পৃথিবী থেকে ধীরে ধীরে দূরে সরে যাচ্ছে চাঁদ
প্রতিবছর ৩ দশমিক ৮৩ সেন্টিমিটার করে পৃথিবী থেকে দূরে সরে যাচ্ছে চাঁদ; বিজ্ঞানীদের গবেষণায় উঠে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য।
প্রতিবছর ৩ দশমিক ৮৩ সেন্টিমিটার করে পৃথিবী থেকে দূরে সরে যাচ্ছে চাঁদ; বিজ্ঞানীদের গবেষণায় উঠে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য।
অদ্ভুত ভূতাত্ত্বিক কাঠামোটি দেখতে বিশাল মৌচাকের উপরিভাগের মতো।
পৃথিবী থেকে হাজার হাজার আলোকবর্ষ দূরে থাকা তেমনই এক দানবীয় গ্রহের সন্ধান পেয়েছে নাসার ট্রানজিটিং এক্সোপ্ল্যানেট সার্ভে স্যাটেলাইট।
মঙ্গল গ্রহের কৃত্রিম পরিবেশে এক বছর বসবাস করে দীর্ঘমেয়াদি অভিযানের অভিজ্ঞতা অর্জন এবং সিমুলেটেড সারফেস অপারেশনে অংশ নেওয়ার জন্য স্বেচ্ছাসেবক খুঁজছে নাসা।
মহাকাশ থেকে সংগৃহীত নমুনা সরাসরি পৃথিবীতে না এনে প্রথমে চাঁদে একটি বিশেষ জৈবনিরাপত্তা গবেষণাগারে পরীক্ষার পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকেরা, যাতে পৃথিবীর জীবমণ্ডলের দূষণের ঝুঁকি কমানো যায়।
বিশ্বরাজনীতি এবং বাণিজ্যের পর এবার দুই পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার শ্রেষ্ঠত্ব লড়াইয়ের নতুন রণক্ষেত্র হয়ে উঠেছে মহাকাশ।
ফুটবল মাঠের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের লড়াইয়ে জয়ী হলে পুরস্কার হিসেবে একটি ফুটবল চলে যাবে পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদের বুকে।
জুলাইয়ে বাংলাদেশের আকাশে গ্রহ–নক্ষত্রের এক অপূর্ব রূপের প্রদর্শনী।
চীনকে টেক্কা দিতে নাসার বৃহত্তর কৌশলের অংশ হিসেবে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মহাকাশ গবেষণার ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবময় স্থাপনা আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন তার কার্যকালের প্রায় শেষ প্রান্তে চলে এসেছে।
মহাবিশ্বে হাওয়াই মিঠাইয়ের চেয়ে কম ঘনত্বের দুটি বিশাল আকৃতির গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
মঙ্গল গ্রহের জেজেরো ক্রেটারের পাথরের গায়ে অত্যন্ত জটিল কার্বন যৌগের সন্ধান পেয়েছে নাসার সবচেয়ে আধুনিক রোভার পারসিভিয়ারেন্স।
ফুটবল বিশ্বকাপের অফিশিয়াল বল ‘ট্রাইওন্ডা’ পৌঁছে গেছে পৃথিবীর সীমানা ছাড়িয়ে মহাকাশে।
নাসার পরবর্তী মঙ্গল গ্রহ অভিযানের জন্য মহাকাশযান তৈরির দৌড়ে ইলন মাস্কের মালিকানাধীন স্পেসএক্সকে টেক্কা দিয়ে নাসার সঙ্গে চুক্তি করেছে এরিক শ্মিটের প্রতিষ্ঠান রিলেটিভিটি স্পেস।
মঙ্গল গ্রহ থেকে আসা উল্কাপিণ্ডটি ভেঙে অপ্রত্যাশিতভাবে মূল্যবান খনিজ গার্নেটের কণা পাওয়া গেছে। মঙ্গল গ্রহের কোনো নমুনায় এবারই প্রথম এই খনিজের সন্ধান মিলল।
যদি প্রশ্ন করা হয় মহাকাশের গন্ধ কেমন?
৩০ জুন পর্যন্ত রাতের আকাশ বেশ কিছু দুর্দান্ত মহাজাগতিক ঘটনা উপহার দেবে।
হলিউডের সিনেমা ও কল্পবিজ্ঞানের গল্পগুলো আমাদের মনে মহাকাশ সম্পর্কে এমন কিছু অদ্ভুত ধারণার জন্ম দিয়েছে, যা সম্পূর্ণ কাল্পনিক।
নাসা এমন এক প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে, যেটি মহাকাশে থাকা একটি মাত্র টার্মিনাল বা যন্ত্র ব্যবহার করেই একাধিক স্যাটেলাইট নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পৃথিবীতে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।
হাবল টেলিস্কোপে ধরা পড়ল বিরল মহাজাগতিক দৃশ্য..
পৃথিবী কীভাবে প্রাণ ধারণের উপযোগী হয়ে উঠেছে এবং কীভাবে এখানে প্রাণ ধারণের প্রয়োজনীয় উপাদানগুলো এসেছে, তা বিজ্ঞান–দুনিয়ায় এখনো এক অমীমাংসিত রহস্য।
মহাবিশ্বের অন্যতম বড় এবং শত বছরের পুরোনো এক রহস্য হলো কসমিক রে বা মহাজাগতিক রশ্মি।
আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের ফাটল দিয়ে ভেতরে থাকা বাতাস আশঙ্কাজনকভাবে বেরিয়ে যাচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইংল্যান্ডের আকাশে এক রহস্যময় উল্কাপিণ্ডের শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটেছে, যার বিকট শব্দে বিস্তীর্ণ এলাকা কেঁপে ওঠে।