লোহাগাড়ায় বন্যাদুর্গত সুকুমারের হাহাকার: ‘আট হাজার টাকা বেতনের চাকরি
চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার পশ্চিম আমিরাবাদ মঙ্গলনগর বণিকপাড়া এলাকায় বন্যার পানি নামলেও বিধ্বস্ত ঘরবাড়ি নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।
চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার পশ্চিম আমিরাবাদ মঙ্গলনগর বণিকপাড়া এলাকায় বন্যার পানি নামলেও বিধ্বস্ত ঘরবাড়ি নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।
টানা এক সপ্তাহের অতি ভারী বর্ষণের পর চট্টগ্রামে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমলেও মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়ে গেছে। বন্যা পরিস্থিতি এখনো জটিল এবং কয়েক লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে আছেন।
ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে কয়েক দিন ধরে পানিবন্দী বাঁশখালী উপজেলার বহু এলাকা। পরিবারের সদস্যরা নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে গেলেও পর্যাপ্ত ত্রাণ, শুকনা খাবার ও সুপেয় পানি নিয়ে ভোগান্তির অভিযোগ এসেছে।
উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের সাত জেলায় বন্যা পরিস্থিতি বিদ্যমান। চার নদীর ছয়টি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপরে থাকলেও বৃষ্টি কমে আসায় পরিস্থিতির উন্নতির আশা করা হচ্ছে।
চট্টগ্রামের সাতকানিয়া পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ রূপকানিয়া এলাকায় বন্যার পানিতে ডুবে ইসমাইল হোসেন নামে দুই বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও খাগড়াছড়ির বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন তথ্য।
চট্টগ্রামসহ পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে ভারী বৃষ্টির পর সৃষ্ট বন্যার প্রেক্ষাপট, মানবসৃষ্ট কারণ ও দুর্যোগ মোকাবিলার প্রশ্ন তুলে মতামতধর্মী লেখা।
চট্টগ্রামের সাতটি উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে অংশ নিতে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব উল্লেখ করে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেক মানুষ যেন তাদের ন্যায্য অধিকার ও প্রয়োজনীয় সহায়তা পায়, সে বিষয়ে সরকারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।
চট্টগ্রামে টানা বৃষ্টি ও বন্যায় সৃষ্ট পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় ১০টি বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
ভারী বৃষ্টি ও বন্যা পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম বোর্ডের আওতাধীন সব জেলার এইচএসসি, আলিম ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের শনিবারের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।
চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নে পৃথক দুটি ঘটনায় পাহাড়ি ঢলে ভেসে গিয়ে মোহাম্মদ আশিক (৭) ও মোহাম্মদ মিরাজ (৩) নামের দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
আজ শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (এফএফডব্লিওসি)-এর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী দেশের পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি হচ্ছে।
দেশের পাঁচটি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, তবে পরিস্থিতির সামান্য উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বসতবাড়িতে কোমরসমান পানি ওঠায় দুই সন্তান নিয়ে অটোরিকশায় আশ্রয় নিয়েছেন তসলিমা আক্তার। গত বুধবার থেকে কালভার্টের ওপর রাখা গাড়িতেই কাটছে তাদের দিনরাত।
সুনামগঞ্জে টানা বৃষ্টিতে নদী ও হাওরে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে হাউসবোট মালিক ও চালকদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে জেলা প্রশাসন।
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বন্যার পানির তোড়ে ঘর হারিয়েছেন ছেনোয়ারা বেগম। বুধবার রাতে বৈলছড়ি ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে। বর্তমানে তিনি এস কে বি কনভেনশন হল আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন।
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় বন্যার পানিতে গলাসমান পানি মাড়িয়ে প্রসব বেদনায় কাতর এক গৃহবধূকে উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। আজ বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার পশ্চিম আমিরাবাদ ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। পরে হাসপাতালে তিনি একটি পুত্রসন্তানের জন্ম দেন।
চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় অনেক মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। কোথাও কোথাও হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি জমেছে।
দেশজুড়ে টানা তিন দিন ভারী বৃষ্টির ফলে ৪ বিভাগে আকস্মিক বন্যার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
চার দিন ধরে একটানা অতিভারী বৃষ্টিতে সৃষ্ট পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের পাঁচ জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।
খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে একটানা অতি ভারী বৃষ্টিতে পাহাড়ি ঢলের পানিতে বিভিন্ন এলাকা ডুবে গেছে। ফলে খাগড়াছড়ি-রাঙামাটি এবং দীঘিনালা-লংগদু-সাজেক সড়কসহ বেশ কয়েকটি সড়কে যোগাযোগ বন্ধ থাকায় সাজেক পর্যটনকেন্দ্রে সাড়ে চার শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েছেন।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী তিন দিনে ভারী বৃষ্টির প্রভাবে চার বিভাগের বেশ কিছু নদীর পানি বেড়ে আকস্মিক বন্যা হতে পারে; তিস্তা নদী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে।
চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারো পাহাড়ধসে ছয়জন নিহত, পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেছে নিচু এলাকা