ইউনিভার্সেল মেডিকেলে ‘বাবার যত্নে’ ক্যাম্পেইনের বিজয়ীদের সংবর্ধনা
বিশ্ব বাবা দিবস উপলক্ষে ‘বাবার যত্নে’ ক্যাম্পেইনে নির্বাচিত পাঁচ সন্তান ও তাঁদের বাবাদের সংবর্ধনা দিয়েছে ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
বিশ্ব বাবা দিবস উপলক্ষে ‘বাবার যত্নে’ ক্যাম্পেইনে নির্বাচিত পাঁচ সন্তান ও তাঁদের বাবাদের সংবর্ধনা দিয়েছে ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
বাবার জীবনের গল্প, স্বপ্ন, ভয় বা আফসোস সম্পর্কে সন্তানেরা অনেক সময়ই খুব কম জানে। একটি আন্তরিক প্রশ্নই পারে বাবা-সন্তানের সম্পর্ককে আরও গভীর করতে।
ফলাফল প্রকাশের পর দেখি অকৃতকার্য হয়েছি। ভেঙে পড়েও আবার উঠে দাঁড়িয়েছি। কারণ, এ লড়াই তো আমার একার নয়; ছুটছি আমি, ছুটছেন বাবাও।
পবিত্র কোরআন আমাদের সামনে এমন একজন বাবার চিত্র ফুটিয়ে তুলেছে, যাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ সমকালীন সব বাবার জন্য অনুকরণীয়। তিনি হলেন নবী ইয়াকুব (আ.)।
দীর্ঘ ২১ বছর পর এবার বাবাকে খুঁজতেই দেশে আসেন তিনি। বাবাকে খোঁজার সেই গল্প নিয়েই তিনি তৈরি করেছেন স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা।
ঘরের এক প্রান্তে বাবা থাকলে আমি থাকতাম অন্য প্রান্তে। সবাই বলত, আমি নাকি বাবাকে খুব ভয় পাই।
সেই মানুষটিকেই ছোটবেলা থেকে অনুসরণ করেছি। তাঁর অনুপ্রেরণা থেকেই শুরু হয় আমার বিতর্কের যাত্রা।
আজ বাবা দিবস। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এদিন অনেকেই শেয়ার করছেন বাবার সঙ্গে ছবি। অনেকেই আবার প্রয়াত বাবার স্মৃতিচারণা করছেন।
বাবা ও সন্তানের সম্পর্কের অনন্য গল্প নিয়ে গ্রী এসির ওভিসি, যা জীবনকে চেনার আহ্বান জানায়।
তখন বুঝতাম না, সেই গল্পগুলো আমার ভেতরে একটি স্বপ্ন বুনে দিয়েছিল। মনে মনে ভাবতাম, একদিন আমিও এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হব।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ার সময় বাবার সঙ্গে স্কুলে যাওয়ার পথে সারাক্ষণ ইংরেজি, অঙ্ক শেখাতে শেখাতে নিয়ে যেতেন।
সামনে সমাজ বই খোলা পড়ে থাকে আরও বহুক্ষণ। কখন যেন ভ্যাপসা গরম কেটে গিয়ে বাইরে বৃষ্টিও শুরু হয়ে যায়, ঘরজুড়ে ভেজা মাটির ঘ্রাণ।
বাবাদের ত্যাগ ও ভালোবাসার গল্প নিয়ে এই নিবন্ধ।
মেয়েকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করতে গিয়ে ঋণ নিতে হয়েছে। প্রতি সপ্তাহে ১ হাজার ১০০ টাকা কিস্তি টানেন।
ভারতীয় অভিনেতা ও উপস্থাপক শেখর সুমন সম্প্রতি তাঁর জীবনের সবচেয়ে বেদনাদায়ক অধ্যায় নিয়ে কথা বলেছেন।
আমার খালু আর মামার উদ্দেশে বললেন, ‘দেখেছেন? এত বড় কাঁটা! আজ রাতেই এটা বের না করলে কী বিপদ হতো, কে জানে!’
আমরা জানতাম, টাকা আবার উপার্জন করা যাবে; এই সময়, এই মুহূর্ত, এই স্মৃতি আর বাবা–চাচার সঙ্গ কখনো ফিরে আসবে না।
বন্ধুদের দেখেছি বাবার স্নেহে বড় হতে। সমবয়সী আত্মীয়দের দেখেছি বাবার হাত ধরে হাঁটতে। তখন নিজেকে খুব অসহায় মনে হতো।
পশ্চিমবঙ্গের অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর পর তাঁর ছেলে সহজকে লেখা বাবা দিবসের চিঠি প্রকাশিত। চিঠিতে তিনি জীবনের অভিজ্ঞতা, মায়ের ত্যাগ এবং ভাষার উত্তরাধিকার শেয়ার করেছেন। সব দিয়ে দিলাম, এক প্রশ্নের উত্তর ছাড়া—এই কথায় শেষ হয়েছে চিঠি।