গঙ্গা ব্যারাজ সম্পর্কে উত্থাপিত ১০ প্রশ্নের উত্তর কোথায়
ভারতের ফারাক্কার অভিজ্ঞতা দেখায়, এই ব্যারাজ সেখানে উজান ও ভাটির জন্য এমন কঠিন সমস্যার সৃষ্টি করেছে যে তা এখন একটি ফাঁসে পরিণত হয়েছে।
ভারতের ফারাক্কার অভিজ্ঞতা দেখায়, এই ব্যারাজ সেখানে উজান ও ভাটির জন্য এমন কঠিন সমস্যার সৃষ্টি করেছে যে তা এখন একটি ফাঁসে পরিণত হয়েছে।
দেশের বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রে একের পর এক কারিগরি ত্রুটির ঘটনায় নাশকতার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী
সঞ্জয় ঝাকে লেখা চিঠিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেন, ‘গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে আপনার উদ্বেগের বিষয়টি আমরা পুরোপুরি বুঝতে পেরেছি।’
এই মরীচিকার বিষয়টি প্রস্তাবিত দ্বিতীয় তিস্তা ব্যারাজের জন্যও প্রযোজ্য হবে। এই ব্যারাজের প্রস্তাব একেবারেই নতুন ও আকস্মিক।
গঙ্গা ব্যারাজ প্রকল্প নিয়ে অনলাইন ও গণমাধ্যমে যে সমালোচনা চলছে তার বেশির ভাগই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু প্রতিটি সমস্যারই প্রকৌশলগত ও বৈজ্ঞানিক সমাধান আছে। দরকার শুধু সৎ সাহস ও রাজনৈতিক সদিচ্ছা, যাতে আধুনিক প্রযুক্তি ও বিশ্বের অভিজ্ঞতা প্রকল্পের নকশায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
গঙ্গার পানি ভাগাভাগিসংক্রান্ত ভারত-বাংলাদেশের মধ্যকার ৩০ বছরের চুক্তির মেয়াদ এ বছর শেষ হতে যাচ্ছে। গঙ্গা চুক্তির মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ও বিরোধপূর্ণ বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছাতে হলে অনেক প্রস্তুতির দরকার। চুক্তি নবায়নের জন্য বাংলাদেশ কীভাবে প্রস্তুত হতে পারে, তা নিয়ে দুই পর্বে লিখেছেন নজরুল ইসলাম
গঙ্গার পানি ভাগাভাগি–সংক্রান্ত ভারত-বাংলাদেশের মধ্যকার ৩০ বছরের চুক্তির মেয়াদ এ বছর শেষ হতে যাচ্ছে। গঙ্গা চুক্তির মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং বিরোধপূর্ণ বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছাতে হলে অনেক প্রস্তুতির দরকার। চুক্তি নবায়নের জন্য বাংলাদেশ কীভাবে প্রস্তুত হতে পারে, তা নিয়ে দুই পর্বে লিখেছেন নজরুল ইসলাম। আজ প্রকাশিত হলো প্রথম পর্ব
বিশেষ করে এই মুহূর্তের ‘টক অব দ্য টাউন’ পদ্মা ব্যারাজের ব্যাপারে এ প্রশ্নগুলো সবাই জানতে চাইছেন।
মানববন্ধনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন এএলআরডির নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা।
বিভিন্ন সূত্রে এখন পর্যন্ত যা জানা গেছে, রাজবাড়ী জেলার পাংশায় পদ্মা ব্যারাজ নির্মিত হবে। এর মোট দৈর্ঘ্য হবে ২ দশমিক ১ কিলোমিটার।
ভারত পানি আগ্রাসনের মাধ্যমে বাংলাদেশকে শায়েস্তা করতে চায়, ফারাক্কা বাঁধ তার উদাহরণ।
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, শিশুদের হামে মৃত্যু সরকারের ব্যর্থতা, স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা প্রয়োজন।
মির্জা ফখরুলের ভাষ্য, পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশ আরেকটা ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত।
প্রতিবছর ১৬ মে এলে একটি নাম অবধারিতভাবে সামনে আসে—ফারাক্কা। এটি শুধু একটি বাঁধের নাম নয়, এটি বাংলাদেশের নদী, কৃষি, অর্থনীতি ও ভূরাজনীতির দীর্ঘস্থায়ী সংকটের প্রতীক। এই দিনটিতে কিছু আলোচনা হয়, কিছু স্মৃতিচারণা হয়, তারপর বিষয়টি আবার আড়ালে চলে যায়। অথচ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মরণাপন্ন নদীগুলো, সুন্দরবনের ক্রমবর্ধমান লবণাক্ততা, কৃষির ক্ষয়ক্ষতি—সবকিছুর সঙ্গে কোনো না কোনোভাবে ফারাক্কার সম্পর্ক জড়িয়ে আছে।
ভারতের ফারাক্কা ব্যারাজ কীভাবে বাংলাদেশের জন্য মরণফাঁদ হয়ে উঠেছে, তা বিশ্ববাসীর নজরে আনতে ১৯৭৬ সালের ১৬ মে এক লংমার্চ শুরু করেছিলেন মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ফারাক্কা বাঁধকে বাংলাদেশের জন্য মরণফাঁদ বলে অভিহিত করেছেন। ‘ফারাক্কা দিবস’ উপলক্ষে তিনি ভারতের পানি প্রত্যাহারের কারণে দেশের উত্তর–পশ্চিমাঞ্চলে মরুভূমির উদ্ভব এবং প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা তুলে ধরেন। ভাসানীর ঐতিহাসিক সংগ্রামের স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচারের দাবি জানান।
প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের বিরুদ্ধে সতর্ক করে বিশেষজ্ঞ নজরুল ইসলাম বলছেন, সমীক্ষা ছাড়াই এগিয়ে যাওয়া অপচয়মূলক ও ক্ষতিকর হবে। এটি উজানে বন্যা-পাড়ভাঙন বাড়াবে, লবণাক্তা গভীরে প্রবেশ করাবে এবং ভারতের কাছ থেকে গঙ্গার হিস্যা আদায়ের পথ বন্ধ করবে। বাপা-বেনের সুপারিশে জাতিসংঘ চুক্তি র্যাটিফাই ও অবৈধ প্রতিবন্ধকতা সরানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
আগামী বুধবার একনেক সভায় পদ্মা ব্যারাজ (প্রথম পর্যায়) নির্মাণ প্রকল্পের ৩৩,৪৭৪ কোটি টাকার প্রস্তাব উত্থাপিত হতে পারে। রাজবাড়ীর পাংশায় ২.১ কিমি বাঁধ নির্মাণে পানি সংকট মোকাবিলা ও অর্থনৈতিক সুবিধা আনার লক্ষ্য। ফারাক্কা বাঁধের প্রভাব কমাতে পাঁচটি নদী পুনরুজ্জীবিত হবে।