পানির মাঝে থেকেও পানির জন্য কষ্ট হাওরের রমিলা বেগমদের
হাওরের ডোবা থেকে জলভরা একটি কলসি কাঁখে আর হাতে আরেকটি জগ নিয়ে বাড়ি ফিরতে ফিরতে এভাবেই পানির কষ্টের কথা বলছিলেন রমিলা বেগম (৫১)।
হাওরের ডোবা থেকে জলভরা একটি কলসি কাঁখে আর হাতে আরেকটি জগ নিয়ে বাড়ি ফিরতে ফিরতে এভাবেই পানির কষ্টের কথা বলছিলেন রমিলা বেগম (৫১)।
বীরবালা ত্রিপুরা বলেন, প্রতিদিন তিন থেকে চারবার তাঁকে পানির জন্য যেতে হয়। পাহাড়ি পথ বেয়ে যাওয়া-আসা করতে করতে দিনের অনেকটা সময়ই চলে যায়।
বিলকিস জানান, কাপড় কাচা থেকে শুরু করে খাওয়ার পানির ব্যবস্থা—সব মিলিয়ে প্রতিদিনই দীর্ঘ সময় ব্যয় করতে হয়। গরমের সময় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে পড়ে।
গত শনিবার (১৪ মার্চ) বেলা ১১টা। ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার চরমাদ্রাজ ইউনিয়নের মিয়াজানপুর গ্রামের ফকিরবাড়ির একটি গভীর নলকূপ ঘিরে দাঁড়িয়ে আছেন কয়েকজন গৃহবধূ।
শনিবার (১৪ মার্চ) ভোরের আলো ফুটতেই কলসি হাতে বাড়ি থেকে বের হন নয়ানী গ্রামের বাসিন্দা মঞ্জুয়ারা খাতুন। প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরের এই পুকুরই তাঁর পরিবারের একমাত্র পানির উৎস।
ববিতা রানী জানান, বর্ষা মৌসুমে পানি যাওয়ার পথ না থাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। আবার শুষ্ক মৌসুমে, বিশেষ করে মার্চ মাসের শেষ দিক থেকে পুকুরের পানিও থাকে না।
জরিনা জানান, প্রায় ২০ বছর আগে তাঁদের বাড়ির পাশে নলকূপ ছিল। পানির জন্য কোনো কষ্ট ছিল না। কিন্তু ধীরে ধীরে এলাকার নলকূপগুলোতে পানি ওঠা বন্ধ হয়ে যায়।
রেণু বেগম জানান, টিউবওয়েলের পানিতে আর্সেনিক। হাত–পায়ে ঘা হয়। তাই কাপড় কাচা ও গোসলের কাজে নদীর পানি ব্যবহার করেন তিনিসহ এলাকার অনেকেই।
‘ভোরবেলায় পানি একটু পাওয়া যায়। তা–ও বারবার চাপ দিয়ে এক বালতি তুলতে হয়। কোমরকানি লাগে, ব্যথা হয়।’
দেশে পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি (ওয়াশ) খাতে শহর ও গ্রামীণ অঞ্চলের মধ্যে বরাদ্দ বৈষম্য কিছুটা কমলেও তা এখনো উল্লেখযোগ্য পর্যায়ে রয়ে গেছে।
গ্রামের মেঠো রাস্তার পাশে সাবমার্সিবল পাম্পের সাহায্যে তোলা পানি একটি ট্যাংকে সংরক্ষণ করা আছে।
এনজিও ফোরাম ফর পাবলিক হেলথ টেকনাফ ও কুতুবদিয়া উপকূলীয় অঞ্চলে খাওয়ার পানির তীব্র সংকট মোকাবিলায় ভূ-উপরিস্থ পানি শোধনাগার প্ল্যান্ট স্থাপন করেছে।
আমাদের কী করা উচিত, তা অনুধাবন করতে পারলেই প্রকৃত পরিবর্তন আসবে। ব্যক্তিগত পর্যায়ে সামান্য সচেতনতাও জাতীয় পানিনিরাপত্তায় এক বিশাল অবদান রাখতে পারে।
এই প্ল্যান্টগুলো যদি হামলা চালিয়ে ধ্বংস করা হয়, তাহলে কী হবে তা নিয়ে এখনও তেমন কোনো আলোচনা শোনা যাচ্ছে না।
রোজার মাসে ইফতার থেকে সাহ্রির পর্যন্ত একবারে অনেক বেশি পানি পান না করে ধীরে ধীরে নির্দিষ্ট বিরতিতে পান করাই উত্তম।
বাংলাদেশ কি খাদ্যনিরাপত্তা রক্ষা করতে গিয়ে নিজেকে পানিনিরাপত্তার ঝুঁকিতে ফেলছে? ধান চাষ আমাদের বাঁচায়; কিন্তু তার বর্তমান সেচপদ্ধতি কি ভবিষ্যৎকে শুষ্ক করে দিচ্ছে?
ঢাকা আজ শুধু যানজট, বায়ুদূষণ বা আবাসন–সংকটের শহর নয়, এটি দ্রুত একটি পানিসংকটের শহরে পরিণত হচ্ছে।
চট্টগ্রাম নগরের নানা ওয়ার্ডে, নানা গলিতে শত শত পুকুর, দিঘি, ডোবা, ঝরনা হারিয়ে গেছে। উঠেছে বহুতল ভবন, দোকান, গুদাম, কারখানা, আবাসিক প্রকল্প।
বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে চোখের পানি কেবল পানি নয়, এটি এক জটিল মিশ্রণ, যা আমাদের চোখের সুরক্ষায় অতন্দ্র প্রহরীর মতো কাজ করে।
বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের মাটির গভীরে বিশাল সুপেয় পানির ভান্ডার খুঁজে পাওয়া গেছে।
কয়েকটি স্বাস্থ্যকর কৌশল মেনে চললেই গ্রীষ্মকালে শুরু হতে যাওয়া পবিত্র রমজান মাসে গলা–মুখ শুকিয়ে কাঠ হবে না।
বান্দরবানের রোয়াংছড়ির শুকনাছড়ি পাড়ায় সরকারি সাহায্য ছাড়াই সব সেবা নিজেদের উদ্যোগে দিচ্ছে গ্রামবাসী
খিচুড়ি বা পোলাওয়ের মতো খাবার খেতে তো দারুণ। তবে অনেক সময়ই দেখা যায়, এমন খাবার খাওয়ার পর বারবার পিপাসা পায়। কেন এ রকম হয়, সমাধানই–বা কী?
শীতে ধোঁয়া ওঠা গরম পানি গায়ে ঢালতেই কী আরাম! মনে হয় সারা দিন শাওয়ারের নিচেই দাঁড়িয়ে থাকি। কিন্তু এই আরাম আপনার সাধের চুলের জন্যও কি আরামদায়ক?