ইবনে খালদুনের মুকাদ্দিমা কেন এখনো পাঠ্য
জীবনের পরবর্তী পর্যায়ে তিনি রাজনৈতিক জীবন থেকে কিছুটা দূরে সরে আলজেরিয়ার নির্জন এলাকায় অবস্থান করেন এবং ‘কিতাবুল ইবার’ গ্রন্থের ভূমিকা হিসেবে ‘মুকাদ্দিমা’ রচনা করেন।
জীবনের পরবর্তী পর্যায়ে তিনি রাজনৈতিক জীবন থেকে কিছুটা দূরে সরে আলজেরিয়ার নির্জন এলাকায় অবস্থান করেন এবং ‘কিতাবুল ইবার’ গ্রন্থের ভূমিকা হিসেবে ‘মুকাদ্দিমা’ রচনা করেন।
দুই দিনের ছোটকাকু উৎসব ২০২৬ ঢাকায় শুরু হয়েছে, উৎসবের প্রথম দিনে উন্নত মানসিকতার জন্য বই পড়ার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
আলী আনোয়ার ব্যাখ্যা করেছেন, ইংরেজি অনুবাদের মাধ্যমে পাবলো নেরুদা–প্রাপ্তিতে আমাদের লাভ-লোকসান। পোস্টকলোনিয়াল তত্ত্ব নিয়ে কোনো বুলিবাগিশতা না করে দেখিয়েছেন এর প্রায়োগিক দিক।
ভৌগোলিক ও কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় অভিযানের শুরুতেই চট্টগ্রামের নিরঙ্কুশ দখল নিতে চেয়েছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। যদিও বাঙালি সেনাদের বীরত্বপূর্ণ প্রতিরোধে তা সম্ভব হয়নি। ১৯৭১ সালের অসহযোগ আন্দোলনে বিদ্রোহের প্রস্তুতি ও চূড়ান্ত মুহূর্তে বিদ্রোহের শ্বাসরুদ্ধকর ঘটনাপ্রবাহ নিয়েই ১৯৭১: চট্টগ্রাম বিদ্রোহ ও ব্রিগেডিয়ার মজুমদার গ্রন্থটি।
জীবনে হঠাৎ নেমে আসা অন্ধত্ব বা পক্ষাঘাতের মতো কঠিন পরিস্থিতিতে পরিবার ও ব্যক্তিকে মানসিক সাহস জোগাতে সমবেদনা সাহিত্যের এক বিশেষ ধারা গড়ে উঠেছিল তখন।
অনুবাদক আল্লামা ইকবালকে প্রশ্নহীন অপ্রতিরোধ্য আবেগ ও অনুরাগে অবিরাম আন্দোলিত করে উপস্থাপন করেননি। তিনি সচেষ্ট ছিলেন সর্বাধিক নির্মোহ থাকতে। পাঠক সে কারণে বিশ্বাস ও বেদনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ এক ইকবালকে এ বইতে পাবেন।
বিশ্বজিৎ চৌধুরীর ‘নো আদার চয়েস’ বইটিতে রয়েছে ১১টি গল্প। গল্পগুলো পড়তে গিয়ে মনে হয়েছে, লেখক খুব পরিচিত জীবনকেই এমনভাবে দেখেন, যার অনেকটা আমরা প্রতিদিন দেখেও দেখতে চাই না।
সাংবাদিক ও সম্পাদক হিসেবে মতিউর রহমানের পেশাজীবন দীর্ঘ। তাঁর নেওয়া কে এম সফিউল্লাহর একটি সাক্ষাৎকারকে ঘিরে দুই সমরনায়কের বাদ-প্রতিবাদ এই বইটির মূল উপজীব্য।
১৫ আগস্ট জন্ম এবং ১৯৪৭ সালের ১৩ মে মৃত্যুর পর ২১ বছর বয়সেই প্রজন্মের স্মৃতিতে বেঁচে থাকা কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্মশতবর্ষে রাজধানীতে আলোচনা, আবৃত্তি, সংগীত, নৃত্য ও স্মারকগ্রন্থ প্রকাশের মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ উপস্থাপক, সম্পাদক, সংগঠক হিসেবে যতটা পরিচিত, গল্পকার হিসেবে ততটা পরিচিত নন। তাঁর চারটি গল্প পড়ে খুব বিস্মিত হয়েছিলাম। বইয়ের ভূমিকায় লেখক বলেছেন, এই ৪টি গল্প ৩০ বছরজুড়ে বিক্ষিপ্তভাবে লেখা। এমন গল্প যিনি লেখেন, তিনি কেন আরও নিয়মিত গল্প লেখেননি?
বইটিতে বয়স ধরে ধরে সাজানোর ব্যাপারটাও চমৎকার। পাঠক নিজের বর্তমান বয়সে দাঁড়িয়ে দেখতে পারেন, ঠিক এই বয়সে নবীজি কী ধরনের অবস্থার মুখোমুখি হয়েছিলেন।
ইসলামি দর্শনকে গ্রিক চিন্তার অনুবাদ হিসেবে দেখানোর প্রবণতার বিপরীতে ইসলামি ঐতিহ্যে স্বাধীন বুদ্ধিচর্চা ও যুক্তিভিত্তিক বিচারপ্রক্রিয়ার বিকাশের কথা তুলে ধরেছে প্রাসঙ্গিক আলোচনাগুলো।
মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের পক্ষে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়া বিদেশি লেখক, শিল্পী, সাংবাদিক ও বন্ধুদের অবদান নিয়ে লেখা ‘ভালোবাসায় বাড়ানো হাত’ শীর্ষক বই পর্যালোচনা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে।
কল্যাণী রমার ঔপন্যাসিকা (কিংবা বড় গল্প) বাইপোলার টিয়ারস: সূর্যাস্তের আলো কেবল একটি ক্লিনিক্যাল কেস স্টাডি বা প্রবাসজীবনের আখ্যান নয়; এটি মূলত মানুষের অবচেতনের অতলান্ত গহ্বর, অস্তিত্ববাদী সংকট এবং সেখান থেকে কবিতার মতো জেগে ওঠার এক পরম বেদনার্ত দলিল।
ইউপিএল প্রকাশিত অবসরপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত মাহমুদ হাসানের স্মৃতিকথা সেরেনডিপিটি ডিপ্লোমেসি: বিটুইন প্রটোকল অ্যান্ড পলিটিকস: আ মেমোয়ার নিয়ে মুক্তকণ্ঠে বিশ্লেষণধর্মী আলোচনা—জোটনিরপেক্ষ সম্মেলন, আফগান মিশন, বার্মা বাস্তবতা ও প্রশাসনিক সংস্কৃতির পর্যবেক্ষণসহ।
মধুপোক প্রকাশিত সলিমুল্লাহ খানের দ্বিতীয় বই ‘রতি ও বিরতি: সাক্ষাৎকার ২০২৪-২০২৬’—চব্বিশের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত প্রকাশিত আলাপচারিতার সংকলন; যেখানে ‘রতি’, ‘বিরতি’ ও ‘আরতি’ পর্বের পাশাপাশি ‘সংবর্ধনা’ অধ্যায়ও রয়েছে।
মুসলিম ঐতিহাসিকেরা ইতিহাস লিখনপদ্ধতিতে দুটি প্রধান বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনেন। ইতিহাসকে রূপকথা বা অতিরঞ্জন থেকে মুক্ত করে তথ্যভিত্তিক ও যৌক্তিক বিজ্ঞানে রূপান্তর করার কৃতিত্ব মুসলমানদের।
তারিখে বুখারার রচয়িতা আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ আল-বুখারি (৩৩৭-৪১২ হি./৯৪৮-১০২৮ খ্রি.) ‘গুনজার’ নামেই বেশি পরিচিত। মূল গ্রন্থটির প্রাচীন পাণ্ডুলিপি এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি; তবে পরবর্তী আলেমদের উদ্ধৃতিতে বইটির গুরুত্ব ও বিন্যাসের নানা দিক ধরা পড়ে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন, শুধু শাস্তির মাধ্যমে অপরাধ নির্মূল করা সম্ভব নয়; বরং যেসব সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মানুষকে অপরাধের দিকে ঠেলে দেয়, সমাজকে সেসব বিষয়ের সুরাহা করতে হবে।
যে লোকটা হুমায়ূন আহমেদকে চিনতেন না, দিন শেষে তাঁর চোখেমুখে যে মুগ্ধতা দেখেছি, সেটাই আমাকে সবচেয়ে আনন্দ দিয়েছে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক পালাবদলে সামরিক বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে সাংবাদিকতা বা লেখালেখি খুবই সংবেদনশীল ও ঝুঁকিপূর্ণ কাজ। একজন সাংবাদিক ও সম্পাদক হিসেবে মতিউর রহমান এ বিষয়ে বিশেষ অনুসন্ধিৎসার পরিচয় দিয়েছেন। সাহস দেখিয়েছেন। সাধারণ পাঠকের সামনে তুলে ধরেছেন অজানা অধ্যায় ও অন্তরালের গল্প।
ইসলামের ইতিহাসের আলোচনাতেও রাশিয়ার ও সেখানকার মুসলমানদের প্রসঙ্গ সেভাবে স্থান পায় না। অথচ রুশ দেশ থেকে হজ সফরের কাহিনি কম চিত্তাকর্ষক নয়।
ইতিহাসের সাপেক্ষে পড়লে একটি স্বাভাবিক প্রশ্ন ওঠে: মীর মশাররফ হোসেন কি ইতিহাস লিখেছিলেন, নাকি ইতিহাসের পটভূমিতে দাঁড়িয়ে একটি সাহিত্যিক কল্পনা গড়ে তুলেছিলেন?
<p>কুদরত-ই-হুদা <em>জসীমউদ্দীন: আধুনিকতা ছাড়িয়ে</em> নামের যে পুস্তক সম্প্রতি প্রচার করেছেন, তার নামের মধ্যেই কালের একটি ইশারা আছে। কবি জসীমউদ্দীন লেখালেখি করেছেন ঘোরতর আধুনিকতাবাদী কাব্যচর্চার...