রেডিওর শব্দে ফুটবল স্মৃতি: বাবার সঙ্গে কাটানো বিশ্বকাপের সেই দিনগুলো
একটি পুরোনো রেডিও এবং বাবার স্মৃতিবিজড়িত ফুটবল প্রেমের গল্প, যেখানে ১৯৮৬ থেকে ২০২২ সালের বিশ্বকাপের আবেগ ও ভালোবাসার প্রতিফলন ঘটেছে।
একটি পুরোনো রেডিও এবং বাবার স্মৃতিবিজড়িত ফুটবল প্রেমের গল্প, যেখানে ১৯৮৬ থেকে ২০২২ সালের বিশ্বকাপের আবেগ ও ভালোবাসার প্রতিফলন ঘটেছে।
ফলাফল প্রকাশের পর দেখি অকৃতকার্য হয়েছি। ভেঙে পড়েও আবার উঠে দাঁড়িয়েছি। কারণ, এ লড়াই তো আমার একার নয়; ছুটছি আমি, ছুটছেন বাবাও।
আমরা জানতাম, টাকা আবার উপার্জন করা যাবে; এই সময়, এই মুহূর্ত, এই স্মৃতি আর বাবা–চাচার সঙ্গ কখনো ফিরে আসবে না।
শতাব্দীর পর শতাব্দী পার হয়ে গেলেও এর একটি অক্ষর বা হরকতেও বিন্দুমাত্র পরিবর্তন ঘটেনি। কেয়ামত পর্যন্ত কোরআন এভাবেই সংরক্ষিত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।
২০১০ বিশ্বকাপের সময় সংস্কারের কাজের জন্য আমাদের ফ্ল্যাট ছেড়ে দিতে হয়েছিল। তখন অংকুর বলেছিল, ‘বিশ্বকাপটা আমাদের বাসায় থেকে দেখো।’
খন চারপাশের বাস্তবতা বুঝতে শিখছি, তখন মনে হয়—এই দিনটি শুধু আমার জন্মদিন নয়, আমার কর্মজীবী মায়েরও নতুন করে জন্ম নেওয়ার দিন।
সেই টিনের ঘরের রাতগুলোর মতো ভয় আর কখনো পাইনি। এখনো ঝড় উঠলে মনে পড়ে চৌকির নিচে গুটিসুটি বসে থাকা এক শিশুর কথা।
ভয়ে আমার জ্বর এসে গেল। রাতে বারবার ঘুম থেকে লাফিয়ে উঠতাম। প্রায় সাত দিন পরে স্বাভাবিক হতে পেরেছিলাম।
নীল একটা শাড়ি পরেছে ঝুমু! নীল অপ্সরাদের দিকে বেশিক্ষণ তাকানো যায় না! আমি চোখ নামিয়ে নিলাম।
কিন্তু আমার জন্য যেসব পাত্র আনা হতে থাকল, তাদের আর সব ঠিক থাকলেও চোখ ঠিক নেই। হয় পিঁপড়ের মতো পিনিপিনি, নয়তো মরা মাছের মতো ঠান্ডা চোখ।
জুলাই সনদ ৫০ পৃষ্ঠার এক দলিল। এতে ঐকমত্যে উপনীত হওয়া ৮৪টি প্রস্তাব বা দফা আছে।
বইটা খুলতেই প্রথম পাতায় যেন একটা নরম, চুপচাপ বৃষ্টির ছোঁয়া লাগে। অলকানন্দা, যাকে সবাই অলকা বলে ডাকে। একজন অভিনেত্রী, কলেজজীবন থেকে শুরু করে সিনেমার জগতে তার যাত্রা।
একটা সিলের শব্দে নির্বাচিত হয় তোমার প্রতিনিধি, যে নেতা হয়ে তোমার এলাকার মানুষের কল্যাণের কথা বলবে।
আট দিনের একটা ফ্যামিলি হলিডে শেষে গতকাল ঢাকায় পৌঁছালাম আমরা চারজন কুয়ালালামপুর থেকে। খুব সহজ, সাধারণ এবং অত্যন্ত বোধগম্য একটি সেন্টিমেন্ট।
আমি তাঁদের নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন করি—ভোট দেবেন কাকে? একজন বলে, আপনি বলেন, কাকে ভোট দেব? এমন পাল্টা প্রশ্নে আমি কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে যাই।
আসছে বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। তারও আগে আপনাদের লেখা একগুচ্ছ টক-ঝাল-মিষ্টি ভালোবাসার গল্প নিয়ে হাজির হচ্ছে ‘ছুটির দিনে’
ভাষাগত সমস্যার কারণে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও নির কাছে আমার অভিব্যক্তি প্রকাশ করতে পারিনি।
রাতে খাওয়াদাওয়া করে ঘুমানোর চেষ্টা করলাম। আমাদের ট্রেন সকাল ৬টা ৪০ মিনিটে।
ইয়ানা শীতের আয়োজন বেশ পছন্দ করে। ঘরের সামনে ফাঁকা, তাই উঠোনে রোদের মেলা। ও বাড়ি, এ বাড়ি থেকেও লোকে এসে রোদ পোহায়।
আমাকে একটা অদ্ভুত ও কঠিন দায়িত্ব দিলেন স্বামী। বললেন, ‘প্রধান পরীক্ষক মোবাশ্বের আলী স্যারকে খাতাগুলো ফেরত দিয়ে আসো তো।
বাড়ি ভাড়া নামের নীরব যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে এখন প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই পরিকল্পনা। রাজউক ও জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষকে কেবল উচ্চবিত্তের জন্য প্লট বরাদ্দ না দিয়ে সাধারণ মানুষের জন্য সাশ্রয়ী ভাড়ার ফ্ল্যাট প্রকল্প বাড়াতে হবে।
ফোনের ওপাশ থেকে বলল, আমি চিকিৎসক ইমরান বলছি। ইউনাইটেড হাসপাতাল থেকে। ফাহিমের অবস্থা খুবই খারাপ। শিগগির কাউকে পাঠান।