যে দোয়া-আমলে হজের তাওফিক লাভ হয়
হজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সম্মানজনক একটি ইবাদত ও নেক আমল। যাঁরা হজ করার সুযোগ পাবেন, তাঁদের হজ যেন মাকবুল ও মাবরুর হয়, এ জন্য সর্বদা দোয়া করা দরকার।
হজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সম্মানজনক একটি ইবাদত ও নেক আমল। যাঁরা হজ করার সুযোগ পাবেন, তাঁদের হজ যেন মাকবুল ও মাবরুর হয়, এ জন্য সর্বদা দোয়া করা দরকার।
ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের অন্যতম ফরজ ইবাদত হজ। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘ইসলাম পাঁচটি ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত—এই সাক্ষ্য দেওয়া যে আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নেই এবং নিশ্চয়ই হজরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর রাসুল, নামাজ কায়েম করা, জাকাত প্রদান করা, হজ সম্পাদন করা ও রমজানে রোজা পালন করা।’
মক্কার হারামে এক রাকাত নামাজের সওয়াব অন্য মসজিদের চেয়ে এক লাখ গুণ বেশি এবং মদিনার মসজিদে নববিতে এক রাকাত নামাজের সওয়াব এক হাজার গুণ বেশি।
বন্যায় কাবাঘরের দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর সংস্কারে কোরাইশ নেতাদের নেয়া নীতি, ভাঙা-বাছা ও হাজরে আসওয়াদ স্থাপনে দ্বন্দ্ব—শেষ পর্যন্ত আল আমিন মুহাম্মদ (সা.)–এর প্রস্তাবে অনিবার্য যুদ্ধের হাত থেকে মক্কাবাসী কীভাবে রক্ষা পেল, সেই ঘটনাই এই প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
কাবার সামনে দাঁড়িয়ে মানুষ উপলব্ধি করে, এই দুনিয়ার সমস্ত গৌরব, অহংকার ও কৃত্রিমতা কত ক্ষণস্থায়ী! সেখানে মানুষ শুধু আল্লাহর বান্দা হিসেবেই পরিচিত।
পবিত্র স্থানকে ঘিরে সমাজে রয়েছে একটি বহুল প্রচলিত ধারণা—‘ওখানে নেক আমল করলে যেমন লক্ষ গুণ বেশি সওয়াব, তদ্রূপ পাপও বৃদ্ধি পাবে এক লক্ষ গুণ।’
কোরআন ও হাদিস থেকে মক্কা ও মদিনার এমন কিছু নির্দিষ্ট স্থান ও মুহূর্তের কথা জানা যায়, যেখানে দোয়া কবুল হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকে।
মক্কা ও মদিনার ১৬টি গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থানের তালিকা। হজযাত্রীরা এসব ঐতিহাসিক স্থানে জিয়ারত করেন। ইসলামের ইতিহাসে এসব স্থানের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
অনেক সময় সায়ি করার সময় মানুষ ছবি তোলা বা ভিডিও করায় মগ্ন হয়ে পড়ে, যা ইবাদতের একাগ্রতা নষ্ট করে। এসব পরিহার করে হজের মূল উদ্দেশ্যের প্রতি মনোযোগী হওয়া উচিত।
জীবনে একবার হজ করা ফরজ। সামর্থ্যবানদের জন্য প্রতি পাঁচ বছর অন্তর হজ করা সুন্নত। সুযোগ থাকলে বারবার বা প্রতিবছর হজ করাতে কোনো বাধা নেই।
তাওয়াফ শুরুর আগে পুরুষদের ইহরামের পোশাকে বিশেষ পরিবর্তন আনতে হয়। ইহরামের ওপরের অংশ বা চাদরটি ডান বগলের নিচ দিয়ে এনে বাঁ কাঁধের ওপর রাখতে হয়।
আল্লাহর ঘরকে ‘বায়তুল আতিক’ বা প্রাচীন ঘরও বলা হয়। ভৌগোলিক মানচিত্র অনুযায়ী এই ঘরের অবস্থান পৃথিবীর কেন্দ্রে। কাবার ইতিহাসে জড়িয়ে আছে ইব্রাহিম (আ.)-এর ত্যাগ।
মক্কা শরীফের ইতিহাসে নির্বাসন, বিদ্রোহ, বাণিজ্য ও রূপান্তরের অধ্যায় রয়েছে। জুরহুম থেকে কোরাইশ, জমজম কূপ, হিলফুল ফুজুল, হারামের নিরাপত্তা সহ অজানা ১০টি তথ্য এখানে। ইতিহাসের এই পাতাগুলো ধর্মীয় ও সামাজিক দৃষ্টান্ত বহন করে।
কাবার গিলাফকে বলা হয় ‘কিসওয়া’। এটি সবসময় কালো ছিল না, বিভিন্ন সময় সাদা, সবুজ বা লাল রঙেরও পরানো হয়েছে। কাবা সম্পর্কে আরও জানুন এই ৬টি তথ্য।
২০ রমজান আজ থেকে প্রায় দেড় হাজার বছর আগে মক্কা বিজয় সংঘটিত হয়। একই দিনে ব্যাবিলন দুর্গ জয় হয়, সাইপ্রাস জয় হয়।
কর্তৃপক্ষের ঘোষণা অনুযায়ী, দুই পবিত্র মসজিদে প্রতি রাতে তারাবির নামাজ ১০ রাকাত এবং এরপর ৩ রাকাত বিতর নামাজ পড়ানো হবে।
অত্যাচারে জর্জরিত হয়ে তিনি আল্লাহর নির্দেশে জন্মভূমি মক্কা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন। মক্কা ছেড়ে মদিনায় হিজরত করে যাওয়ার সময় বারবার মক্কার দিকে তাকাচ্ছিলেন।
আল্লাহ-তাআলা নুহ (আ.)-এর নৌযানে যাঁদের আরোহন করিয়েছিলেন, তাঁদের একজন ছিলেন জুরহুম, তাঁর মাধ্যমে বিশুদ্ধ আরবি টিকে থাকে এবং ভাগ্য জুরহুমকে টেনে আনে মক্কায়।