ঢাকা–দিল্লি সম্পর্কে সমান মর্যাদা কেন জরুরি
ভারতকে দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতির একটি প্রধান নিয়ামক শক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
ভারতকে দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতির একটি প্রধান নিয়ামক শক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
ভারত সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রেস কনফারেন্সে কোনো সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছে এবং সংগঠনটিকে ‘বেসরকারি প্রতিষ্ঠান’ বলে দাবি করেছে। কিন্তু এই প্রতিষ্ঠান কতটা বেসরকারি বা কতটা বিদেশি?
একাধিক উচ্চপর্যায়ের সূত্র বলছে, সাম্প্রতিক পরিস্থিতির পর ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণের সম্ভাবনা কম।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারি এবং জাতিসংঘের সহযোগিতা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
নয়াদিল্লিতে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনে ভারত সরকার তার বক্তব্য অনুমোদন করে না বলে জানিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল।
দুই দেশের মধ্যে অনেক দ্বিপক্ষীয় ইস্যু আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের প্রয়োজন আছে উল্লেখ করে শামা ওবায়েদ বলেন, ‘আমরা বসতে চাই, আলোচনা করতে চাই। কিন্তু সিদ্ধান্তটা এখন ভারতকে নিতে হবে।’
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কোনো ব্যক্তি যাতে ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন—এ বিষয়ে ভারতের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
শেখ হাসিনা ভারত থেকে ‘ফিরতে’ চান বলে যে ঘোষণা দিয়েছেন, তার পেছনে আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যও কাজ করতে পারে বলে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ধারাবাহিকতা, সীমান্ত পরিস্থিতি, নদিপ্রশ্ন ও কূটনৈতিক আলাপ–আলোচনার প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হয়েছে।
ব্রিকসের ‘আউটরিচ’ পর্বে অংশ নিতে তারেক রহমানকে বিমসটেকের সভাপতি হিসেবে আমন্ত্রণের বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন এড়িয়ে গেছেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল।
ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে বৈঠকের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক নতুন করে শুরু করার বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে এবং বিদ্যমান অস্বস্তি নিরসনে প্রয়োজন রয়েছে।
নয়াদিল্লিতে আগামী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের ‘আউটরিচ’ পর্বে অংশ নেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত, তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি ঢাকা।
বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ও সামাজিক বিবর্তন একটি বড় নিয়ামক হতে পারে বলে মনে করেন অধ্যাপক পল্লবী রায়।
বাংলাদেশের নতুন প্রেস অফিসারদের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত দিল্লি।
দৈনিক ইত্তেফাকের সাংবাদিক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র মো. সাইদুর রহমান নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।
ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণের ঘোষণা দিয়েছেন শেখ হাসিনা। তবে দৃশ্যমান প্রস্তুতি ও রাজনৈতিক সমঝোতা না থাকায় সংশয়ে আওয়ামী লীগের নেতারা।
বাংলাদেশ সরকার দেশে বসবাসকারী সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে এবং উগ্রপন্থীদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে আশা করছে ভারত।
বিএনপির সংসদ সদস্য জি এম সিরাজ ভারতের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বাংলাদেশবিরোধী বক্তব্য বন্ধ করতে ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
এইচআরডব্লিউ ৯ জন প্রত্যক্ষদর্শীর সঙ্গে কথা বলেছে। তাঁরা বলেন, বিএসএফের সদস্যরা রাতে দলে দলে মানুষকে সীমান্তে এনে কাঁটাতারের ফাঁক দিয়ে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন।
গত শুক্রবার দুপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়ে জানায়, আইওআরের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের বৈঠকে বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।
গত এপ্রিলে ভারত সরকার দেশটির সাবেক রেলমন্ত্রী দীনেশ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশে হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে।
বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী আজ শুক্রবার দিল্লিতে ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে দেখা করেছেন।
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক ভারতকে বাংলাদেশ সীমান্তে ‘পুশ ইন’ বন্ধসহ বাংলাদেশবিরোধী কর্মকাণ্ড না করার আহ্বান জানিয়েছেন।
ভারতের বিদায়ী হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বাংলাদেশে তাঁর কর্মস্থলের অভিজ্ঞতা জানিয়ে ভবিষ্যৎ সম্পর্ক নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
টানাপোড়েন শেষে নতুন সম্পর্কের বার্তা দিল্লির