ইরান যুদ্ধই কি নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শেষ করে দিতে যাচ্ছে
নেতানিয়াহু একাই এই যুদ্ধ শুরু করেছিলেন এবং মার্কিন প্রেসিডেন্টকে এর মধ্যে টেনে এনেছিলেন।
নেতানিয়াহু একাই এই যুদ্ধ শুরু করেছিলেন এবং মার্কিন প্রেসিডেন্টকে এর মধ্যে টেনে এনেছিলেন।
ইরানে সাময়িক যুদ্ধবিরতি হয়েছে বলে তো আর নেতানিয়াহুর হাত গুটিয়ে বসে থাকার উপায় নেই।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী যুদ্ধে দুই সপ্তাহের বিরতির স্থায়িত্ব নিয়ে এখনো অনেক অনিশ্চয়তা রয়েছে।
ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনার সময় নেতানিয়াহুর ফোনকল পরিস্থিতি বদলে দিয়েছে বলে দাবি করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। ২১ ঘণ্টার আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে এবং ওয়াশিংটন এই ফোনকলের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। এটি দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিকে চাপে ফেলেছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গত রোববার মোসাদের পরবর্তী প্রধান হিসেবে মেজর জেনারেল রোমান গফম্যানকে নিয়োগ দিয়েছেন। গফম্যান কোনো গোয়েন্দা অভিজ্ঞতা ছাড়াই ২০২৬ সালের ২ জুন থেকে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। তিনি নেতানিয়াহুর জাতীয়তাবাদী আদর্শের অনুসারী এবং হামাস হামলায় আহত হয়েছিলেন।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নিরাপত্তার অজুহাতে দুর্নীতি মামলার সাক্ষ্যদান স্থগিত করার আবেদন করেছেন। আগামী সপ্তাহে মামলার কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা ছিল। এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলে তাঁর জেল হতে পারে।
শাহবাগের বিক্ষোভ সমাবেশে অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেছেন, ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর জেলে থাকার কথা কিন্তু তাঁদের ঔদ্ধত্যে বিশ্ব জ্বলছে। জাতিসংঘের মহাসচিবসহ সকলে পদত্যাগ করা উচিত কারণ যুক্তরাষ্ট্র এটাকে স্বীকার করে না। ইরান আক্রমণ ও সাম্রাজ্যবাদের প্রতিবাদে সমাবেশ আয়োজন করেছে ভাসানী পরিষদ।
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলাকালে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে যে সুসম্পর্ক ছিল, তাতে এখন টানাপোড়েন দেখা দিচ্ছে।
ইসরায়েলে যুদ্ধের প্রতি সমর্থন কমছে, বিশেষ করে ইহুদিদের মধ্যে। জরিপে দেখা গেছে, দ্রুত যুদ্ধবিরতির দাবি বাড়ছে এবং ইরানের শাসন উৎখাতের আশা কমেছে। জনগণ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও দীর্ঘ যুদ্ধে ক্লান্ত।
ইরানের বিরুদ্ধেও ‘টাকো ট্রাম্প’ একই রকম হুমকি দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, হরমুজ প্রণালি খুলে না দিলে এমনভাবে গুঁড়িয়ে দেবেন যে ইরানি সভ্যতা বলে কিছু থাকবে না।
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির পর ইসরায়েলে জরুরি অবস্থা তুলে নেওয়া হয়েছে। এর ফলে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দীর্ঘদিনের দুর্নীতির বিচার আগামী রোববার পুনরায় শুরু হবে। বিচারে ঘুষ গ্রহণ, বিশ্বাসভঙ্গ ও জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে।
ইরানের সঙ্গে টানা পাঁচ সপ্তাহের যুদ্ধে ইসরায়েল কোনো লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি বলে দেশের অভ্যন্তরে ক্ষোভ বাড়ছে। ইনবার বেজিক বলেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস হয়নি, হুমকি বহাল আছে। রাম বেন-বারাক ও ইয়োসি শাইন নেতানিয়াহুর নীতিকে যুক্তরাষ্ট্রের অধীনস্থতার কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
ইসরায়েলের ধারণা ছিল এই যুদ্ধ বড়জোর কয়েক দিন বা কয়েক সপ্তাহ স্থায়ী হবে।
নেতানিয়াহুর চেঙ্গিস খানের মতো আগ্রাসী নীতি ইসরায়েলের রাজনীতিতে প্রতিফলিত হচ্ছে, যা জেরুজালেমের পবিত্র স্থানে ক্যাথলিক প্যাট্রিয়ার্ককে আটকানো থেকে গাজার ধ্বংস পর্যন্ত বিস্তৃত। যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে এই দম্ভ শেষ পর্যন্ত নৈতিক পরাজয়ই নিয়ে আসবে বলে মত প্রকাশ করেছেন লেখক। ঐতিহাসিক তুলনা করে তাঁরা সতর্ক করেছেন এই পথের পরিণতি।
স্টিভ ব্যানন ইরান যুদ্ধে নেতানিয়াহুর ছেলে ইয়ার নেতানিয়াহু এবং আরব রাজপরিবারের সদস্যদের সম্মুখসারিতে পাঠানোর দাবি জানিয়েছেন। তিনি মিয়ামি ও লন্ডন থেকে তাদের তুলে যুদ্ধক্ষেত্রে মোতায়েন করার আহ্বান জানান। এতে মার্কিন সেনাদের হস্তক্ষেপের সমালোচনা করেছেন ব্যানন।
ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক হামলার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে হামাসকে অস্ত্র সমর্পণের আহ্বান জানিয়ে কঠোর সতর্কবাণী দিয়েছেন তিনি। গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপে যাওয়ার আগ্রহও প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প।
জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর টেলিফোনে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়েছে।
নির্বাচনে পরাজয়ের ভয়ে আগাম ভোট এড়াতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
আলোচনা নিয়ে দুই পক্ষই নিজের মতো বয়ান দিচ্ছে। তাদের কথা থেকে বোঝার উপায় নেই, আড়ালে কোনো আলোচনা হচ্ছে কি না, হলেও তা কোন পর্যায়ে আছে।
ইসরায়েল সচরাচর এ ধরনের হামলা চালালেও প্রথাগত দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এমন হামলা চালানো খুব স্বাভাবিক নয়।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তাঁর সাম্প্রতিক এক বক্তৃতায় প্রশ্ন তুলেছেন—‘যিশুখ্রিষ্ট হাতে বাইবেল নিয়ে চেঙ্গিস খানের তলোয়ারের সামনে কতক্ষণ টিকতেন?’
নেতানিয়াহু মারা গেছেন বা গুরুতর আহত হয়েছেন বলে গুঞ্জন চলছিল।
ভিডিওটি জেরুজালেমের প্রান্তভাগে অবস্থিত একটি ক্যাফেতে ধারণ করা হয়েছে।
গত প্রায় তিন দিন ধরে নেতানিয়াহুর ব্যক্তিগত চ্যানেলে কোনো নতুন ভিডিও দেখা যায়নি।