চট্টগ্রামের ১৪ আসনে বিএনপির কোন প্রার্থী কত ভোট পেলেন
শুধু চট্টগ্রাম-৮ নয়, চট্টগ্রামের ১৪টি আসনে প্রদত্ত ভোটের প্রায় ৫৫ শতাংশ ভোট পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা পেয়েছেন ৩১ শতাংশ ভোট।
শুধু চট্টগ্রাম-৮ নয়, চট্টগ্রামের ১৪টি আসনে প্রদত্ত ভোটের প্রায় ৫৫ শতাংশ ভোট পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা পেয়েছেন ৩১ শতাংশ ভোট।
চট্টগ্রাম-১৪ আসন (চন্দনাইশ-সাতকানিয়ার একাংশ) দীর্ঘদিন ধরেই কর্নেল (অব.) অলি আহমদের রাজনৈতিক ‘প্রভাবের’ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া এই রাজনীতিবিদের নাম আসনটির সঙ্গে সমার্থক হয়ে উঠেছিল। স্থানীয় ভোটের অঙ্কে তাঁর ব্যক্তিগত ‘প্রভাব’ ছিল নির্ধারক।
নবনির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করলে সেনাবাহিনী ব্যারাকে ফিরে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের পরদিন থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্বাচন–পরবর্তী সংঘাতের খবর প্রকাশিত হয়েছে সংবাদমাধ্যমগুলোতে।
নির্বাচনে ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সংস্কারের প্রতিশ্রুতিতে ভোটাররা বেশি আস্থা রেখেছেন।
নোয়াখালীর হাতিয়ায় এক নারীকে (৩২) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ওই নারীর অভিযোগ, নির্বাচন নিয়ে বিরোধ থেকে তিনি ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। গতকাল শনিবার বিকেলে জেলা সদরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণের পর থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে জামায়াতে ইসলামী এবং তাদের মিত্ররা আক্রান্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ করে আসছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ভোটে জয়ী বিএনপির নেতা–কর্মীরা এই হামলা চালাচ্ছেন বলে দলটির অভিযোগ।
২৮ আসনে জয়-পরাজয়ে প্রভাব বিএনপির বিদ্রোহীদের
পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি আসনে বিএনপির প্রার্থীদের কাছে বড় ব্যবধানে হেরেছেন তিন স্বতন্ত্র প্রার্থী। তাঁদের প্রতি আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলগুলো আলাদা করে সমর্থন দিয়েছিল। তবে ভোটের মাঠে এর প্রভাব পড়েছে কম।
২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ।
চট্টগ্রামে জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংসতায় গত এক দশকে অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। এসব ঘটনার করা হত্যা মামলার একটিরও বিচার এখন পর্যন্ত শেষ করা যায়নি। ফলে হতাশ বিচারপ্রার্থীরা।
শত অনিশ্চয়তা ও প্রতিকূলতা কাটিয়ে বহুল প্রত্যাশিত ঐতিহাসিক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন মোটামুটি শান্তিপূর্ণ হয়েছে।
গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় দলের চেয়ারম্যানের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে ফুল ও মিষ্টি গ্রহণ করেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান।
সারা দেশে নির্বাচন–পরবর্তী সহিংসতা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে নাগরিক কোয়ালিশন।
চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালি) আসন বাংলাদেশের নির্বাচনী রাজনীতিতে বরাবরই একটি কৌতূহলের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই আসনকে অনেকেই রাজনৈতিক ‘ব্যারোমিটার’ বলেন।
শান্তি–শৃঙ্খলার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ তারেক রহমানের
সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিসভার শপথ দ্রুততম সময়ের মধ্যে, ১৬ বা ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে।
চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জামানত হারাচ্ছেন। চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে এই একটিতেই মোট প্রদত্ত ভোটের সাড়ে ১২ শতাংশ পাননি জামায়াতের প্রার্থী। গত বৃহস্পতিবার রাতে এই আসনের সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত ফলাফল থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
নতুন মন্ত্রিসভার শপথ হতে পারে সর্বোচ্চ আগামী তিন থেকে চার দিনের মধ্যে। এ বিষয়ে প্রস্তুতি নিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ।
কংগ্রেসশাসিত ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যের পৌরসভা ও পৌরনিগমের ভোটে বিপুল জয় পেল কংগ্রেস। বিজেপির অবস্থান তৃতীয়।
নির্বাচনে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়ী মাত্র ৭ নারী; মনোনয়ন কম, নারীবিদ্বেষী প্রচারণা ও বৈষম্যের প্রভাবের অভিযোগ প্রার্থীদের।
জোটের ছায়া পেরিয়ে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী। ৬৮ আসনে একক জয়, উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে শক্ত অবস্থান।
মামলা চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এগুলোর ফলাফল প্রকাশ স্থগিত রাখার আইনগত বাধ্যবাধকতা থাকায় কমিশন ফলাফল স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
নির্বাচনে ফল ঘোষণার সময় সুনির্দিষ্ট আসন ‘টার্গেট’ করে ফলাফল পরিবর্তনের অভিযোগ করেছেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।