কাঁচামাল আমদানিতে ৩০% মূল্য সংযোজনের শর্ত বহাল রাখার দাবি বিটিএমএর
বিটিএমএ বলেছে, এই শর্ত প্রত্যাহার করা হলে বন্ড–সুবিধার অপব্যবহার এবং বাজারে অসম প্রতিযোগিতা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে। দেশীয় বস্ত্র খাত ধ্বংসের মুখে পড়বে।
বিটিএমএ বলেছে, এই শর্ত প্রত্যাহার করা হলে বন্ড–সুবিধার অপব্যবহার এবং বাজারে অসম প্রতিযোগিতা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে। দেশীয় বস্ত্র খাত ধ্বংসের মুখে পড়বে।
একটি নতুন সরকারের জন্য সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো তার নিশানাগুলো জনতাকে বুঝিয়ে দেওয়া। সে বিচারে বাজেট খুব একটা বেপরোয়া নয়।
বাজেটকে ‘হাওয়াই মিঠাইয়ের’ সঙ্গে তুলনা করে অর্থমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের বাজেট প্রণয়নের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার।
বাজেটে রিটার্ন জমার বাধ্যবাধকতার ক্ষেত্র বাড়ানোর পাশাপাশি আরও কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে; যা কিছু ক্ষেত্রে করদাতাদের ওপর চাপ বাড়াতে পারে, আবার কিছু ক্ষেত্রে করদাতাদের সুবিধা হবে।
বাজেটে শিল্পপণ্যের প্রয়োজনীয় প্যাকেজিং উপকরণ সরবরাহে উৎসে কর ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪ শতাংশ করা হয়েছে। এতে আমাদের মতো প্রতিষ্ঠান কিছুটা স্বস্তি পাবে। তবে যেসব উদ্যোক্তা বিদেশ থেকে কাঁচামাল আমদানি করেন, তাঁদের প্রত্যেকে কাস্টমসের হয়রানির শিকার।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক সায়মা হক বিদিশা বলেন, জেন্ডার বাজেটের সঠিক বাস্তবায়নের জন্য তথ্য-উপাত্ত নির্ভুল রাখা এবং স্বচ্ছ মূল্যায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘একজন রাজনৈতিক নেতার জীবনের অন্ধকার অংশ এখানে আলোচিত হোক, চাই না আমরা।’
রুমিন ফারহানা বলেন, ‘ম্যান্ডারিন বা জার্মান শেখানোর আগে আমাদের নিশ্চিত করতে হবে একজন শিক্ষার্থী যেন শুদ্ধভাবে বাংলা, ইংরেজিতে লিখতে ও বলতে পারে।’
প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটকে ইতিবাচক হিসেবে অভিহিত করেছে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সংগঠন ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফআইসিসিআই)।
র্যাপিড আরও বলছে, সরকারঘোষিত ৪১ লাখ দরিদ্র পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হলে দারিদ্র্যের হার এক ধাক্কায় ১৩ দশমিক ৮ শতাংশে নামবে।
বরাদ্দ বাড়লেও এর সুফল সবচেয়ে বঞ্চিত ও জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে পৌঁছানোয় বৈষম্য রয়েছে।
আজ বুধবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএসএমএর সভাপতি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমসহ সংগঠনটির নেতারা এ তথ্য জানান। এ সময় তাঁরা এ খাতের সংকট নিরসনে বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন।
গণ-অভ্যুত্থান ও দীর্ঘ স্বৈরশাসনের অবসানের পর একটি নির্বাচিত সরকারের প্রথম বাজেট ঘিরে জনপ্রত্যাশা ছিল আকাশছোঁয়া। ১১ জুন জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশ করেছেন, যা গত অর্থবছরের চেয়ে ১ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা বেশি এবং দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড়।
রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর রাজস্ব ব্যবস্থাপনার কৌশল হিসেবে ত্রিমুখী পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন।
সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকায় জমি, বিল্ডিং বা অ্যাপার্টমেন্ট বণ্টন ও মিউটেশনেও আয়কর রিটার্নের প্রমাণপত্র দেখাতে হবে।
আজ বুধবার সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে সিপিডি কার্যালয়ে ‘২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট: বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত কী পেল?’ শীর্ষক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে গবেষণা সংস্থাটির পক্ষ থেকে এ পর্যালোচনা তুলে ধরা হয়।
আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব হয়েছে। দেশে গত দেড় বছরের বেশি সময় ব্যবসা–বাণিজ্যে মন্দাভাব চলছে।
বড় করদাতাদের কর রেয়াত সুবিধা কমবে। আগের মতো একই কর রেয়াত পেতে হলে আগের চেয়ে বেশি বিনিয়োগ করতে হবে।
আজ সংসদ অধিবেশনে সম্পূরক বাজেটের ওপর আলোচনা হয়। সরকারের ব্যয় প্রস্তাবের দাবির ওপর ভোট গ্রহণের সময় অর্থ বিভাগের দাবি নিয়ে আনা ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনায় অর্থনীতির দুর্বলতা তুলে ধরে বিরোধী দল।
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, আমাদের বড় অনুযোগ হলো, বর্তমান সরকার বাজেটের তথ্য-উপাত্ত নিয়ে অনেক ক্ষেত্রে ছলচাতুরী করেছে। তাতে আমরা খুবই মর্মাহত।
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আজ সোমবার জাতীয় সংসদে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটের ওপর তাঁর সমাপনী বক্তব্যে এ তথ্য জানান।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ইউজিসি থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ১৮৬ কোটি ৬০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার বনানীর একটি হোটেলে বাজেট পর্যালোচনা সভার আয়োজন করে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচেম)।
আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে আর্থিক খাতের জন্য একটি সাহসী ও যুগান্তকারী হিসেবে অভিহিত করেছে ব্যাংক উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি)।