ওয়াক্সিংয়ের পর কি ত্বকের লোম আরও বেড়ে যায়?
সহজে অবাঞ্ছিত লোম অপসারণের জনপ্রিয় প্রক্রিয়া ওয়াক্সিং। অনেকেরই ধারণা, ওয়াক্সিংয়ের পর ত্বকের লোম বেড়ে যায়। আসলে কি তা–ই?
সহজে অবাঞ্ছিত লোম অপসারণের জনপ্রিয় প্রক্রিয়া ওয়াক্সিং। অনেকেরই ধারণা, ওয়াক্সিংয়ের পর ত্বকের লোম বেড়ে যায়। আসলে কি তা–ই?
সাজগোজের জন্য টুকটাক মেকআপ করা হয় বটে, কিন্তু শীতে বেশ কিছু কারণে ত্বক হয়ে ওঠে রুক্ষ, শুষ্ক আর নিষ্প্রাণ।
শীতকালে মুখের ত্বকের তুলনায় আমাদের হাত-পা আরও বেশি রুক্ষ হয়ে ওঠে। তাই অনেক সময় দেহের এসব অংশে খসখসে ভাব, চুলকানি, এমনকি ফাটা ভাব আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
সাংহাইভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ড্রয়েডআপ এমন একটি রোবট তৈরি করেছে, যেটির শরীরের ত্বকের তাপমাত্রা ৯০ থেকে ৯৭ ফারেনহাইট।
এই সময়ে শুধু মেকআপ বা সাময়িক সমাধানে ভরসা রাখলে সমস্যার সঠিক সমাধান মিলবে না। এতে ত্বকের ওপর দীর্ঘ মেয়াদে একটি বিরূপ প্রভাব দেখা দিতে পারে।
‘গ্লো টি’ দেখতে সুন্দর, খেতেও আরামদায়ক আর ভেতর থেকে ত্বকের যত্ন নেওয়ার কাজটিও করে ভালোভাবে। ত্বকের যত্নে চায়ের চুমুকেই শুরু হতে পারে সুস্থ ত্বকের রুটিন।
অনেকের ক্ষেত্রেই এ সময় দাগ–ছোপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে, স্কিন টোন অসম দেখায় এবং ত্বক হয়ে পড়ে রুক্ষ ও নিষ্প্রাণ। তাই এ সময়ে ত্বকের জন্য বাড়তি যত্ন নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
ঠান্ডা বাতাস, গরম পানিতে গোসল, পর্যাপ্ত পানি না খাওয়া এবং অনিয়মিত স্কিনকেয়ার রুটিন—সব মিলিয়ে এই সময়ে ত্বকের পানিশূন্যতা আরও বেড়ে যায়।
শীতে অল্প সময়েই ত্বক হয়ে ওঠে রুক্ষ, খসখসে ও নিষ্প্রাণ। অনেকের ক্ষেত্রে ঠোঁট ফেটে যাওয়া, চামড়া উঠে যাওয়া কিংবা মুখে টান টান ভাব তৈরি হওয়া যেন শীতের অবধারিত সঙ্গী।
তেলে জলীয় অংশ নেই বললেই চলে। ক্রিমে জলীয় অংশের পরিমাণ সামান্য। লোশনে বেশির ভাগটাই জলীয় অংশ।
সঠিক যত্ন নিলে ভালো মানের মেকআপ ব্রাশ দুই বছর পর্যন্ত ব্যবহার করা যায়। আর সাধারণ মানের ব্রাশ ছয় মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত ব্যবহার করাই ভালো।
মুখের মসৃণ, কোমল ত্বকের জন্য সৌন্দর্যচর্চায় ব্যবহৃত অনেক উপকরণই কাজে আসে। তবে মুখের ত্বকে ভুল জিনিস প্রয়োগ করাটা বিপদের কারণ হয়ে উঠতে পারে।