মৃত্যুর দুদিন আগে ছবি পাঠিয়ে মাইদা বলেছিলেন, ‘আপা
স্বামীর হাতে নির্যাতনের অভিযোগে অল্প সময়ের ব্যবধানে দুই নারীর মৃত্যু। ৯৯৯-এর হিসাবে, জানুয়ারি–আগস্টে নারী নির্যাতনের ৬২ শতাংশ কল ছিল স্বামীর বিরুদ্ধে।
স্বামীর হাতে নির্যাতনের অভিযোগে অল্প সময়ের ব্যবধানে দুই নারীর মৃত্যু। ৯৯৯-এর হিসাবে, জানুয়ারি–আগস্টে নারী নির্যাতনের ৬২ শতাংশ কল ছিল স্বামীর বিরুদ্ধে।
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের মানববন্ধনে নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা এবং আইনের সঠিক প্রয়োগের আহ্বান জানান বক্তারা।
যখন কোনো নারী রাজনীতিবিদ দৃঢ় অবস্থান নেন, তখন তাঁর রাজনীতির আগে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন আলোচনায় আসে। একজন নারী বিশ্ববিদ্যালয়শিক্ষক গবেষণাপত্র প্রকাশ করলে তাঁর গবেষণার আগে তাঁর ছবি নিয়ে মন্তব্য হয়। একজন নারী সাংবাদিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করলে প্রতিবেদনের বদলে তাঁর চরিত্র নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এ প্রবণতাকে আরও তীব্র করেছে।
আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সাইবার নিরাপত্তা আইনের বিভিন্ন বিতর্কিত ধারা এবং তার অপব্যবহারের কারণে আইনটি বাতিলের দাবি ছিল।
ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নারীবিদ্বেষী প্রচারণা রোধে সচেতনতা, ইতিবাচক কনটেন্ট তৈরি, নারীর সংগ্রাম ও সাফল্যের গল্প তুলে ধরার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
দেশে ৫৯ মেয়েশিশুসহ ৭২ জন নারী ও মেয়েশিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমে খবর।
অধিকার কমিটির সভায় এসব কথা বলা হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর পরীবাগে সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্রে এই সভা হয়।
নারীর অধিকার ও দৃশ্যমানতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে একটি শক্তিশালী সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে, যা ধীরে ধীরে একটি কাঠামোগত প্রতি–আঘাতে (ব্যাকল্যাশ) রূপ নিয়েছে।
জনপরিসরে বাড়ছে নারী হেনস্তা, প্রতিবাদেই ভুক্তভোগী পড়ছেন আরও চাপে।
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিতের আহ্বান জানান বক্তারা।
নেত্রকোনার মদন উপজেলায় মারুফা আক্তার (২৭) নামের এক নার্সের হাত–পায়ের রগ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে।
প্রতিবছর নারী দিবসে আমরা নারীর শক্তি, স্থিতিস্থাপকতা ও কৃতিত্ব উদ্যাপন করি। তবু বক্তৃতা ও স্লোগানের আড়ালে একটি নীরব, অস্বস্তিকর সত্য লুকিয়ে আছে: নারীদের এখনো নিজেদের এমনভাবে প্রমাণ করার আশা করা হয়, যেভাবে পুরুষেরা তা করে না।
নারীর ন্যায়বিচারে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা ও কাঠামোগত বাধা দূর করার আহ্বান।
রাষ্ট্র ও সমাজের সমস্যা হিসেবে ধর্ষণকে চিহ্নিত করার দাবি জানিয়েছে ধর্ষণ আইন সংস্কার জোট।
সমাবেশ থেকে ধর্ষণ রোধে সরকারকে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কার্যকর, জাতীয় কমিশন গঠন, দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করার দাবি জানানো হয়।
নারীর বিরুদ্ধে দেশে সহিংসতা, বিদ্বেষমূলক মন্তব্য, অনলাইনে হয়রানি ও নিরাপত্তাহীনতা গত বছর উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে গেছে।