নবজাতকের সুস্থ বৃদ্ধি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে নতুন মা-বাবা যা করবেন
নবজাতকের যত্ন শুধু জন্মের পর কয়েক দিনেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং ধারাবাহিক সঠিক পরিচর্যা প্রয়োজন।
নবজাতকের যত্ন শুধু জন্মের পর কয়েক দিনেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং ধারাবাহিক সঠিক পরিচর্যা প্রয়োজন।
ভুল সংমিশ্রণে ডাল খেলে স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে। কারণ, ডালে রয়েছে লুকানো অ্যান্টি-নিউট্রিয়েন্ট, যা সঠিকভাবে রান্না না করলে এগুলো হজমে সমস্যা তৈরি করতে পারে।
কাশির সময় রক্ত পড়াকে হিমোপটিসিস বলা হয়। এ রক্ত ফুসফুস, শ্বাসনালি বা গলা থেকে বের হতে পারে। অনেক সময় রক্তকাশি না রক্তবমি, তা নিয়ে সন্দেহ হতে পারে।
মুরগির মাংস নানা কারণে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। রান্নার আগে তাই মাংস ঠিক আছে কি না খেয়াল করাটা জরুরি।
কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই পা ফোলা গুরুতর অন্তর্নিহিত রোগের একটি লক্ষণ। যেমন হার্ট ফেইলিউর, কিডনি ফেইলিউর, থাইরয়েড হরমোনের অভাব, অপুষ্টি।
সঠিক ভঙ্গি বজায় না রেখে দীর্ঘক্ষণ মুঠোফোন বা ল্যাপটপ ব্যবহারের ফলে ঘাড়ের ব্যথা একটি সাধারণ কিন্তু উদ্বেগজনক সমস্যা হিসেবে দেখা দিচ্ছে। একে বলা হচ্ছে ‘টেক্সট নেক’।
গর্ভাবস্থায় নারীর শরীরে নানা জৈবিক ও হরমোনজনিত পরিবর্তন ঘটে। এর প্রভাব পড়ে রক্তচাপের ওপরও।
একটি সালাদ কতটা স্বাস্থ্যকর, তা নির্ভর করে তা কোন কোন উপকরণ দিয়ে কীভাবে তৈরি করা হচ্ছে এবং কী হিসেবে সেই সালাদ গ্রহণ করা হচ্ছে, তার ওপর।
সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি থেকে ত্বকের ক্ষতি এড়াতে সানস্ক্রিনের সঠিক ব্যবহার জানুন। কেমিক্যাল ও ফিজিক্যাল সানস্ক্রিনের পার্থক্য এবং এসপিএফ ৩০+ থেকে ৫০+ বেছে নেওয়ার পরামর্শ। চর্মরোগবিশেষজ্ঞের সুপারিশ অনুসরণ করুন।
দেশে হামের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে শিশুদের আরেক ছোঁয়াচে রোগ রুবেলা নিয়ে সতর্কতা। এর লক্ষণ, ছড়িয়ে পড়ার উপায়, চিকিৎসা ও টিকার বিষয়ে জানুন বিস্তারিত। গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে শিশুর জন্মত্রুটির ঝুঁকি থাকে।
পুষ্টিবিশেষজ্ঞরা দুই হাজার ক্যালরির খাদ্যতালিকায় সপ্তাহে দেড় কাপ ডাল খাওয়ার পরামর্শ দেন। ডাল প্রোটিন, ফাইবার ও খনিজে ভরপুর এবং বিভিন্ন রোগীদের জন্য উপকারী। তবে কিছু স্বাস্থ্য সমস্যায় এড়িয়ে চলতে হতে পারে।
সুস্থ উজ্জ্বল ত্বকের জন্য ভিটামিন এ, সি, ই, ওমেগা-৩, জিংক, প্রোটিন ও পর্যাপ্ত পানি জরুরি। গাজর, ফল, বাদাম, মাছ, ডাল ইত্যাদি খাবারে এগুলো পাওয়া যায়। ভেতর থেকে পুষ্টি নিলে ত্বক দীর্ঘদিন সতেজ থাকে।
বয়স বাড়লে হাঁটাচলায় সমস্যা হওয়া স্বাভাবিক, কিন্তু হাত-পায়ের কাঁপুনি ও শক্ততা পারকিনসন রোগের লক্ষণ। এর কারণ, লক্ষণ, চিকিৎসা ও নতুন পদ্ধতি জানুন বিশেষজ্ঞের লেখায়। নিয়মিত চিকিৎসা ও ব্যায়ামে রোগ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।
বয়স বাড়ার সঙ্গে পারকিনসনস রোগ দেখা দিতে পারে, যা চলাফেরা, ভারসাম্য ও দৈনন্দিন কাজে প্রভাব ফেলে। পুনর্বাসন চিকিৎসা এবং ফিজিয়াট্রিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে রোগীরা স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারেন। ডা. সাকিব আল নাহিয়ানের পরামর্শে লক্ষণ, থেরাপি ও বাড়ির পরিবেশ সম্পর্কে বিস্তারিত।
কাঁধের পেছনের স্ক্যাপুলা হাড় ভাঙলে তীব্র ব্যথা, ফোলা এবং নড়াচড়ার সমস্যা হয়। চিকিৎসায় স্লিং, ওষুধ ও ফিজিওথেরাপি কার্যকর, জটিল ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচার লাগে। দুর্ঘটনা প্রতিরোধের জন্য সতর্কতা জরুরি।
গর্ভাবস্থায় জলবসন্ত সংক্রমণ মা ও শিশুর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। এর লক্ষণ, জটিলতা, রোধের উপায় এবং যত্নের নির্দেশনা জেনে নিন। সচেতনতা বজায় রেখে সতর্ক থাকুন।
১৭-২৫ বছর বয়সে আক্কেলদাঁত উঠলে প্রায় সবাই ব্যথায় ভোগেন। চোয়ালে জায়গার অভাবে দাঁত আটকে প্রদাহ, সিস্ট বা সংক্রমণ হতে পারে। সমস্যা দেখা দিলে ডেন্টাল সার্জনের পরামর্শ নিন এবং চিকিৎসা করান।
হাম একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ যা শিশুদের আক্রমণ করে। ভাইরাস সংক্রমণের ১-২ সপ্তাহ পর লক্ষণ দেখা দেয় এবং সঠিক চিকিৎসা-পরিচর্যায় জটিলতা এড়ানো যায়। বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুসরণ করে টিকা, ভিটামিন এ এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ দিন।
দিনভর ক্লান্তি সত্ত্বেও রাতে ঘুম আসে না—এটি ‘ওয়্যারড–টায়ার্ড’ চক্র। কর্টিসল হরমোন, ব্লু লাইট ও চিন্তাভাবনার কারণ জানুন। ডিজিটাল ডিটক্স, শ্বাসক্রিয়া ও রুটিনে ঘুম ফিরিয়ে আনুন।
দেশে হাম ও জলবসন্তের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে, শিশুরা বেশি আক্রান্ত। দ্রুত সুস্থতা ও জটিলতা এড়াতে ভিটামিন সি, এ, জিংক, প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার দিন। জ্যেষ্ঠ পুষ্টি কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেনের পরামর্শ।
হাঁটুর লিগামেন্ট বা মেনিসকাস ছিঁড়ে গেলে লক্ষণ চেনার উপায়, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং বিশেষজ্ঞের পরামর্শের গুরুত্ব। আঘাতের পর বিশ্রাম, বরফের সেঁক ও ফোলা কমানোর পদক্ষেপ জানুন। চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের মাধ্যমে সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়া সম্ভব।
গবেষণায় দেখা গেছে, ফোন, তাড়াহুড়া করে সিদ্ধান্ত নেওয়া আর চাপের কারণে অনেক মানুষ সকাল ৯টার মধ্যেই তাঁদের মানসিক শক্তির বড় একটি অংশ খরচ করে ফেলেন।
কফি আমাদের দৈনন্দিন সঙ্গী, কিন্তু এটি কি কোলেস্টেরল বাড়ায়? ওয়েব এমডি-এর প্রতিবেদন অনুসারে, কফিতে সরাসরি কোলেস্টেরল নেই, তবে তৈরির পদ্ধতি এবং যোগ করা উপাদানের ওপর নির্ভর করে প্রভাব পড়তে পারে। ফিল্টার করা কফি নিরাপদ এবং পরিমিত পানে কোনো বড় ঝুঁকি নেই।
৪০ বছর পার হওয়া সত্ত্বেও রোজ একটা ডিম খাওয়া নিরাপদ বলছেন বিশেষজ্ঞরা। ডিমের পুষ্টি সব বয়সের জন্য দরকারি এবং কোলেস্টেরলের ভয় অযথা। তবে নির্দিষ্ট রোগে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।