নতুন রাষ্ট্রে স্বপ্নভঙ্গের আখ্যান
গ্রন্থটির ব্যাপ্তি ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ থেকে ৭ নভেম্বর ১৯৭৫ পর্যন্ত। যে সময়টিতে রক্তস্নাত নবীন রাষ্ট্রের ভিত্তি রচিত হয়েছিল। যদিও একজন প্রত্যক্ষ সাক্ষী হিসেবে এই সময় নিয়ে লেখকের রয়েছে গভীর আক্ষেপ।
গ্রন্থটির ব্যাপ্তি ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ থেকে ৭ নভেম্বর ১৯৭৫ পর্যন্ত। যে সময়টিতে রক্তস্নাত নবীন রাষ্ট্রের ভিত্তি রচিত হয়েছিল। যদিও একজন প্রত্যক্ষ সাক্ষী হিসেবে এই সময় নিয়ে লেখকের রয়েছে গভীর আক্ষেপ।
গরমের ছুটি মানেই আরাম করে বই পড়ার সময়। এমন কিছু গল্প, যেগুলো বই শেষ হওয়ার পরও মাথায় রেশ থেকে যাবে। সেই ভাবনা থেকে এ গ্রীষ্মের কিছু সেরা নতুন বই বেছে নিয়েছেন সমালোচকেরা। তালিকায় আছে রাজনৈতিক ব্যঙ্গ, পারিবারিক গল্প, জলবায়ু সংকট নিয়ে উপন্যাস ও থ্রিলার।
পারভেজ হোসেনের সুবর্ণপুরাণ একটি ইতিহাস–আশ্রিত উপন্যাস। এই উপন্যাসের সময় ১৫৯৯ থেকে ১৬১০। আসলে এই সময়ের পুরোটাও নয়। উপন্যাসের উল্লেখ-ইশারা দেখে মনে হয়, ১৬১০ সালের আগের বছর কয়েক এই উপন্যাসের সময়। এই অল্প সময় পরিসরে পারভেজ হোসেন একটা উপন্যাস জমিয়ে তুলতে চেয়েছেন। তিনি ‘মহিমামণ্ডিত ইতিহাস’ ও ‘ঐতিহাসিক চরিত্রের’ সঙ্গে নিজের উপন্যাসকে যুক্ত করে ফাঁপা গৌরবের অংশীদার হতে চাননি।
তাহলে প্রযুক্তির দাপটে হার্ডব্যাক হারিয়ে যাবে! সত্যি কি তা–ই? সম্ভবত না। যেভাবে সিনেমা আসার পর নাটক বন্ধ হয়নি, টেলিভিশন আসার পর রেডিও হারিয়ে যায়নি, ঠিক তেমনি ই-বুক আসার পরও হার্ডব্যাক বই থাকবে। হয়তো আগের মতো সবার হাতে থাকবে না। হয়তো প্রতিদিনের পড়ার জন্য মানুষ মোবাইল, ট্যাবলেট বা পেপারব্যাক বেছে নেবে। কিন্তু প্রিয় বইয়ের বিশেষ সংস্করণ, উপহার, সংগ্রহ কিংবা পারিবারিক লাইব্রেরির জন্য হার্ডব্যাকের আবেদন সহজে ফুরিয়ে যাবে না।
বই নিয়ে যে কত কিছু জানার আছে, তা সবার কাছে সহজবোধ্য করে তুলে ধরার কাজটি সম্ভবত বাংলাদেশে এভাবে আগে কেউ করেননি।
<p>সংবাদপত্রকে বলা হয় ইতিহাসের প্রথম খসড়া লেখক। সংবাদপত্র অথবা সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন হলো সেই রসদ অথবা কাঁচামাল, যা ব্যবহার করে গবেষকের নিবিড় বিশ্লেষণে নির্মিত হয় সেই বয়ান ও ব্যাখ্যা, যাকে...
কবিতার ডাকে আল মাহমুদের ভারত, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স যাত্রার অভিজ্ঞতা সংকলিত ‘তিন শহর তিন আকাশ’ গ্রন্থে। তাঁর সূক্ষ্ম পর্যবেক্ষণে উন্মোচিত হয়েছে সেই দেশগুলোর সাংস্কৃতিক-সামাজিক চিত্র। নতুন বিন্যাসে পাঠককে মোহিত করবে এই কাব্যিক ভ্রমণকাহিনি।
সাজ্জাদ শরিফের সম্পাদনায় বইটি মোটা দাগে দুই ভাগে বিভক্ত। প্রথম পর্বে আছে তাজউদ্দীনের যুদ্ধকালীন নোট, পরের অংশে যুদ্ধ–পরবর্তী বাংলাদেশের।
কার হাতে পূর্ব বাংলায় ফটোগ্রাফি একটা পরিণত রূপ লাভ করল—সেই জিজ্ঞাসা থেকেই উঠে আসে গোলাম কাসেম ড্যাডির নাম। নিজ ভূমিকাকে আড়ালে রেখে তিনি সারা জীবন আলোকচিত্র সাধনা করে গেছেন।
প্রাচীন ভারতের সাহিত্য ও বেদে গার্গী, মৈত্রেয়ী প্রমুখ বিদুষী নারীর উল্লেখ পাওয়া গেলেও সাধারণ নারীর জীবন ক্রমশই সংকুচিত হতে থাকে।
এই গ্রন্থে তাঁদের আন্তরিক সম্পর্ক ও একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা, সৌহার্দ্য স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
গ্রন্থটির নামকরণে ইসলাম ধর্মের বিস্তারের কথা থাকলেও একই সময়েই—অর্থাৎ ওই মোগল আমলেই—পূর্ববঙ্গে হিন্দুধর্মেরও বিস্তার ঘটেছে।
মায়া বলল, ‘স্যার,আমি একটা গল্প শোনাতে চাই আপনাকে। এটা আমার জীবনের গল্প নয়, কিন্তু আমার অভিজ্ঞতার ভেতর থেকেই জন্মেছে।’
নির্বাচনী প্রচার, নারী-স্বাধীনতা আন্দোলন, আঞ্চলিক আন্দোলন এবং বিশেষত হিন্দু-মুসলিম সাম্প্রদায়িকতার ভেতরে ক্যাসেটের ভূমিকা...
তিনি ব্যাখ্যা করেছেন, লজ্জা ও সংকোচ কীভাবে মানুষকে নীরব করে রাখে এবং কেন সেই নীরবতা ভাঙা প্রয়োজন।
প্রাচীন ও মধ্যযুগের সাহিত্যে—ফুল্লরার বারমাস্যা, মৈমনসিংহ গীতিকার অকুতোভয় নারী চরিত্র কিংবা কালীঘাট পটে আঁকা এলোকেশী হত্যার চিত্রে—নারীর সামাজিক অবস্থান ও বঞ্চনার এক সুদীর্ঘ দেশজ ইতিহাস প্রোথিত রয়েছে।
উনি তখন ২০০ বছরের পুরোনো সেই বিশাল কারাগারের একমাত্র রাজনৈতিক বন্দী।
নাট্যকার হিসেবে মুনীর চৌধুরী দৃশ্যত উদার মানবতাবাদী হিসেবে চিহ্নিত। কিন্তু তাঁর শিল্পচেতনার ভেতরে ফল্গুধারার মতো বয়ে চলে তাঁর রাজনৈতিক আদর্শ।
লেখক সাহিত্যিক হোর্হে লুইস বোর্হেসের বিখ্যাত উক্তিটি স্মরণ করিয়ে দেন: ‘রাইটিং ইজ নাথিং আদার দ্যান আ গাইডেড ড্রিম’; অর্থাৎ লেখালিখি নিয়ন্ত্রিত স্বপ্ন ছাড়া আর কিছুই নয়।
মহিউদ্দিন আহমদ লিখছেন, কারও চোখে তিনি শয়তান, কারও চোখে ধর্মপুত্র যুধিষ্ঠির। দুটোই চরম।
এ বছরের আন্তর্জাতিক বুকার পুরস্কারের জন্য জমা পড়েছিল ১২৮টি বই। কয়েক মাস ধরে পাঠ, আলোচনা ও বিতর্কের পর বিচারকমণ্ডলী সেখান থেকে বেছে নিয়েছেন ১৩টি বই।
রবীন্দ্রনাথকে কেন্দ্র করে রামমোহন, বিদ্যাসাগরসহ বাংলার রেনেসাঁস-মননের ধারাবাহিক বিকাশ এখানে স্পষ্টভাবে উদ্ভাসিত।
কিছু সত্য ঘটনা উপজীব্য করে, সত্য ও কাল্পনিক জগতের ভিয়েনে এই নস্টালজিক স্মৃতির শহরে কবিদের জীবনের গল্প লেখা হয়েছে সম্রাট ও প্রতিদ্বন্দ্বীগণ উপন্যাসে।
প্রত্নতত্ত্বের ছাত্রছাত্রী, গবেষক ও লেখকদের কাছে বইটি বিশেষভাবে সমাদৃত হবে এবং যুগ যুগ ধরে বাঙালি সাধারণ পাঠকদেরকেও মাতিয়ে রাখবে, এটি আমার দৃঢ় বিশ্বাস।