বাউফলে লোডশেডিং ও অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহকদের বিক্ষোভ
বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও অতিরিক্ত বিলের প্রতিবাদে বাউফল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সামনে গ্রাহকদের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও অতিরিক্ত বিলের প্রতিবাদে বাউফল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সামনে গ্রাহকদের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এবার বিদ্যুৎ বিল বাড়ার বিষয়ে অভিযোগ করেছেন ইসলামিক স্কলার মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারি। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এই অভিযোগ করেন তিনি।
বিদ্যুতের অতিরিক্ত বিল আসা নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে সমালোচনার মুখে পড়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। সোমবার (৩ আগস্ট) রাতে ফেসবুকে এ-সংক্রান্ত একটি পোস্ট দেয় সংস্থাটি। বিদ্যুৎ বিভাগের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টের টাইটেল দেওয়া হয়, ‘অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগের বিষয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের স্পষ্টিক
অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে বলে দাবি করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। এ ধরনের প্রচারণার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংস্থাটি। সোমবার (৩ আগস্ট) সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এমন কঠোর বার্তা দেওয়া হয়। তবে প্রথম বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের
অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে প্রমাণ ছাড়া ‘মিথ্যা তথ্য’ বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ালে দায়ী ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ।
প্রতি মাসে বিদ্যুৎ বিল হাতে পেয়ে অনেকেই ভাবেন, খরচ কমানোর সহজ কোনো উপায় আছে কি না। বাস্তবে এর জন্য বড় ধরনের বিনিয়োগের প্রয়োজন নেই। বরং ঘরের ভেতর কয়েকটি ছোট ছোট পরিবর্তন এবং দৈনন্দিন কিছু সচেতন অভ্যাসই বিদ্যুতের ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে পারে।
গরমের দিনে এসির আরাম পেতে চাই বিদ্যুৎ সাশ্রয়। সঠিক তাপমাত্রা নির্ধারণ, নিয়মিত সার্ভিসিং এবং কিছু সহজ অভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমে কীভাবে বিদ্যুৎ বিল নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়, তা জানুন এই প্রতিবেদনে।
চাঁদপুর পৌরসভার বিদ্যুৎ বিল বকেয়া এখনো প্রায় ১৭ কোটি টাকা। বছরের পর বছর বিল পরিশোধ না করায় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) কাছে একসময় এই বকেয়ার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২১ কোটি টাকায়। বর্তমানে নিয়মিত চলতি বিল পরিশোধের পাশাপাশি পুরোনো পাওনা ধাপে ধাপে শোধ করায় বকেয়া কিছুটা কমলেও বিপ
ইনভার্টার কম্প্রেসর প্রযুক্তি ফ্রিজের বিদ্যুৎ খরচ ৩০-৫০% কমায় এবং যন্ত্র দীর্ঘস্থায়ী করে। এটি নীরবে চলে এবং খাবার তাজা রাখে। সঠিক ব্যবহারে সর্বোচ্চ সাশ্রয় সম্ভব।