বজ্রপাতে মৃত্যু: কেন থামছে না প্রাণহানি?
বজ্রপাতে মৃত্যু: কেন থামছে না প্রাণহানি?
বজ্রপাতে মৃত্যু: কেন থামছে না প্রাণহানি?
জাপানের উত্তরাঞ্চলে আজ সোমবার ৭ দশমিক ৪ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। এর প্রভাবে শত শত কিলোমিটার দূরে অবস্থিত টোকিও শহরের বড় বড় ভবনও কেঁপে ওঠে।
বাংলাদেশে বজ্রপাতে প্রতি বছর ৩০০-৪০০ মানুষ প্রাণ হারান। বজ্রঝড়ের কারণ, ঝুঁকি এবং প্রতিরোধের সহজ উপায়গুলো জানুন। সঠিক সচেতনতা ও সতর্কতা জীবন বাঁচাতে পারে।
ইন্দোনেশিয়ার নর্দান মলুকা সাগরে ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে এক নারী নিহত হয়েছেন, দুটি পরাঘাতও ঘটেছে। সুনামি সতর্কতা পরে তুলে নেওয়া হয়। টারনাটে শহরের কাছে কেন্দ্রস্থল ছিল এই ভূমিকম্পের।
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়নের ৩০টি গ্রামে শনিবার ভোর থেকে ঝড়বৃষ্টিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ। বিদ্যুতের খুঁটি হেলে পড়া ও ট্রান্সফরমার নষ্ট হওয়ায় গ্রামবাসীরা পানি, ফোন চার্জ ও খাদ্য সংরক্ষণে কষ্ট পাচ্ছেন। পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ সোমবার সন্ধ্যায় সমাধানের আশা দিয়েছেন।
কর্তৃপক্ষ নিচু এলাকায় বসবাসকারী মানুষদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। ইতিমধ্যে ২ হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয়ের খোঁজে নিজেদের বাড়িঘর ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।
হঠাৎ ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে সাতক্ষীরা। আতঙ্কে ঘরবাড়ি ও দোকানপাট ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন মানুষজন। তাঁদের অনেকেই জানান, বেশ শক্ত ঝাঁকুনি অনুভব করেছেন।
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আজ বুধবার রাতে ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলের এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ১।
রোববার স্থানীয় সময় রাত ১২টা ৫৭ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।
সিলেটে আবার ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ৪৬ মিনিটে জেলার বিভিন্ন স্থানে কম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ১।
এই ভূমিকম্পটিকে ‘স্বল্পমাত্রার’ বলে উল্লেখ করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় মৃদু ভূমিকম্প হয়েছে। আজ রোববার ভোররাতে এই ভূমিকম্প হয় বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে।
আফগানিস্তানে তুষারপাত ও ভারী বৃষ্টিতে অন্তত ৬১ জন নিহত হয়েছেন।
পাকিস্তান ও ভারতের মতো করে আফগানিস্তানও চরম আবহাওয়াজনিত ঝুঁকির মধ্যে থাকে।