নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রাখল বাংলাদেশ ব্যাংক
বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের সভাপতিত্বে মুদ্রানীতি কমিটির বৈঠকে নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের সভাপতিত্বে মুদ্রানীতি কমিটির বৈঠকে নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের ফেড সুদের হার বাড়ালে ডলারের আকর্ষণ বাড়ে, উন্নয়নশীল দেশ থেকে পুঁজি বের হওয়ার চাপ তৈরি হয়। আমদানি ব্যয় ও মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে।
গত ২৬ জুলাই অনুষ্ঠিত অর্থ মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভায় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান খেলাপি ঋণ নিয়ে এ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। গতকাল কার্যবিবরণী অনুমোদন করা হয়।
উচ্চ মূল্যস্ফীতির মধ্যেই নীতি সুদহার কমানোর পর সম্ভাব্য প্রভাব, মূল্যস্ফীতির চাপের উৎস, ঋণপ্রবাহ ও চাহিদা পরিস্থিতি—এসব বিষয় নিয়ে বিশ্লেষণ তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি বন্যার প্রভাবে জুলাইয়ে খাদ্যপণ্যের উৎপাদন ও সরবরাহে বিঘ্নের আশঙ্কাকেও বিবেচনায় আনা হয়েছে।
বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়াতে নীতি সুদহার ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৯ দশমিক ৫০ শতাংশ নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ ত্বরান্বিত করতে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি ফেরাতে নীতি সুদহার ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৯ দশমিক ৫০ শতাংশ করল বাংলাদেশ ব্যাংক। আগামী ২ আগস্ট থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।
জামায়াতে ইসলামীর প্রস্তাবিত বাজেটে জনপ্রশাসন, ঋণের সুদ পরিশোধ, শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
উচ্চ মূল্যস্ফীতির মধ্যে সুদহার কমানোর উদ্যোগে বিতর্ক তৈরি হওয়া ও সাদিক আহমেদের পদত্যাগের কারণে সভাটি স্থগিতের কারণ হতে পারে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
আজ সোমবার নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ঘোষিত এই মুদ্রানীতির কিছু লক্ষ্য অর্জন কঠিন হবে বলে মনে করছেন ঢাকা চেম্বারের সভাপতি।
ফেডারেল রিজার্ভ জানিয়েছে, নীতি সুদহার হার ৩ দশমিক ৫ থেকে ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশের মধ্যেই রাখা হয়েছে।