পণ্য রপ্তানি ও প্রবাসী আয় বেড়েছে
টানা ৪ মাস ধরে প্রবাসী আয় ৩০০ কোটি ডলারের নিচে আছে। সেপ্টেম্বরে রপ্তানি চার বিলিয়নের নিচে নেমে গেছে।
টানা ৪ মাস ধরে প্রবাসী আয় ৩০০ কোটি ডলারের নিচে আছে। সেপ্টেম্বরে রপ্তানি চার বিলিয়নের নিচে নেমে গেছে।
সর্বশেষ মে মাসে প্রবাসী আয় ৩০০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছিল। এর পরের চার মাসে প্রবাসী আয় ৩০০ কোটি ডলার পার হয়নি।
বিদায়ী জুলাই মাসে প্রবাসী আয় এসেছে প্রায় ২৮৬ কোটি ডলার। এর আগে গত জুনেও ২৮২ কোটি ডলারের আয় এসেছিল। অবশ্য এর আগে টানা ছয় মাস প্রবাসী আয় ৩০০ কোটি ডলারের বেশি ছিল
মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে লোক পাঠানোর নামে সোশ্যাল মিডিয়ায় চটকদার ও ভুয়া বিজ্ঞাপনদাতাদের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ দিয়েছে উল্লেখ করেন নুরুল হক।
চীনের গবেষক জিন লিয়াংশিয়াংয়ের মতে, বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলার সক্ষমতার দিক থেকেও বাংলাদেশ তুলনামূলকভাবে বেশি ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে।
মূলত বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি কর্মী কাজ করেন, এমন দেশগুলো থেকেই সবচেয়ে বেশি প্রবাসী আয় আসে।
আগামী আগস্ট মাসে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হতে যাচ্ছে ‘প্রবাসী কার্ড’, যার মাধ্যমে প্রবাসীরা বিমানবন্দর সেবা, স্বাস্থ্যসেবা, বিনিয়োগ এবং ব্যাংকিংয়ে বিশেষ অগ্রাধিকার ও সুবিধা পাবেন।
রিজার্ভ বৃদ্ধির আরেকটি কারণ হচ্ছে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি কম। এতে আমদানি সেভাবে বাড়েনি।
অনাবাসী বিনিময়যোগ্য টাকা হিসাবে জমাকৃত মূল অর্থ ও অর্জিত সুদ বা মুনাফা সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাবাসনযোগ্য থাকবে। বাংলাদেশ ব্যাংক আজ এ–সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
গত ডিসেম্বর থেকে টানা ছয় মাস ধরে তিন বিলিয়ন বা ৩০০ কোটি ডলারের বেশি প্রবাসী আয় দেশে এসেছে।
একদল গ্রাহকের টানা আন্দোলন, সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের উত্তপ্ত আলোচনা এবং গ্রাহকের আতঙ্কসহ নানা ঘটনায় ইসলামী ব্যাংকের প্রবাসী আয়ে প্রভাব পড়েছে।
অর্থমন্ত্রী জানান, প্রবাসীকল্যাণ সেবা, বিমা, ব্যাংকিং সুবিধা ও জরুরি সহায়তার সঙ্গে কার্ডটি সংযুক্ত করা হবে। ফলে প্রবাসীরা এক কার্ডের মাধ্যমেই সরকারের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ও আইনি সুরক্ষা পাবেন।
বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভরসা প্রবাসী কর্মীরা। আমরা তাদের গর্ব করে ‘রেমিট্যান্স যোদ্ধা’ বলি। কিন্তু একটু বুকের ওপর হাত রেখে ভাবলে প্রশ্ন জাগে-আমরা কি সত্যিই তাদের জন্য একটি ন্যায্য, নিরাপদ ও মানবিক অভিবাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পেরেছি?
ব্র্যাক ব্যাংক সবচেয়ে বড় রেমিট্যান্স ব্যাংক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।
সর্বশেষ মে মাসের প্রবাসী আয় গত বছরের মে মাসের তুলনায় ১৫ দশমিক ৩৪ শতাংশ বেশি। গত বছরের মে মাসে ২৯৬ কোটি ৯৪ লাখ ৬০ হাজার ডলার প্রবাসী আয় এসেছিল।
চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে এপ্রিল পর্যন্ত ১০ মাসে ২ হাজার ৯৩৩ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় দেশে এসেছে।
ঈদুল আজহার কারণে প্রবাসী বাংলাদেশিরা বেশি অর্থ পাঠাচ্ছেন। চলতি মে মাসের প্রথম ১৯ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৪৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার।
চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে প্রবাসী আয় কাঁচা বাড়ি পাকা করেছে, বাজারে দোকান বেড়েছে এবং নতুন ব্যবসা গড়ে উঠেছে। ২০২৫ সালে ২ হাজার ৮০ জন বিদেশ গেছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সন্দ্বীপ দেশের রেমিট্যান্সের উল্লেখযোগ্য অংশ দেয়।
কৃষি ব্যাংকের রেমিট্যান্স উৎসবে ফরিদপুরের রাবেয়া মোটরসাইকেল জিতেছেন। মালয়েশিয়া থেকে স্বামী ২ লাখ ৫ হাজার টাকা পাঠানোর ফলে তিনি লটারিতে প্রথম হয়েছেন। ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত ৪০ দিনের উৎসবে মোট ৩৯টি পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে।
বিদায়ী এপ্রিলেও ৩ বিলিয়ন বা ৩০০ কোটি ডলারের বেশি প্রবাসী আয় এসেছে। ওই মাসে এসেছে ৩১২ কোটি ৭০ লাখ ডলার।
সানেম আয়োজিত তিন দিনের অর্থনীতিবিদ সম্মেলনের সমাপনী দিনে আজ রোববার এ গবেষণার তথ্য উপস্থাপন করা হয়। গবেষণাটি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাহতাব উদ্দিন।
পুরোনো সংকট কাটেনি, সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ। মূল্যস্ফীতি, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, খেলাপি ঋণ ও জ্বালানিঝুঁকির মধ্যে নতুন সরকার কোন অগ্রাধিকার আগে দেবে, সেই প্রশ্নই এখন বড়।
প্রবাসী আয় সংগ্রহে অসাধারণ অবদানের জন্য পূবালী ব্যাংককে এনআরবি ‘গোল্ড অ্যাওয়ার্ড ফর ব্র্যান্ডিং পদক’ প্রদান করেছে। তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের হাতে পুরস্কার গ্রহণ করেন ব্যাংকের এমডি-সিইও মোহাম্মদ আলী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উভয় প্রতিমন্ত্রীসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বগণ।
এপ্রিলের প্রথম ১১ দিনে প্রবাসী আয় ১২১ কোটি ৮০ লাখ ডলার ছাড়িয়েছে। গতকাল শনিবার পর্যন্ত শেষ তিন দিনে ২৪ কোটি ডলারের বেশি এসেছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ এবং রমজানের প্রভাবে প্রবাহ বেড়েছে।