অ্যালবাট্রস জীবনের বেশির ভাগ সময় সমুদ্রে ওড়াউড়ি করে কাটায়।
পাখিবিদ ট্যামি রাসেল বলেন, পাখিটির ‘সহসা দক্ষিণে (গ্যালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জে) ফিরে যাওয়ার কোনো লক্ষণ দেখাচ্ছে না।’ গত অক্টোবরেও পাখিটিকে সম্ভবত উত্তর ক্যালিফোর্নিয়া উপকূলে দেখা গিয়েছিল।
পাখিবিদ ট্যামি রাসেল বলেন, পাখিটির ‘সহসা দক্ষিণে (গ্যালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জে) ফিরে যাওয়ার কোনো লক্ষণ দেখাচ্ছে না।’ গত অক্টোবরেও পাখিটিকে সম্ভবত উত্তর ক্যালিফোর্নিয়া উপকূলে দেখা গিয়েছিল।
বিরল এক পাখির খোঁজে রাজশাহীর পদ্মার চরে যাওয়ার জন্য শহরের চর সাতবাড়িয়ার ডোগার ঘাটে এসেছি।
রাঙাচ্যাগার আচরণ দেখে একেবার মনে হয় খুব লাজুক পাখি।
ভোলার আশপাশের চরাঞ্চলে শীতকালীন পরিযায়ী পাখিশুমারিতে চলতি বছর একটি প্রজাতির পাখি তুলনামূলক বেশি দেখা গেছে। এ ছাড়া এবার পাখির মোট সংখ্যাও ছিল আশানুরূপ।
ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ছে পাতিসরালি। আছে জলময়ূর, বক আর ডাহুকও। দিনমান ওড়াউড়ি শেষে সন্ধ্যায় জড়সড় হয়ে কয়েক শ পাখি ঘন হয়ে বসে প্রায় পরিত্যক্ত জলাশয়ের কচুরিপানায়।
এক মুরগি বিক্রেতা আটটি পাতিসরালি পাখি নিয়ে ঘুরছিলেন শহরে। ইচ্ছা ছিল, উচ্চ মূল্যে বিক্রি করবেন। এর মধ্যে বিষয়টি নজরে পড়ে একজন পাখিপ্রেমীর। তিনি বিক্রেতাকে সামলাতে না পেরে আড়াই হাজার টাকায় পাখিগুলো কিনে প্রকৃতিতে ছেড়ে দেন।
কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় এয়ারগান হাতে নিয়ে সড়কে হেঁটে চলার সময় এক পাখিশিকারির সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা হয়েছে এলাকার এক তরুণের। এয়ারগান হাতে থাকা ব্যক্তির নাম শাহজাহান আলী।
প্যাঁচাটিকে আমাদের সুন্দরবনেও দেখা যায়। জীবনে এতবার সুন্দরবন গিয়েছি অথচ কখনোই তার দেখা পাইনি।
বাংলাদেশে লাল টুপি কাস্তেচরা পাখিটি সহজে দেখা যায় না। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পদ্মায় খলিফার চরে শর্ষে চাষের সময় পাখিটি দেখা যায়।
পাখি দেখা তাঁর শখ! পাখিবিশেষজ্ঞ সালিম আলীর বই পড়েন।
শকুনটিকে উন্নত পরিচর্যার জন্য দিনাজপুরের সিংড়া জাতীয় উদ্যানের ‘শকুন উদ্ধার ও পরিচর্যাকেন্দ্রে’ পাঠানো হবে।