ইসলামের আলোকে প্রবীণদের প্রতি করণীয়
মানুষ জন্মের পর শৈশব, কৈশোর ও যৌবন পার করে বার্ধক্যে উপনীত হয়। পবিত্র কোরআন মাজিদে বলা হয়েছে, ‘আল্লাহ তোমাদের সৃষ্টি করেন।
মানুষ জন্মের পর শৈশব, কৈশোর ও যৌবন পার করে বার্ধক্যে উপনীত হয়। পবিত্র কোরআন মাজিদে বলা হয়েছে, ‘আল্লাহ তোমাদের সৃষ্টি করেন।
ইসলাম পিতা-মাতার অধিকার ও মর্যাদাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে; কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব এবং আচার-আচরণের দিকনির্দেশ তুলে ধরা হয়েছে।
জাতীয় সংসদে পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন সংশোধন এবং বিভিন্ন ভাতার বরাদ্দ বৃদ্ধির পরিকল্পনা জানানো হয়েছে।
পবিত্র কোরআন আমাদের সামনে এমন একজন বাবার চিত্র ফুটিয়ে তুলেছে, যাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ সমকালীন সব বাবার জন্য অনুকরণীয়। তিনি হলেন নবী ইয়াকুব (আ.)।
কোরআন মাজিদ বিভিন্ন জায়গায় পিতৃত্বের প্রসঙ্গটি এনেছে এবং বিভিন্ন ধরনের বাবার উদাহরণ দিয়েছে। তার মধ্য থেকে আমরা কয়েকটি অনন্য বৈশিষ্ট্য খুঁজে পাই।
‘আল-আব’ শব্দটি সন্তানের নিজের বাবা, দাদা এবং চাচা সবার ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হতে পারে। কিন্তু ‘ওয়ালিদ’ বলতে স্রেফ সন্তানের আপন জন্মদাতা পিতাকেই বোঝায়;
অনেক সময় ক্যারিয়ারের পেছনে ছুটতে গিয়ে শেকড়কে ভুলে যাই। বৃদ্ধাশ্রমের ক্রমবর্ধমান সংখ্যা আমাদের সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয়ের ইঙ্গিত দেয়।
কোরআন যেমন আদর্শ পিতার সফল দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করেছে, তেমনি সন্তানদের বিচিত্র স্বভাব ও আচরণের সঙ্গে কীভাবে সর্বোত্তম পন্থায় প্রতিক্রিয়া করতে হয়, তার রূপরেখা প্রদান করেছে।
পিতৃত্ব একজন মানুষের ওপর অনেক বড় দায়িত্বের বোঝা তৈরি করলেও একে আল্লাহর পক্ষ থেকে বান্দাদের জন্য একটি বিশেষ উপহার ও অনুগ্রহ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
কোরআনে পিতৃত্বকে একটি গভীর বন্ধন ও দায়িত্ব হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। ‘পিতা’ শব্দটি তিন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে এবং পিতৃত্ব সম্পর্কিত শব্দ ১১৭ বার এসেছে। নবী ইয়াকুব (আ.)-এর মতো আদর্শ পিতার উদাহরণও তুলে ধরা হয়েছে।
আল্লাহর একত্ববাদে বিশ্বাসের পরেই পিতা–মাতার খেদমত অন্যতম ফরজ ইবাদত। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ–তাআলা বলেন, ‘তোমার রব এই ফয়সালা দিয়েছেন যে আল্লাহ ছাড়া কারও ইবাদত করবে না এবং পিতা–মাতার সঙ্গে সদ্ব্যবহার করবে।
অনেকে তো তর্কের মুখে বলেই বসেন, “আমরা তো জন্ম নিতে চাইনি, তোমরা আমাদের পৃথিবীতে এনেছ, তাই আমাদের চাওয়া-পাওয়া পূরণ করা তোমাদের আইনি দায়িত্ব।”
মানুষের জীবনকাল দীর্ঘ হওয়ায় বয়স্ক দম্পতিদের মধ্যে আগের তুলনায় অসুখী দাম্পত্যজীবন টেনে বেড়ানোর আগ্রহ কমে যাচ্ছে।