তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য তহবিল ও করছাড় সুবিধা
তথ্যপ্রযুক্তি খাতে তরুণ উদ্যোক্তাদের উৎসাহ দিতে আগামী অর্থবছরের বাজেটে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
তথ্যপ্রযুক্তি খাতে তরুণ উদ্যোক্তাদের উৎসাহ দিতে আগামী অর্থবছরের বাজেটে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
এবারের বাজেটে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ নজর দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। তিনি চিকিৎসা খরচ কমাতে যেমন নানা ধরনের ছাড় দিয়েছেন, তেমনি ওষুধের দাম নাগালে আনতে ওষুধের কাঁচামালে শুল্ক–কর ছাড় দেওয়ারও প্রস্তাব করেছেন।
বাজেটে কৃষি খাতের জন্য যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তাতে এই খাতে উৎপাদন ব্যয় কমবে বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদেরা।
অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা, উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সংকট ও আন্তর্জাতিক বাস্তবতা বিবেচনায় প্রথম বছরের প্রধান কাজ হওয়া উচিত অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা। লিখেছেন দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী ১১ জুন জাতীয় সংসদে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট উপস্থাপন করেছেন।
ইসলামি অর্থনীতিতে সম্পদকে স্রেফ ব্যক্তিমালিকানাধীন বা রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি মনে করা হয় না; বরং একে আল্লাহর দেওয়া একটি পবিত্র ‘আমানত’ হিসেবে গণ্য করা হয়।
শুধু কর ছাড় নয়, সেবা খাতে নতুন প্রণোদনা; শিক্ষা ঋণ, ডে-কেয়ার কেন্দ্র, প্রবাসী কার্ড ও ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বললেন, শ্রেণি–পেশা, ধর্ম নির্বিশেষে প্রত্যেক নাগরিককে বিবেচনায় রেখে বাজেট করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে গভর্নর বলেন, প্রথমে ৪ শতাংশ সুদে ১৫০ কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হয়েছিল। পরে সেই সুদ ৯-১১ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়। এ ছাড়া করোনাভাইরাসসহ নানা সমস্যা ঋণ পরিশোধে কিছুটা বিলম্ব হয়েছিল।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর জানিয়েছেন, ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের কোনো অসুবিধা হবে না এবং তাঁরা যেকোনো সময় টাকা তুলতে পারবেন।
প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট প্রত্যাখ্যান করেছে বামধারার ছাত্রসংগঠন ছাত্র ইউনিয়নের একাংশ।
সঞ্চয়পত্রের মুনাফা তোলার সময় ১০ শতাংশ হারে অগ্রিম কর কেটে রাখা হবে এবং ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত সঞ্চয়পত্রের মুনাফায় এখন ৫ শতাংশ হারে উৎসে কর কেটে রাখা হয়।
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বিএনপি সরকারের প্রস্তাবিত ঘাটতি বাজেটের সমালোচনা করেছে।
গভর্নর বলেন, একদল মানুষ ব্যাংকে টাকা রাখল, আরেক দল চুরি করে নিয়ে গেল। এখন করদাতাদের টাকা দিয়ে এসব ব্যাংকে মূলধন জোগান দেওয়া হচ্ছে।
বাংলাদেশের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের আকার ঘোষণা করা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা।
বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জ্বালানিসংকট ও বিনিয়োগ স্থবিরতার মধ্যে অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে সরকার যেসব সংস্কারমুখী পদক্ষেপ নিয়েছে, তা প্রশংসনীয়।
সংগঠনটির আশঙ্কা, রাজস্ব আদায়ে চাপ বাড়লে করদাতারা হয়রানির শিকার হতে পারেন এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যেতে পারে।
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের শহীদ ও আহত ব্যক্তিদের পরিবারের জন্য আবাসনের জন্য দুটি পৃথক চলমান প্রকল্পে এ বরাদ্দের প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।
দেশে অর্থনৈতিক সংস্কার এ বাজেটের মাধ্যমে সম্ভব হবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
আগ্নেয়াস্ত্রের মালিকদের কর বাড়ানো হয়েছে। বন্দুক, শটগান, রাইফেল, পিস্তল ও রিভলবারের নিবন্ধন, লাইসেন্স ইস্যু কিংবা নবায়নের সময় মালিকদের ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা অগ্রিম কর দিতে হবে।
আগামী ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আয়–ব্যয় কীভাবে হবে, তা একঝলকে দেখে নেওয়া যাক।
প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছে সিডিপি। সামষ্টিক অর্থনীতির বর্তমান বাস্তবতাকে আড়াল করে বা অতিমূল্যায়ন করে এই ভিত্তি ঠিক করা হয়েছে বলে মনে করেন সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান।
২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট সম্পর্কে জামায়াতের প্রতিক্রিয়া তুলে ধরার জন্য এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
জনগণের কাছ থেকে সরকার যে কর আদায় করে, তা কীভাবে ও কোথায় ব্যয় হবে, তার মধ্য দিয়ে সরকারের অগ্রাধিকার বোঝা যায়।