মায়ের কফিনের পেছনে পাশাপাশি হেঁটেছিলেন, আজ কেন এত দূরে উইলিয়াম-হ্যারি
প্রিন্সেস ডায়ানার দুই ছেলে প্রিন্স উইলিয়াম ও প্রিন্স হ্যারি। তাঁদের বাবা বর্তমান ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লস।
প্রিন্সেস ডায়ানার দুই ছেলে প্রিন্স উইলিয়াম ও প্রিন্স হ্যারি। তাঁদের বাবা বর্তমান ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লস।
সাধারণ মানুষ এখন কার কথা বিশ্বাস করবে, এমন প্রশ্নের জবাবে আর্ল স্পেন্সার বলেন, ‘আমি সত্য কথাই বলছি।’
প্রিন্সেস ডায়ানাকে নিয়ে তাঁর ভাইয়ের লেখা নতুন বই বিস্ফোরক তথ্য সামনে নিয়ে এসেছে।
নিরাপত্তার কারণে সন্তানদের স্কুল বদলেছেন প্রিন্স হ্যারি ও তাঁর স্ত্রী মেগান মার্কেল।
ব্রিটিশ রাজপরিবারের প্রয়াত প্রিন্সেস ডায়ানার জীবন, ভাইয়ের সাথে সম্পর্ক ও মৃত্যুর আগের সপ্তাহের স্মৃতি তুলে ধরে চার্লস স্পেন্সারের নতুন বই প্রকাশিত হতে যাচ্ছে।
২০২৫ সালে হ্যারি তাঁর বাবার সঙ্গে রাজার লন্ডনের বাসভবনে চা পান করেন। এটিকে তাঁদের মধ্যকার সম্পর্কের তিক্ততা কাটিয়ে ওঠার প্রথম পদক্ষেপ বলে মনে করা হয়।
২০২৫ সালে নেটফ্লিক্স এ দম্পতির সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করেনি। স্পটিফাইয়ের সঙ্গে একই ধরনের চুক্তিও প্রত্যাশা পূরণ করেনি।
প্রিন্স হ্যারির দুই সন্তানকে আগামী সেপ্টেম্বর সেশনের জন্য এরই মধ্যে যুক্তরাজ্যে স্কুলে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রিন্স হ্যারি ও অন্য ছয় বাদীকে আপিল করার জন্য আদালত আগামী ২ অক্টোবর পর্যন্ত সময় দিয়েছে।
যুক্তরাজ্যে ফেরার খবরে ক্যালিফোর্নিয়ার মন্টেসিটোতে স্থানীয়ভাবে তুলনামূলকভাবে নির্লিপ্ত প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে—অনেকে বিষয়টি শুরুতেই জানতেনই না।
ছয় বছর পর যুক্তরাজ্যে ফিরছেন প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কেল। ২০২০ সালে রাজপরিবারের দায়িত্ব ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে চলে গিয়েছিলেন তাঁরা।
স্যার কিয়ার স্টারমার ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর পদ ও লেবার পার্টির নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।
এসব কি ডাস্টবিনে ফেলে দেওয়া হয়? নাকি গোপনে কাউকে দিয়ে দেওয়া হয়? প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন রাজপরিবারের ফ্যাশন–বিশেষজ্ঞ বেথান হোল্ট।
২০০৭ সালের পর কোনো ব্রিটিশ রাজের এটাই প্রথম যুক্তরাষ্ট্র সফর।
রাজপরিবারের উত্তরাধিকার থেকে অ্যান্ড্রুকে বাদ দিতে নতুন আইনের পথে ব্রিটেন।
সরকারি দায়িত্ব পালনের সময় ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে সাবেক ব্রিটিশ প্রিন্স অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন গ্রেপ্তার।
এপস্টিন কেলেঙ্কারির নতুন নথিতে বেশ কয়েকবার ব্রিটিশ প্রিন্সেস বিয়াট্রিচ ও ইউজিনির নামও এসেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের কুখ্যাত যৌন নিপীড়ক জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে বিশ্বের অনেক বিখ্যাত ব্যক্তির যোগাযোগ ছিল।