আল্লাহকে নবী সোলাইমান যেভাবে ভালোবাসতেন
মানুষ ও জিন তো বটেই, অন্যান্য প্রাণীও ছিল যার অধীনস্থ। এই বিশাল সাম্রাজ্যের মাঝে ডুবে থেকেও তিনি আল্লাহকে ভুলে যাননি।
মানুষ ও জিন তো বটেই, অন্যান্য প্রাণীও ছিল যার অধীনস্থ। এই বিশাল সাম্রাজ্যের মাঝে ডুবে থেকেও তিনি আল্লাহকে ভুলে যাননি।
নবীদের দোয়াগুলো পাশাপাশি রাখলে একটা মিল চোখে পড়ে। তাঁরা কেউ দীর্ঘ আরজি করেননি। শুধু নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করে অপেক্ষা করেছেন আল্লাহর সাহায্যের।
কোরআনে এই পাখির নাম ও ভূমিকা নিয়ে ঐতিহাসিক ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। নবী সোলাইমানের রাজত্ব এবং সাবা রাজ্যের রূপান্তরের পেছনে এই ছোট্ট পাখির ভূমিকা আশ্চর্যজনক।
আল্লাহ নুহ (আ.)-কে প্রেরণ করে এক আল্লাহর ইবাদতের দাওয়াত দেন; কিন্তু সম্প্রদায় তা প্রত্যাখ্যান করে মূর্তিপূজা ও কুসংস্কারে আঁকড়ে থাকায় অবশেষে মহাপ্লাবনের মাধ্যমে তাদের পরিণতি ঘটে।
মানবিক প্রবণতা হলো, অন্যের জীবনে কোনো বিশেষ নেয়ামত বা সাফল্য দেখলে মানুষের মনে দুটি প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়—পরশ্রীকাতরতা, অথবা আক্ষেপ ও হতাশা।
নবী ইউনুসের কথা ভাবুন। গভীর সমুদ্রের অন্ধকার, রাতের অন্ধকার, মাছের পেটে দমবন্ধ অবস্থা, তিন স্তরের ঘুটঘুটে অন্ধকার। এখান থেকে বের হওয়া মানবীয় দৃষ্টিতে অসম্ভব।
পবিত্র কোরআনে বহু জাতির উত্থান-পতনের ইতিহাস বর্ণিত হয়েছে। তবে এসব ঘটনার মধ্যে একটি ব্যতিক্রমী ইতিহাসও রয়েছে, সেটি হলো ইউনুস (আ.)-এর সম্প্রদায়ের ঘটনা।
মানুষ যখনই আল্লাহর একত্ববাদ ও মৌলিক বিশ্বাস থেকে দূরে সরে গেছে, তখনই কোনো নবী এসে আবার সেই আদি ও অকৃত্রিম ইসলামের দিকে আহ্বান করেছেন।
প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে, এখানকার বিশাল পাহাড় কেটে তৈরি করা চোখধাঁধানো কারুকার্য ও স্থাপত্যশৈলী আধুনিক যুগের মানুষকেও রীতিমতো অবাক করে দেয়।
এই সংবাদে ওমরের মন ভরে গেল আনন্দে। তাঁর মেয়ে শুধু পুনর্বিবাহের সুযোগই পেলেন না, বরং তিনি হয়ে গেলেন মুমিনদের জননী, ইসলামের যাকে বলে উম্মুল মুমিনিন।
জনশ্রুতি আছে, নবী আইয়ুব (আ.) দীর্ঘদিন কঠিন রোগে আক্রান্ত ছিলেন। একপর্যায়ে তাঁর শরীরের গোশত ক্ষয়ে যায়, শরীরে পোকা জন্ম নেয় এবং দুর্গন্ধে মানুষ দূরে সরে যায়।
সত্য সবসময়ই যৌক্তিক এবং অসত্য সবসময়ই স্ববিরোধী। তিনি চাইছিলেন তাঁর পিতা যেন অন্ধ অনুকরণ ত্যাগ করে স্বাধীনভাবে নিজের বিবেককে ব্যবহার করেন।
অসুস্থতার কারণে আত্মীয়-স্বজন ও পাড়া-প্রতিবেশী সবাই তাঁকে ত্যাগ করে চলে যায়। এমনকি তাঁকে জনবসতি থেকে দূরে এক নির্জন স্থানে ফেলে আসা হয়।
একজন ধর্ম প্রচারকের দাওয়াতের ভাষা কেমন হওয়া উচিত এবং মানুষের প্রতি তাঁর মমত্ববোধের গভীরতা কতটুকু হওয়া প্রয়োজন, এই বাক্যটি তার এক অনন্য মাইলফলক।
নবী মুসা কিন্তু তাঁর ভাই হারুনকে তুচ্ছ মনে করেননি; বরং তাঁকে নিজের শক্তির উৎস হিসেবে দেখেছেন। একটি শক্তিশালী টিমে সবাই সব বিষয়ে দক্ষ হয় না।
কোরআনের তাফসিরের ক্ষেত্রে ভিত্তিহীন বর্ণনার ব্যাপারে আমাদের সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। যে বর্ণনা একজন নবীর চারিত্রিক পবিত্রতাকে ক্ষুণ্ণ করে, তা কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।