নেপাল সীমান্তে আবার ভূমিধস-বন্যার আশঙ্কা, উদ্ধার অভিযান বন্ধ করল চীন
নতুন করে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের আশঙ্কায় সীমান্তে উদ্ধার অভিযান থামিয়েছে চীন।
নতুন করে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের আশঙ্কায় সীমান্তে উদ্ধার অভিযান থামিয়েছে চীন।
এখন এই ভূমিকম্প যদি হয়, তখন আমাদের সবচেয়ে বড় চিন্তার জায়গাগুলোর একটি হচ্ছে কাপ্তাই লেক এবং কাপ্তাইয়ের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের বাঁধ।
ত্রিশূলী নদীর ভয়াবহ বানে চোখের পলকে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে নেপালের সোলে গ্রাম।
বিশেষজ্ঞদের মতে ভূমিকম্প নয়, হিমালয়ের হিমবাহ ধসের কারণে বন্যা ও ভূমিধস হয়ে থাকতে পারে।
হিমবাহ ধস ও ভূমিধসে নেপাল–তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক বন্যায় নিহতের সংখ্যা ৩৫৯ ছাড়িয়েছে। প্রায় এক হাজার মানুষ নিখোঁজ, যাদের মধ্যে বিদেশি পর্যটক ও স্থানীয় সেনা-পুলিশ সদস্য অন্তর্ভুক্ত।
নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ব্যক্তিগত শোকবার্তাও পৌঁছে দেন খলিলুর রহমান।
কৈলাস মানস সরোবর যাত্রা হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন ও বন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম তীর্থযাত্রা
এ দুর্যোগে অন্তত ১৩০ থেকে ১৩৩ জন ভারতীয় নিখোঁজ রয়েছেন বলে দেশটির সংবাদ সংস্থা এএনআইকে জানিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
নেপালের বাগমাতি প্রদেশে বন্যা ও ভূমিধসে ১৬৫ জনের মৃত্যু ও ১ হাজার ৫০০ জন নিখোঁজ। এই প্রাণহানিতে শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
গতকালের এই আকস্মিক বন্যা-ভূমিধসে নেপালে এখন পর্যন্ত ১৬২ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। নেপালের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ ঘটনায় ৫৭৯ জন পর্যটক নিখোঁজ রয়েছেন।
‘এ বন্যা আমাদের সবকিছু কেড়ে নিয়েছে। আমি ও আমার ছেলে একটি বাড়ির ছাদে উঠে প্রাণে বেঁচেছি—কীভাবে বেঁচে গেলাম, নিজেরাও বলতে পারি না।’
মার্কিন কৃত্রিম উপগ্রহ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ‘প্ল্যানেট ল্যাবস’-এর পাঠানো ছবি বিশ্লেষণ করে বিশেষজ্ঞরা এ কথা জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের ১০৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলেও জানা গেছে
নেপালে বন্যা-ভূমিধস: ‘স্ত্রীর হাতটা ধরে রাখতে চেয়েছিলাম’
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নেপালের এই ভয়াবহ দুর্যোগ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বাংলাদেশ।
নেপালে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে ১৫৭ জনের মৃত্যু এবং ৪০৩ জন নিখোঁজ, যার মধ্যে অধিকাংশ বিদেশি পর্যটক।
তিব্বত সীমান্তবর্তী অঞ্চলে বুধবারের ভয়াবহ বন্যায় নেপালে বিদেশি পর্যটকসহ অন্তত ১৫৭ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৪০৩ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
নেপালের ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানি এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় গভীর শোক জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দুর্যোগ মোকাবিলায় উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দিতে বাংলাদেশ প্রস্তুত বলেও জানিয়েছেন তিনি।
নেপালে ভূমিধস ও পাহাড়ি ঢলে ৯৫ জনের মৃত্যু এবং পাঁচ শতাধিক মানুষ নিখোঁজ হওয়ায় শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকার।
তিব্বত সীমান্তবর্তী অঞ্চলে বুধবারের ভয়াবহ বন্যায় নেপালে বিদেশি পর্যটকসহ অন্তত ৯৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
নদীভাঙন ও ভূমিক্ষয় রোধে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব সমাধান হিসেবে বিন্না ঘাস রোপণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত ১১ জেলায় উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে বিজিবি মোতায়েন।
চট্টগ্রামে পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কা কম। তবে ফেনী, সিলেট ও উত্তরাঞ্চলে সাময়িক বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টির আশঙ্কা।
কক্সবাজারের উখিয়ায় ৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভূমিধসে চার কন্যাশিশুর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে ইউনিসেফ। সংস্থাটি বর্ষা মৌসুমে শিশুদের নিরাপত্তা ও জরুরি সেবা নিশ্চিত করতে সরকারের সাথে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।