নবীজির সুন্নত অনুসরণে ৭ পুরস্কার
সুন্নতের সৌন্দর্য এখানেই যে এর অনুসরণে জীবনের সাধারণ কাজও সওয়াবের উপলক্ষ হয়ে উঠতে পারে। খাওয়া, ঘুম, পোশাক পরা কিংবা পরিবারের সঙ্গে সময় কাটালেও তা ইবাদত হয়।
সুন্নতের সৌন্দর্য এখানেই যে এর অনুসরণে জীবনের সাধারণ কাজও সওয়াবের উপলক্ষ হয়ে উঠতে পারে। খাওয়া, ঘুম, পোশাক পরা কিংবা পরিবারের সঙ্গে সময় কাটালেও তা ইবাদত হয়।
হাদিস ও শামায়েল শাস্ত্রের গ্রন্থগুলোতে তাঁর জুতার উপাদান, চামড়ার বৈশিষ্ট্য, আকৃতি, ফিতা বাঁধার ধরন এবং সাহাবিদের তা সংরক্ষণের হৃদয়স্পর্শী বিবরণ সংরক্ষিত রয়েছে।
বণিকের আবেদন কাবা প্রাঙ্গণের নেতাদের গভীরভাবে নাড়া দেয়। সবার আগে সাড়া দেন নবীজির চাচা জোবাইর। তিনি ঘোষণা দেন, এই অবিচার অমীমাংসিত রাখা চলবে না।
সরল পথ কোনটি—আল্লাহ তা সুরা আনআমের ৩ আয়াতে বিশদ বলেছেন এবং শেষ অংশে নবীজিকে আল্লাহ জানাতে বলেছেন যে ‘এটাই আমার সরল পথ’।
তিনি ছিলেন শিশুদের প্রতি অতুলনীয় স্নেহশীল ও মমতাময়। তিনি কেবল শিশুদের নসিহত করতেন না; বরং তাদের কোলে তুলে নিতেন, কাঁধে চড়াতেন।
ইসলাম মানবচরিত্রের এ স্বাভাবিক প্রবণতাকে উপেক্ষা করেনি; বরং বৈধতার সীমার মধ্যে থেকে তুলনামূলক সহজ ও স্বস্তিদায়ক বিকল্প গ্রহণ করার এক অনন্য জীবনাদর্শ রেখে গেছেন মুহাম্মদ (সা.)।
সিরাতের বিভিন্ন বর্ণনায় ছড়িয়ে থাকা বয়সের এই আপাত-বিরোধ তাই কোনো অসংগতি নয়; বরং এটি একটানা চার-পাঁচ বছর ধরে চলা এক দীর্ঘ সংঘাতের বিভিন্ন পর্বের স্বাভাবিক প্রতিফলন।
অসুস্থ বালকটি ভিন্ন ধর্মীয় পরিচয়ের হওয়া সত্ত্বেও নবীজি (সা.) তার অসুস্থতার খবর পেয়ে শুশ্রূষায় উপস্থিত হয়েছিলেন। প্রমাণিত হয় জাতি-ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে মানুষের পাশে দাঁড়ানো সামাজিক দায়িত্ব।
রাতে দ্রুত বিছানায় যাওয়া এবং ভোরে ঘুম থেকে ওঠা। অপ্রয়োজনে গভীর রাত পর্যন্ত জেগে থাকার অভ্যাস শারীরিক ও মানসিক উভয় স্বাস্থ্যের জন্যই মারাত্মক ক্ষতিকর।
নবীজির দাওয়াতের পদ্ধতিতে মানুষের মনস্তত্ত্বের অসাধারণ প্রয়োগ দেখা যায়। তিনি মানুষের স্বভাব বুঝতেন। তার অবস্থান বুঝতেন। তার সামর্থ্য বুঝতেন। তারপর সেই অনুযায়ী কথা বলতেন।
কৈশোরের শুরুতে চাচা আবু তালিবের সঙ্গী হয়ে নবীজীবনের প্রথম আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ঘটে এমনই এক শাম সফরে। এখানেই ঘটে সিরাতের অন্যতম আলোচিত ঘটনা।
রাসুলের প্রতি ভালোবাসা নিছক ভাবাবেগের বিষয় নয়; বরং তাঁর সুন্নতের পরিপূর্ণ অনুবর্তন, জীবনাচরণের প্রতিফলন এবং তাঁর নির্দেশিত পথে নিজেকে সঁপে দেওয়াই হলো প্রকৃত ভালোবাসার প্রমাণ।
উম্মতের জন্য তাঁর হৃদয়ে মমতা, ব্যাকুলতা ও গভীর দরদ ছিল। সামান্য কষ্টে তিনি ব্যথিত হতেন, উম্মত যাতে দোজখের আগুন থেকে রক্ষা পায়, সে জন্য তিনি ব্যাকুল থাকতেন।
আবওয়ায় পৌঁছানোর পরপরই মা আমেনা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। নির্জন উপত্যকায় তাঁর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে এবং সেখানেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
যে সময় তিনি পৃথিবীতে প্রথম কদমটি রেখেছিলেন, সেটি ছিল রবিউল আউয়াল মাস এবং চল্লিশ বছর বয়সে এই মাসেই তাঁকে সোপর্দ করা হয়েছিল জগৎশুদ্ধির কাজ।
মুহাম্মদ (সা.) ও আহমদসহ নবীজির নাম ও গুণবাচক উপাধির কোরআন-হাদিসে উল্লেখ এবং ভাষাতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা তুলে ধরা হয়েছে।
শত ব্যস্ততার মাঝেও নবীজি স্ত্রীদের সঙ্গে আন্তরিক, প্রেমময় ও হাসিখুশি সময় কাটাতেন। তাঁর দাম্পত্য জীবন ছিল পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার অনন্য উপমা।
এই মাসকে কীভাবে ইবাদত, জিকির ও মানবকল্যাণমূলক আমলের মাধ্যমে বরকতময় ও সার্থক করে তোলা যায়, তারই ৫টি সহজ দিকনির্দেশনা দেওয়া হলো।
ইসলাম সকালবেলার জন্য এমন কিছু আমল শিক্ষা দিয়েছে, যেগুলো মানুষকে আল্লাহমুখী করে এবং সারা দিনের জন্য প্রশান্তি ও বরকতের পরিবেশ তৈরি করে।
রবিউল আউয়ালের সঠিক জন্মতারিখ নিয়ে বিতর্ক থাকলেও, গবেষকরা সোমবারে জন্মের বিষয়ে একমত।
অলসতার শৃঙ্খল ভেঙে একটি আনন্দময়, সতেজ ও কর্মচঞ্চল জীবন গড়ে তোলা কোনো কঠিন বিষয় নয়; এটি মূলত প্রতিদিনের সহজ কিছু অভ্যাসের সমন্বয়।
নতুন বৃষ্টির পানি স্পর্শ করা সুন্নত। একবার বৃষ্টি শুরু হলে নবীজি তাঁর গায়ের চাদর সরিয়ে শরীর খানিকটা উন্মুক্ত করে বৃষ্টিতে ভেজান এবং দোয়া পাঠ করেন।
মুমিনের জীবনের অন্যতম প্রধান সাধনা হওয়া উচিত আল্লাহকে সন্তুষ্ট করা এবং তাঁর অসন্তুষ্টি থেকে নিজেকে রক্ষা করা। হাদিসে এমন কিছু আমলের কথা এসেছে।
প্রতিদিন দীর্ঘসময় ভিন্ন মানসিকতা, ভিন্ন মেজাজ ও বিচিত্র সংস্কৃতির মানুষের সঙ্গে কাজ করতে হয়। কারো সঙ্গে মতের অমিল হলে মনের ভেতর ক্ষোভ তৈরি হয়।