বাদ পড়া ভোটারদের ফেরাচ্ছে ইসি
ভারতের নির্বাচন কমিশন বলেছে, ২০ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে যেখানে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) হয়ে গেছে, সেখানে বাদ পড়া ভোটারদের মধ্য থেকে বৈধদের ফেরাতে বিশেষ অভিযান চালানো হবে।
ভারতের নির্বাচন কমিশন বলেছে, ২০ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে যেখানে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) হয়ে গেছে, সেখানে বাদ পড়া ভোটারদের মধ্য থেকে বৈধদের ফেরাতে বিশেষ অভিযান চালানো হবে।
সিইসি জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিতর্ক ও নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য নিয়ে ভারতের বিরোধী দলগুলোর মধ্যে আন্দোলনের কৌশল নিয়ে মতভেদ দেখা দিয়েছে। ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরী স্বাক্ষরিত একটি চিঠি থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনে বা এসআইআরের দরুন ভুগতে হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের লাখ লাখ ভোটারকে।
রাজধানীর নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ জানান, ৩১ জুলাই পর্যন্ত দেশে মোট ভোটারের সংখ্যা ১২ কোটি ৮৬ লাখ ৩২ হাজার ৫৫৫ জন।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) জেরে যেসব ভোটার ‘বিচারাধীন’ অবস্থায় রয়েছেন, তাঁদের ৭০ শতাংশের বেশি মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েনের আইনি সুযোগ তৈরি এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও দ্বৈত নাগরিকদের প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য করার সুপারিশ করেছে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী ৩১ আগস্ট স্থানীয় সরকার নির্বাচনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।
প্রবাসী ভোটারদের সমর্থন ফুজিমোরির বিজয়ে সহায়তা করেছে।
নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্য-উপাত্তের গোপনীয়তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্বগুলোর একটি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ৩০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা।
সুইজারল্যান্ডে জনসংখ্যা ১ কোটিতে সীমিত রাখার প্রস্তাব নিয়ে ভোট হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা হালনাগাদ-২০২৬–এর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছে। দেশে এখন মোট ১২ কোটি ৮৩ লাখ ২৩ হাজার ২৪০ জন ভোটার রয়েছেন। গত নির্বাচনের তুলনায় ভোটার সংখ্যা দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছে।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচন নিয়ে বিশেষত ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) নিয়ে বেশ ভালো গবেষণা করেছেন পারাকালা প্রভাকর।
ভারতের অন্যতম উন্নত রাজ্য তামিলনাড়ুতে চলচ্চিত্র তারকাদের নেতা হিসেবে নির্বাচিত করার দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে।
ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গে প্রথমে বাদ দেওয়া হয়েছে প্রায় ৯২ লাখ মানুষকে।
ভারতের গুরুত্বপূর্ণ পূর্বাঞ্চলীয় এই রাজ্যে চলতি মাসে নির্বাচন হতে যাচ্ছে। বিতর্কিত ভোটার তালিকা সংশোধনের ফলে অসংখ্য মানুষের নাম বাদ পড়েছে, যাঁদের মধ্যে মুসলিমই বেশি বলে অভিযোগ উঠেছে।
সুপ্রিম কোর্ট পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর-এ বাদ পড়া ৯১ লাখ ভোটারদের রিট খারিজ করলেন, তবে আপিলের পথ খোলা রাখলেন। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এসআইআর প্রক্রিয়া ও আপিল ব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ভোটার তালিকা ৯ এপ্রিল বন্ধ হয়েছে।
হুমায়ুন কবি স্বীকার করেছেন, বিজেপির কাছে এক হাজার কোটি টাকা চাওয়ার ভিডিও সত্য। এতে বিজেপি বিপাকে পড়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ জোরদার করেছেন। মোদি–শাহর দল দিশেহারা।
পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনে ৯১ লাখের নাম বাদ, তৃতীয় দফায় ৬৫ শতাংশ মুসলিম। মুর্শিদাবাদে সবচেয়ে বেশি ছাঁটাই, রাজনৈতিক বিতর্ক তীব্র। তৃণমূল অভিযোগ করেছে বিজেপির নির্দেশে কমিশন কোপ মেরেছে।
মুর্শিদাবাদে ভোটার তালিকা সংশোধনে নবাব মীর জাফরের প্রায় ৩০০ বংশধরের নাম বাদ পড়ায় রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর ফাহিম মির্জা এবং অন্যান্যরা প্রশাসনের প্রতি অভিযোগ করেছেন। বিজেপি এ অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূলের দিকে দায় চাপিয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গের মালদায় ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার অভিযোগে সাধারণ মানুষ বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের ৯ ঘণ্টা আটকে রেখেছেন। সুপ্রিম কোর্ট এটাকে পূর্বপরিকল্পিত চক্রান্ত বলে সমালোচনা করলেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশনকে দায়ী করেছেন। আদালত এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে।
এলাকাটি রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনের মধ্যে পড়েছে। এই কেন্দ্রে গোদাগাড়ী উপজেলার রিশিকুল ইউনিয়নের আলোকছত্র, প্রসাদ পাড়া, চকতাঁতীহাটি ও পলাশী গ্রামের ভোটাররা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে আসেন। আর স্থানীয় নির্বাচনের বিলাসী নামের আরও একটি গ্রামের মানুষ এই কেন্দ্রে ভোট দিতে আসেন। শুনে অবাক লাগল, কখনোই রাজনৈতিক কারণে এই এলাকার মানুষের মধ্যে কোনো বিভেদের সৃষ্টি হয়নি।
সিরাজগঞ্জ-৫ সংসদীয় আসনে ভোটারদের হুমকি ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মারধরের অভিযোগে দুই নেতার সব দলীয় পদ স্থগিত করা হয়েছে।