প্রকৃতি রক্ষার বার্তা নিয়ে নদী ও পাখির আলোকচিত্র প্রদর্শনী
নদী ও পাখি বাঁচাতে রাজধানীতে শুরু হলো বিশেষ আলোকচিত্র প্রদর্শনী।
নদী ও পাখি বাঁচাতে রাজধানীতে শুরু হলো বিশেষ আলোকচিত্র প্রদর্শনী।
পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী জানিয়েছেন, তিস্তার সঙ্গে উত্তরাঞ্চলের মানুষের ভাগ্য জড়িত এবং জনগণ যাতে সর্বোচ্চ সুবিধা পায় সেজন্য দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে।
জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন আইন ২০১৩–এর সীমাবদ্ধতা থাকার কারণে এই কমিশন নদী সুরক্ষায় কোনো কাজই করতে পারছে না।
চাঁদপুরের তিন নদীর মোহনায় মেঘনার ঘূর্ণিস্রোতে পড়ে ধান ও চালবোঝাই একটি কার্গো জাহাজ উল্টে গেছে। আজ বুধবার সকালে পুরান বাজার ঘাটসংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট আলোইস জভিংগির সাক্ষাতে জলবায়ু পরিবর্তন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিবিষয়ক উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
খুলনার ডুমুরিয়ায় আপার ভদ্রা নদী পুনঃখননের মাটি ফেলায় চুকনগর, কাঁঠালতলা ও বরাতিয়া আশ্রয়ণ প্রকল্পের বহু ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পুনর্বাসন ছাড়াই ঘর হারিয়ে দেড় শতাধিক মানুষ মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন।
পদযাত্রায় বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষ অংশ নেন। আন্দোলনকারীরা নদীর তীর দখল করে গড়ে ওঠা বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবি জানান।
বাংলাদেশকে আমরা নদীমাতৃক দেশ বলি। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এই নদীমাতৃক দেশের নদী ও খালের নেটওয়ার্কই আজ সবচেয়ে বেশি সংকুচিত।
খাল খনন নয়, মৃত নদী পুনঃখননই বাংলাদেশের প্রকৃতি রক্ষায় দরকার। ১৯৭০-৮০ দশকে জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে চলা সেই মহাকর্মসূচির অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন নদী গবেষক মাহবুব সিদ্দিকী। নদীকে খাল বলে চিহ্নিত করা অন্যায় ও অযৌক্তিক।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) প্রকল্পগুলো বাংলাদেশের নদী রক্ষায় সহায়ক নাকি প্রধান প্রতিবন্ধক? বড়াল নদীর অবমুক্তকরণ নিয়ে স্লুইসগেট অপসারণের দাবি, কমিটির সুপারিশ এবং পাউবোর অবস্থান বিশ্লেষণ করেছেন নজরুল ইসলাম এই দ্বিতীয় ও শেষ পর্বে। বেড়িবাঁধের ক্ষতিকর প্রভাব এবং সমাধানের পথ তুলে ধরেছেন লেখক।
১৯৫৯ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ড’ (পাউবো) প্রতিষ্ঠিত হয়। তখন এর নাম ছিল ‘পূর্ব পাকিস্তান পানি ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। ইংরেজিতে ‘ইপিওয়াপদা’।
বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক দেশ। একসময় দেশের গ্রামাঞ্চলে কৃষি, মৎস্য এবং গ্রামীণ অর্থনীতির প্রধান প্রাণশক্তি ছিল অসংখ্য খাল। এই খালগুলো সেচের পানি সরবরাহ করত, মাছ উৎপাদনের সুযোগ সৃষ্টি করত এবং গ্রামীণ অর্থনীতির সঙ্গে জলপথ যোগাযোগও বজায় রাখত।
আজ সোমবার দুপুরে নোয়াখালীর সদর উপজেলার পেটকাটা খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়–সংলগ্ন নোয়া টেকনোলজি হাউজিং মাঠে আয়োজিত হয় এ অনুষ্ঠান।
পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখনন করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বর্তমান সরকার।
খাল খননের বিষয়ে বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দেখিয়ে যাওয়া পথ বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও অনুসরণ করছেন বলে উল্লেখ করেন তথ্যমন্ত্রী।