ভারত কেন ইসরায়েলের হাইফা দিবস পালন করে?
২০১০ সাল থেকে প্রতিবছর ২৩ সেপ্টেম্বর ইসরায়েল ‘হাইফা দিবস’ পালন করে আসছে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯১৮ সালের ‘হাইফা যুদ্ধে’ যে ভারতীয় সৈন্যরা অংশ নিয়েছিলেন, তাঁদের স্মরণে এই পালন।
২০১০ সাল থেকে প্রতিবছর ২৩ সেপ্টেম্বর ইসরায়েল ‘হাইফা দিবস’ পালন করে আসছে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯১৮ সালের ‘হাইফা যুদ্ধে’ যে ভারতীয় সৈন্যরা অংশ নিয়েছিলেন, তাঁদের স্মরণে এই পালন।
চোখ তুলে তাকানোরও যেন জো নেই! বিশ্ব পরিস্থিতি একেবারে লন্ডভন্ড। যেকোনো মুহূর্তে মাথার ওপর আকাশ ভেঙে পড়তে পারে।
নাৎসি শিবিরে বন্দীদের দিয়ে বাদ্যযন্ত্র বাজানোর ঘটনা কোনো কাব্যিক উদ্ভাবন ছিল না। বিভিন্ন ক্যাম্পে বন্দী সংগীতশিল্পীদের দিয়ে কাজের সময়, বাছাইয়ের সময়, এমনকি হত্যার আয়োজনের মধ্যেও সংগীত বাজানো হতো।
জার্মানদের চোখে ভার্সাই চুক্তি ছিল এক ‘আরোপিত শান্তিচুক্তি’। তারা চুক্তিটি জাতীয় অপমান হিসেবে দেখত। ফলে জার্মান সমাজে জন্ম নেয় তীব্র ক্ষোভ, ঘৃণা ও প্রতিশোধস্পৃহা।
১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর, ভোর ৪টা ৪৫ মিনিট। বিশ্বজুড়ে শুরু হলো মানব ইতিহাসের সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী ও নৃশংস অধ্যায়। চারদিকে বেজে উঠল যুদ্ধের দামামা।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী কয়েক বছরে গোটা বিশ্বকে গভীর সংকটে ফেলে দিয়েছিল।
দুই বিশ্ব তেলযুদ্ধ বদলে দেয় বিশ্বের মানচিত্র
চট্টগ্রামের দেওয়ানহাটে নালা খননের সময় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ের তিনটি সামরিক গোলা উদ্ধার হয়েছে। পুলিশের বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল হালিশহর সমুদ্রসৈকতে নিয়ে গিয়ে সেগুলো নিরাপদে নিষ্ক্রিয় করে। কোনো বিস্ফোরণ ঘটেনি।
সুভাষ বসু হিটলারের কাছ থেকে যা চেয়েছিলেন, তা ছিল সম্পূর্ণ সামরিক ও কূটনৈতিক সহায়তা।
বনবাসের দিনগুলোয় বাইরের বিশ্ব সম্পর্কে পুরোপুরি অজ্ঞ ছিলেন শোইচি ইয়োকোই।
২০২৬ সালের শুরু থেকেই বিশ্বজুড়ে ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা নতুন মাত্রা পেয়েছে।