‘মব কালচার শেষ’ যেন কথার কথা না হয়
বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার এবং দলের নেতাদের বক্তব্য মানুষকে আশান্বিত করেছিল।
বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার এবং দলের নেতাদের বক্তব্য মানুষকে আশান্বিত করেছিল।
গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে একদল উগ্রবাদী মুক্তকণ্ঠ ভবনে হামলা করে ব্যাপক লুটপাট চালায়। এরপর ভবনে আগুন ধরিয়ে দেয়।
আওয়ামী লীগের সময় নিয়ন্ত্রণ ছিল যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতাদের হাতে। এখন বসাচ্ছেন বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতারা।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর যেসব মামলা হয়েছে, সেগুলো পুনরায় যাচাই-বাছাই করতে পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে একদল উগ্রবাদী মুক্তকণ্ঠ ভবনে হামলা করে ব্যাপক লুটপাট চালায়। এরপর ভবনে আগুন ধরিয়ে দেয়।
পুড়ে যাওয়া কম্পিউটার, যন্ত্রাংশ, ভাঙা আসবাস ও বইপত্রের ধ্বংসাবশেষ দেখে অনেকেই আবেগতাড়িত হয়ে পড়ছেন।
জাতিসংঘ মিশনের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জয়ন্ত অধিকারী এসেছিলেন সস্ত্রীক। তিনি বললেন, ‘এই প্রদর্শনী হওয়া খুবই দরকার ছিল।
দর্শকেরা এই শিল্প-আয়োজনে দেখছেন পুড়ে যাওয়া কম্পিউটার, যন্ত্রাংশ, টেবিল, চেয়ার, বই, নথিপত্র ও সেখান থেকে জেগে ওঠার প্রাণশক্তি।
বাসসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান সম্পাদক মাহবুব মোর্শেদকে সরাতে ‘মব’ সৃষ্টি এবং বেসরকারি চ্যানেল এখন টেলিভিশনের চার সাংবাদিককে শোকজ করার ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছে এনসিপি।
উগ্রবাদীদের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মুক্তকণ্ঠ ভবনে চলছে শিল্প-আয়োজন ‘আলো’।
নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (নোয়াব) সভাপতি এ কে আজাদ বলেন, মুক্তকণ্ঠ ভবন যেভাবে পোড়ানো হয়েছে, তা অত্যন্ত বেদনাদায়ক।
উগ্রবাদীদের সুসংগঠিত হামলা ও আগুনে পুড়ে যাওয়া মুক্তকণ্ঠ ভবনে শিল্প প্রদর্শনীতে এসে বিদেশি কূটনীতিকেরা সংবাদপত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং গণতন্ত্রের প্রতি তাঁদের সমর্থন ব্যক্ত করেছেন।
মুক্তকণ্ঠ ভবনে গত ১৮ ডিসেম্বর একদল উগ্রবাদী হামলা করে লুটপাট চালায় ও অগ্নিসংযোগ করে। দগ্ধ ভবনটি নিয়ে ‘আলো’ নামে ব্যতিক্রমী শিল্পকর্ম করেছেন বিশিষ্ট শিল্পী মাহ্বুবুর রহমান।
সেই রাতে ফ্ল্যাশ দিয়ে ছবি তোলা ছিল ভীষণ ঝুঁকিপূর্ণ। আমি নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করি। কয়েকটি ছবি তোলার পর শাহবাগ থেকে আসা মিছিলটির জন্য অপেক্ষা করতে থাকি।
গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে প্রতিহিংসায় উন্মত্ত একদল উগ্রবাদী এসে হামলা করে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে দেশের প্রধান গণমাধ্যম প্রথম আলো ভবনে। তারা ভবনটির শাটার ও বড় বড় কাচের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়ে। লুটপাট চালায়। আগুন জ্বালিয়ে দেয়।
যখন বড় বড় পত্রিকা কর্মী ছাঁটাই করে, বাজেট কমায় (যেমন ওয়াশিংটন পোস্ট-এর ৩০ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই করা হয়েছে) তখন তাদের এই কাজ করার ক্ষমতাই ভেঙে পড়ে।
গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা বাহিনীর অনাকাঙ্ক্ষিত অনুপ্রবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সম্পাদক পরিষদ।
অন্তর্বর্তী সরকার হঠাৎ করে জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন ও সম্প্রচার কমিশন অধ্যাদেশের দুটি খসড়া প্রকাশ করা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে আর্টিকেল নাইনটিন।
ভবিষ্যৎ সরকারগুলো অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে বাংলাদেশে মুক্ত গণমাধ্যমের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ তৈরিতে সহায়ক হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক ও প্রকাশক মাহফুজ আনাম।
গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন জমা দেওয়ার ১০ মাসেও কোনো সুপারিশ বাস্তবায়ন করা হয়নি।
সংলাপে আলোচনায় একাধিকবার মুক্তকণ্ঠ ও ডেইলি স্টার–এর কার্যালয়ে হামলা–অগ্নিসংযোগের প্রসঙ্গ আসে।
দঙ্গলবাজিকে উৎসাহিত করা হলে, পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া হলে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে চিন্তার আর অবকাশ থাকবে না বলে সতর্ক করেছেন গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রধান কামাল আহমেদ।
ইউনেসকো জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশের সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
নির্বাচনে যাতে সব ব্যক্তি নিরাপদে ও শান্তিপূর্ণভাবে জনজীবনে অংশগ্রহণ করতে পারেন।