খাওয়ার আগে ও পরে মুমিনের প্রার্থনা
রাসুলের শেখানো আদব ও দোয়া মেনে আহার গ্রহণ করলে তা শরীর ও আত্মার শক্তি জোগানোর পাশাপাশি অশেষ সওয়াবের মাধ্যমে পরিণত হয়।
রাসুলের শেখানো আদব ও দোয়া মেনে আহার গ্রহণ করলে তা শরীর ও আত্মার শক্তি জোগানোর পাশাপাশি অশেষ সওয়াবের মাধ্যমে পরিণত হয়।
বিপদের অন্ধকার রাতে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে এবং আল্লাহর প্রত্যক্ষ সাহায্য লাভে মহানবী (সা.) উম্মতকে যে শক্তিশালী দোয়া শিখিয়ে গেছেন, তা মানবজীবনের এক অমূল্য পাথেয়।
নবীজি (সা.) একজনের হাঁচির জবাবে ‘ইয়ারহামুকাল্লাহ’ বললেন, কিন্তু অপরজনের কোনো জবাব দিলেন না। বাদ পড়া ব্যক্তি জানতে চাইলেন, কেন তার হাঁচির জবাব দিলেন না।
নামাজ বা প্রার্থনায় নিমগ্ন থাকাকালে মানব মস্তিষ্ক কীভাবে স্রষ্টার সঙ্গে এক জীবন্ত সংলাপে যুক্ত হয়, তা আধুনিক গবেষণায় বিশদভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
দুঃখ-কষ্টই মানুষকে অহমিকা ভেঙে আল্লাহর সামনে সমর্পিত হওয়ার সুযোগ করে দেয়। যখন সব অবলম্বন ব্যর্থ প্রমাণিত হয়, তখন সে সেজদায় অশ্রুসিক্ত চোখে প্রার্থনা করে।
মহানবীর শেখানো তিনটি কালজয়ী জিকির ও দোয়া নিয়ে আলোচনা করা হলো, যা আমাদের মনকে এক অদ্ভুত মানসিক প্রশান্তি ও প্রশান্তিময় সুখে ভরিয়ে দেবে।
মহানবী (সা.) আমাদের এমন এক চমৎকার ও প্রজ্ঞাপূর্ণ দোয়া শিক্ষা দিয়েছেন, যা আন্তরিক বিশ্বাসের সঙ্গে উচ্চারণ করলে জান্নাত পাওয়ার পথ সুগম হবে।
বিনয় মানুষকে ছোট করে না; বরং আল্লাহর কাছে মর্যাদাবান ও মানুষের কাছেও প্রিয় করে তোলে। বিনয়ী চরিত্র গঠন করতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন।
আধুনিক যুগে অভ্যাসে পরিণত হওয়া অনিয়মিত রাত জাগার প্রবণতা মানুষের ভোরের ইবাদত বিনষ্ট করে এবং শারীরিক ভারসাম্য নষ্ট করে, যা নবীজির শিক্ষার পরিপন্থী।
নবীদের দোয়াগুলো পাশাপাশি রাখলে একটা মিল চোখে পড়ে। তাঁরা কেউ দীর্ঘ আরজি করেননি। শুধু নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করে অপেক্ষা করেছেন আল্লাহর সাহায্যের।
ইসলামে এমন কিছু বিশেষ ও বরকতময় মুহূর্তের কথা বলা হয়েছে, যখন বান্দার ডাক সরাসরি আল্লাহর দরবারে পৌঁছে যায় এবং দোয়া কবুল হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে।
সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদের দ্রুত সুস্থতা কামনায় আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরীসহ বিভিন্ন মাদ্রাসার আলেমদের দোয়া মাহফিলের আয়োজন।
এক জুমার দিন নবীজি (সা.) মদিনায় খুতবা দিচ্ছিলেন। এক ব্যক্তি এসে বলল, ‘হে আল্লাহর রাসুল, বৃষ্টি না হওয়ায় দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে, আপনি আমাদের জন্য বৃষ্টির দোয়া করুন।’
অনেকেই প্রতিদিন নামাজে বা অন্য প্রয়োজনে মসজিদে যাতায়াত করি, কিন্তু এর আদব ও সুন্নাহ পালনে যথেষ্ট সচেতন নই। এই ছোট ছোট সুন্নাহ মসজিদে প্রবেশকে করে তোলে বরকতময়।
সলামে নতুন চাঁদ দেখা আল্লাহর কাছে কল্যাণ প্রার্থনার বিশেষ সুযোগ। মহানবী (সা.) আকাশে নতুন চাঁদ দেখলে উম্মতকে সঙ্গে নিয়ে একটি বিশেষ দোয়া পাঠ করতেন।
ফাতিমার আবদারের উত্তরে রাসুল (সা.) বলেছিলেন, ‘আমি কি তোমাদের এমন একটি বিষয় বলব না, যা তোমাদের জন্য একজন খাদেম বা সাহায্যকারীর চেয়েও অনেক উত্তম?’
জীবনের প্রতিটি কঠিন ও ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ মুহূর্তে আল্লাহর নবীজির শেখানো দোয়াটিই ছিল তাঁর মনের স্থিরতা ও সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার মূল চাবিকাঠি।
জীবনের নিশ্চয়তা না থাকলেও একটি বিষয়ের নিশ্চয়তা আছে—দয়াময় আল্লাহ আমাদের জন্য তওবার দরজা খোলা রেখেছেন, যা প্রাণ কণ্ঠে পৌঁছে যাওয়ার আগপর্যন্ত বন্ধ হয় না।
বৃষ্টি নামলেই অনেক মানুষ বিরক্ত হয়। কেউ যানজটের কথা ভাবে, কেউ কাদা-পানির ঝামেলায় অসন্তুষ্ট হয়। অথচ একজন সচেতন মুমিনের দৃষ্টিভঙ্গি হওয়া উচিত ভিন্ন।
সৌদি আরবের স্থানীয় সময় আজ ৯ জিলহজ মঙ্গলবার। পবিত্র হজের মূলস্তম্ভ, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন। ফজরের নামাজের পর থেকেই লাখো হাজি মিনার সাদা তাঁবু ছেড়ে রওনা হয়েছেন আরাফাতের ময়দানে গেছেন।
মিনা থেকে হজযাত্রীদের স্রোত মিশেছে ঐতিহাসিক আরাফাতের ময়দানে।
হজের সফরের প্রতিটি মোড়ে, ইহরাম থেকে শুরু করে আরাফাতের ময়দান পর্যন্ত, রাসুল (সা.) আমাদের নির্দিষ্ট কিছু দোয়া ও জিকির শিখিয়েছেন। হাদিসসমর্থিত দোয়াগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম।
আমাদের উচিত, প্রতি ওয়াক্তের নামাজে মৃত আত্মীয়-স্বজনের জন্য দোয়া করা। তাতে আল্লাহর করুণায় তাদের কবরকে জান্নাতের বাগানে পরিণত করতে পারে।
কোরআন ও হাদিস থেকে মক্কা ও মদিনার এমন কিছু নির্দিষ্ট স্থান ও মুহূর্তের কথা জানা যায়, যেখানে দোয়া কবুল হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকে।