কঠোর হৃদয় কোমল করার ৭ উপায়
মানবদেহের বাহ্যিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গ যত সুস্থ ও সবলই হোক না কেন, তার হৃদয় যদি অনুভূতিহীন ও নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে, তবে সেই মানুষটির সমগ্র জীবনই পথভ্রষ্ট হয়ে যায়।
মানবদেহের বাহ্যিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গ যত সুস্থ ও সবলই হোক না কেন, তার হৃদয় যদি অনুভূতিহীন ও নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে, তবে সেই মানুষটির সমগ্র জীবনই পথভ্রষ্ট হয়ে যায়।
মনোবিজ্ঞানীদের মতে, অধিকাংশ মানুষই অর্থবহ কথোপকথন চান। শুধু কোনো একজনকে প্রথম পদক্ষেপটি নিতে হয়।
ওয়াশিংটন পোস্ট–এ লেখাটি লিখেছেন কলাম লেখক ডানা মিলব্যাঙ্ক। লেখাটিতে লেখকের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থাকায় সেটি তাঁর ভাষাতেই প্রকাশিত হলো।
স্ক্রিন আর কি–বোর্ডের দাপটে হাতের লেখা ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে বসেছে। হাজার হাজার বছর ধরে গড়ে ওঠা একটা মানবিক অভিজ্ঞতার বিলুপ্তি ঘটছে আমাদের চোখের সামনেই।
শুধু যে আমার মা এমন আচরণ করেন, তা নয়। আশপাশে পঞ্চাশ-ষাটোর্ধ্ব অনেক মা-বাবার গল্পই এ রকম। সন্তান সেটায় বাধা দিচ্ছে, তাতেই রেগে বাড়াচ্ছেন ব্লাড প্রেশার।
মানবদেহে এমন একটি সূক্ষ্ম অথচ অতীব গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ রয়েছে, যার সুস্থতার ওপর সমগ্র জীবনের আলো ও অন্ধকার নির্ভর করে। সে অঙ্গটি হলো ‘কলব’ বা অন্তর।
নবীজির দাওয়াতের পদ্ধতিতে মানুষের মনস্তত্ত্বের অসাধারণ প্রয়োগ দেখা যায়। তিনি মানুষের স্বভাব বুঝতেন। তার অবস্থান বুঝতেন। তার সামর্থ্য বুঝতেন। তারপর সেই অনুযায়ী কথা বলতেন।
দুঃখ-কষ্টই মানুষকে অহমিকা ভেঙে আল্লাহর সামনে সমর্পিত হওয়ার সুযোগ করে দেয়। যখন সব অবলম্বন ব্যর্থ প্রমাণিত হয়, তখন সে সেজদায় অশ্রুসিক্ত চোখে প্রার্থনা করে।
অনেক সময় আমরা বুঝতেই পারি না কেন কোনো একজন ব্যক্তি আশপাশে থাকলেই ভালো লাগে। মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, এর পেছনে যে প্রভাবকটি গুরুত্বপূর্ণ কলকাঠি নাড়ে, তা হলো ফেরোমোন।
অন্ধকারের প্রতি ভয় কোনো মানসিক দুর্বলতা নয়। এটি মানুষের টিকে থাকার জন্য তৈরি হওয়া এক প্রাচীন সুরক্ষাকবচ।
এমন কিছু সহজ অভ্যাস আছে, সকালে যা অনুসরণ করলে আপনার দিন শুধু ভালোভাবেই শুরু হবে না; বরং দীর্ঘ ও সুস্থ জীবনের দিকেও এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।
অদ্ভুত এ ‘পরিষেবা’ প্রথম শুরু হয় জাপানের চিবা প্রিফেকচারের একটি শ্মশানে। এখন জাপানে যাঁরা নিয়মিত ধ্যান করেন, তাঁদের কাছে এটি জনপ্রিয় ট্রেন্ডে পরিণত হয়েছে।