ভোটের আগে সীমান্তের কোন ৩০ পথে ঢুকছে অবৈধ অস্ত্র
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সীমান্তপথে অবৈধ অস্ত্র ঢোকা ও লুট হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারে ব্যর্থতা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সীমান্তপথে অবৈধ অস্ত্র ঢোকা ও লুট হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারে ব্যর্থতা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
কে, কাকে ভোট দেবেন—সেটা অন্য রকম ‘একটি বিষয়’ বলেই মনে করেন ঢাকা-১৪ আসনে এলডিপির প্রার্থী মো. সোহেল রানা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অবিরাম মাইকিং, প্রচারগাড়ি থেকে আসা উচ্চ শব্দের গান ও স্লোগানে বেড়েছে শব্দদূষণ, নির্বাচন কমিশনের বিধিমালা মানছে না কেউ।
অভিধানে শুধু ভোট শব্দটিই আছে। কিন্তু চাইলে আরও একটি শব্দ অভিধানে যোগ করা যায়। সেটি ‘রাতের ভোট’।
অনেকে মনে করেন, জাতীয় পার্টির (জাপা) বর্তমান অবস্থার সঙ্গে বাড়িটির অনেক মিল আছে। রংপুরে দলটির অবস্থা আগের মতো শক্ত নেই।
এ আসনে প্রার্থী ৮ জন। ব্যানার–ফেস্টুন–বিলবোর্ডের প্রচারে এগিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের দুই প্রার্থী।
আওয়ামী লীগ না থাকলেও খুলনার অধিকাংশ আসনে ভোটের সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে দলটির সমর্থক ও সংখ্যালঘু ভোটারদের অবস্থান।
আজ শুক্রবার বিকেলে সিলেট প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ইভারস আইজাবস।
প্রতীক গুরুত্বপূর্ণ হলেও প্রার্থীর ব্যক্তি পরিচয়, পারিবারিক ইতিহাস, স্থানীয় প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
গত বছর আলু চাষ করে বড় লোকসান গুনেছেন মাসুম মিয়া। ১০ একর জমিতে আলু চাষ করে লোকসান হয়েছে ১৮ লাখ টাকা।
এই আসনে প্রার্থী সাতজন। নির্বাচনী প্রচারে এগিয়ে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের দুই প্রার্থী।
এবার নির্বাচন পর্যবেক্ষণে অনুমতি পেয়েছেন ৮১টি দেশি সংস্থার ৫৫ হাজার ৪৫৪ জন। এর ১৯ শতাংশই পাশার।
এই আসনে প্রার্থী ১১ জন। ভোটার ৪ লাখের বেশি। নির্বাচনী এলাকার সব জায়গায় বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর ব্যানার–ফেস্টুন ও বিলবোর্ড রয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৮ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১০ জন প্রার্থী। এখানে ভোটার ৬ লাখের বেশি।
ঢাকা-৭ আসন থেকে ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রচারে এগিয়ে আছেন বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থী।
দুই যুগ ধরে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীকে যাঁরা ভোট দিয়ে আসছিলেন, তাঁদের একটি অংশ এখন নতুন এক রাজনৈতিক বাস্তবতার মুখোমুখি।
নির্বাচনী আইন অনুসারে, তাঁরা স্বতন্ত্র প্রার্থী। কিন্তু স্থানীয় ভোটাররা চেনেন তাঁদের বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে।
জাতীয় নেতা, স্থানীয় প্রার্থী ও আঞ্চলিক সমীকরণে কক্সবাজারের চার আসনে ভোটের হিসাব জটিল হয়ে উঠেছে।
গত বুধবার সকালে কেশুরবাড়ি গ্রামের একটি দোকানের সামনে জনাদশেক মানুষের আড্ডা চলছিল। চোখে পড়ার মতো ছিল তর্কবিতর্ক। তর্কবিতর্কের বিষয় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচনে কী ভাবছেন বরগুনার সাধারণ ভোটাররা, তা তুলে আনার চেষ্টা করা হয়েছে এই প্রতিবেদনে।
বয়স তাঁদের মাত্র ২৫ বছর, অর্থকড়িও তেমন নেই, পড়াশোনা এখনো শেষ হয়নি বলে নিজস্ব আয়ের পথও সেভাবে তৈরি হয়নি। তারপরও পরিবারের সদস্য, স্বজন, সংগঠনের কর্মীদের কাছ থেকে অর্থসহায়তা নিয়ে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন তিন নারী।
নির্বাচন সম্পর্কে জানতে চাইলে মঞ্জু বেগম বলেন, ‘এটি রাজার নির্বাচন। ভোট আমি দেব। অন্যরাও ভোট দেবে বলে আলাপ-আলোচনা করছে।’ গণভোট সম্পর্কে জানতে চাইলে মঞ্জু বেগম তেমন কিছু জানেন না বলে জানান।