট চাঁদের আইনস্টাইন ক্রেটারের প্রান্তে ২.৪৩ কিমি/সেকেন্ড গতিতে আছড়ে পড়তে পারে। বিজ্ঞানীরা লুনার রিকনাসেন্স অরবিটার দিয়ে ছবি তুলে চাঁদের মাটির গভীরতা গবেষণা করবেন। এ ঘটনা মহাকাশ আবর্জনা ব্যবস্থাপনায় প্রশ্ন তুলেছে।
বিজ্ঞানীরা দাবি করছেন, ডার্ক ম্যাটারের সাহায্যে মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির কেন্দ্রে ৩২ হাজার ৬০০ আলোকবর্ষ প্রশস্ত একটি ওয়ার্মহোল লুকিয়ে থাকতে পারে। এটি স্থান-কালের সুড়ঙ্গ হিসেবে কাজ করতে পারে। তবে অনেক বিজ্ঞানী এই তত্ত্ব নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।
অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব নিউ সাউথ ওয়েলসের বিজ্ঞানীরা দুটি নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করে এমন ২৭টি সম্ভাব্য নতুন গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন। এগুলো পৃথিবী থেকে ৬৫০ থেকে ১৮ হাজার আলোকবর্ষ দূরে। নাসার স্যাটেলাইটের তথ্য থেকে এই আবিষ্কার সম্ভব হয়েছে।
ইউনিভার্সিটি অব মাল্টারের বিজ্ঞানীরা ছায়াপথ গ্যালাক্সির শেষ সীমানা ৪০ হাজার আলোকবর্ষ দূরে নির্ধারণ করেছেন। নতুন নক্ষত্র গঠন বন্ধ হওয়ার অঞ্চলকে তারা প্রান্ত বলে বিবেচনা করেছেন। এক লাখের বেশি নক্ষত্রের বয়স বিশ্লেষণ করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়েছে।
নেপচুনের কক্ষপথের বাইরে ৫০০ কিলোমিটার ব্যাসের ২০০২ এক্সভি৯৩ গ্রহাণুতে অত্যন্ত পাতলা বায়ুমণ্ডলের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। নক্ষত্রিক গ্রহণের মাধ্যমে এই আবিষ্কার করা হয়েছে, যা সৌরজগতের প্রান্তীয় জগত সম্পর্কে নতুন জ্ঞান যোগ করছে। বিজ্ঞানীরা এর পুনরুদ্ধারের সম্ভাব্য কারণ হিসেবে ধূমকেতু সংঘর্ষ বা আগ্নেয়গিরি উল্লেখ করেছেন।
বিশাল তথ্যভান্ডারে নতুন মহাকর্ষীয় লেন্স খুঁজে বের করতে সাধারণ মানুষকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন বিজ্ঞানীদের।
রাশিয়ার আবহাওয়া স্যাটেলাইট ইলেকট্রো-এল দিয়ে ধারণ করা একটি ওয়াইড-অ্যাঙ্গেল ছবিতে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিশাল অংশকে একটি রহস্যময় সবুজ আভা হিসেবে দেখা যাচ্ছে।
বিশাল মহাবিশ্বে কি অন্য কোথাও প্রাণের অস্তিত্ব আছে? এই প্রশ্ন আমাদের অনেকের মনেই উঁকি দেয়।