ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিকের স্মৃতিবিজড়িত মূল্যবান সামগ্রীর সুরক্ষা দরকার
ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিক আজ জগতের সবকিছুর ঊর্ধ্বে।
ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিক আজ জগতের সবকিছুর ঊর্ধ্বে।
ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকীতে গান ও আলোচনায় কামাল লোহানীকে স্মরণ করল উদীচী।
ভাষাসৈনিক ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক আমেনা আহমেদ আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯০ বছর।
শুধু একুশে ফেব্রুয়ারি এলেই জাদুঘরটি নিয়ে মানুষের আগ্রহ বাড়ে। বছরের অন্য সময় কাটে অবহেলায়।
মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরের পারিল গ্রামে ভাষাশহীদ রফিক উদ্দিন আহমদ গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘরে বই আছে অনেক, ভাষাশহীদের স্মৃতিস্মারকও আছে। তবে সেখানে খুব কমসংখ্যক পাঠক ও দর্শনার্থী আসেন।
বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ১৯৫২ সালের উত্তাল দিনগুলোতে যাঁরা রাজপথে সোচ্চার ছিলেন, তাঁদের অনেকেই আজ আর নেই।
৭৪ বছর পর প্রথমবারের মতো নিজস্ব কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ পেলেন রাজশাহীবাসী।
পাঠাগারে বিভিন্ন ধরনের ৪ হাজার ১৭৫টি বই রয়েছে। কিন্তু পাঠকের সংখ্যা নগণ্য। ভাষাশহীদের নেই কোনো স্মৃতিস্মারক।
একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এরপরেই শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
ভাষাসৈনিক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রতিভা মুৎসুদ্দিকে সম্মাননা দিয়েছে এলিট পেইন্ট লিমিটেড।