মনু নদের তীরে জারুল ফুলের বেগুনি মোহনীয় প্রপাত
মৌলভীবাজারের মনু নদের পাড়ে জারুল ফুলের বেগুনি সৌন্দর্য মনোমুগ্ধকর দৃশ্য সৃষ্টি করেছে। কয়েক বছর আগে লাগানো অর্ধশত গাছ এখন ফুলে ভরে শহরকে আকর্ষণীয় করে তুলেছে। জারুলের বৈশিষ্ট্য ও ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত।
মৌলভীবাজারের মনু নদের পাড়ে জারুল ফুলের বেগুনি সৌন্দর্য মনোমুগ্ধকর দৃশ্য সৃষ্টি করেছে। কয়েক বছর আগে লাগানো অর্ধশত গাছ এখন ফুলে ভরে শহরকে আকর্ষণীয় করে তুলেছে। জারুলের বৈশিষ্ট্য ও ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ফুটপাতে সাদা সুরভি রঙ্গন ও হলুদ ট্যাবেবুইয়া ফুল দুটি চোখ কাড়ে। প্রাঙ্গণে অজস্র গাছের সমারোহ রাজধানীর কেন্দ্রস্থলে ছায়াঘনতা এনে দেয়। বৃক্ষপ্রেমী অধ্যাপক শিশির ভট্টাচার্য্যের যত্নে বিরল ট্যাবেবুইয়া ফুটেছে।
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় বৃক্ষশোভিত প্রতিষ্ঠান।
রাজশাহী শহরের ব্যস্ত সড়কজুড়ে এখন প্রকৃতির এক রঙিন প্রদর্শনী। কোথাও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে জারুলের বেগুনি ছায়া, কোথাও ঝুলে থাকা সোনালুর হলুদ থোকা বাতাসে দুলে উঠছে।
ফুলের আলোচনা শুনে মোড়ের দোকানি যুগল বিশ্বাস বললেন, ‘দরকার পড়ে না। নামও জানি না।’
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে যাওয়ার পথে মহাসড়কের পাশে ফুটে থাকা এক অচেনা হলুদ ফুল ঘিরে কৌতূহল—স্থানীয় লোকজনের নাম অজানা সেই ফুলের পরিচয় মিলল ‘কালো কস্তুরি’ বা ‘মসুকদানা’ হিসেবে, যার রয়েছে ঔষধি গুণও।
পারুল যে এ অঞ্চলের প্রাকৃত তরু, তার প্রমাণ মেলে খ্রিষ্টীয় চতুর্থ বা পঞ্চম শতকের সংস্কৃত সাহিত্যের মহাকবি কালিদাসের সাহিত্যে।
ময়মনসিংহ শহরের ছোট কালীবাড়ির পেছন দিয়ে একটা রাস্তা চলে গেছে ব্রহ্মপুত্রতীরের কাছারিঘাট ও জয়নুল উদ্যানের দিকে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশজুড়ে ফুটে উঠেছে সোনালু ফুল। তপ্ত বৈশাখেও হলুদের এই রঙিন মেলা পথচারী ও যাত্রীদের দিচ্ছে এক অন্য রকম প্রশান্তি।
কুরচি থোকায় কয়েকটা সাদা রঙের সুগন্ধি ফুল ফোটে এপ্রিল থেকে জুলাই মাসে। ছোট গাছেও ফুল ফোটে। ফুল ফোটে কয়েক দফায়।
এখানে একটি ফুলের রং সাদা, অন্যটি লাল বা ম্যাজেন্টা রঙের। এই দুটি ফুলের মধ্যে বিস্তর তফাত থাকলেও একটি বিষয়ে কিছুটা মিল আছে
আবদুর রহিম বাংলাদেশ-আমেরিকা মৈত্রী ফুল বিপণনকেন্দ্রের সভাপতি। বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার সোসাইটির সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি।
মিরপুরের জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যানে ফুটেছে রক্তন ফুল, যার সদ্য ফোটা রূপ হলদে সাদা এবং বাসি হলে গাঢ় রক্তলাল হয়ে যায়। এই বিশাল গাছের ছোট ফুল এবং বড় ফলের অপূর্ব সৌন্দর্য দেখে বিস্মিত হন প্রকৃতিপ্রেমীরা। বাংলাদেশে এটি সংকটাপন্ন উদ্ভিদ হিসেবে চিহ্নিত।
মৌলভীবাজারের মনু নদীর তীরে শান্তিবাগ ওয়াকওয়েতে ফুটেছে সুগন্ধী কুর্চি ফুল। এর শুভ্র সৌন্দর্য ও ভেষজ গুণে মুগ্ধ পথচারীরা। রবীন্দ্রনাথের বর্ণনায় বসন্তের জয়ঘোষক এই ফুলের বিবরণ।
বান্দরবানের লামার কোয়ান্টামে দেখা দুই বিরল ফুল—নিশাম্বা ও হলদে দোলনচাঁপা। ইন্দোনেশিয়ায় সুগন্ধের জন্য এই পাতা ভাতের সঙ্গে সেদ্ধ করে খাওয়া হয়। প্রজাতিটি গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে বনের ক্ষয় নিয়ন্ত্রণে মূল্যবান পরিবেশগত উপাদান হিসেবে কাজ করে।
ভারতের আহমেদাবাদে ১১ হাজার ৭০০টি চন্দ্রমল্লিকা ফুল দিয়ে তৈরি বিশাল তোড়া বিশ্বের সবচেয়ে বড় হিসেবে ২০২৫ সালের ৭ জানুয়ারি গিনেস রেকর্ড পায়। তোড়াটি ১০.২৪ মিটার উঁচু ও ১০.৮৪ মিটার চওড়া। এখনও রেকর্ড অটুট রয়েছে।
মৌলভীবাজার শহরের ফরেস্ট অফিস রোড ধরে পথ চলতে মনু নদের পাড়ে এই বরুণগাছটির সঙ্গে দেখা।
মৌলভীবাজার পৌরসভার পুকুরের দক্ষিণপাড়ের পূর্ব দিকে দাঁড়িয়ে থাকা রুদ্রপলাশগাছে অসংখ্য লাল ফুল ফুটে থাকতে দেখা যায়।
মৌলভীবাজার শহরসংলগ্ন মনু নদের পাড়ে সেই বসন্তের রঙিন ছোঁয়া স্পষ্ট। শহরের শান্তিবাগ ওয়াকওয়ে এখন বসন্তের রূপে সেজে উঠেছে।
গোমতী চরের সূর্যমুখীর হলুদ সাম্রাজ্য এখন ভাইরাল। কেন এই বাগান দেখতে যাবেন, কীভাবে যাবেন—সব থাকছে এ লেখায়।
পাবনা জেলা সদরের টেবুনিয়া এলাকায় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের খামারে বীজ উৎপাদনের জন্য সূর্যমুখী ফুলের চাষ করা হচ্ছে।
মৌলভীবাজারে অবস্থিত বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয় এলাকায় নিভৃত বনের ভেতর প্রচুর পলাশ ফুল ফুটছে।
খাগড়াছড়ির চেঙ্গী নদীর পাড়ে দেখা যায় এ দৃশ্য। নদীর এক পাশে পাহাড়, আরেক পাশে সূর্যমুখীবাগানের এ দৃশ্য দেখতে প্রতিদিনই এখানে ভিড় করছেন নানা বয়সী মানুষ। টিকিট কেটে দুই কৃষকের সূর্যমুখীবাগানের ঢুকে কেউ ছবি তুলছেন, সাউন্ডবক্সে গান বাজিয়ে তালে তালে নাচছেন, আবার প্রিয়জনকে সঙ্গে নিয়ে কেউ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করছেন
মৌলভীবাজার সদর উপজেলার মোস্তফাপুর ইউনিয়নের আজমেরু গ্রামে বার্ড পার্ক অ্যান্ড ইকো ভিলেজে বিরল হলুদ শিমুলের দেখা মিলেছে।