আন্দোলন তিস্তায়, প্রকল্প পদ্মায়!
তিস্তা ব্যারাজের টাকা খুঁজতে যেখানে এক দশক চলে গেল, সেখানে সরকার তিন মাসের মধ্যে ৫০ হাজার কোটি টাকার পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প নিয়ে নিল।
তিস্তা ব্যারাজের টাকা খুঁজতে যেখানে এক দশক চলে গেল, সেখানে সরকার তিন মাসের মধ্যে ৫০ হাজার কোটি টাকার পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প নিয়ে নিল।
৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকার পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে সরকার। দেশের নিজস্ব অর্থায়নে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে।
তিস্তা নদীর পানিবণ্টন চুক্তির প্রতিশ্রুতি কে না দিয়েছেন। ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ তাঁদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, পররাষ্ট্রসচিব—সবাই তিস্তার পানিচুক্তি হবে মর্মে আশ্বস্ত করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে আশা প্রকাশ করা হয়, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী তাঁর দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবেন।
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে উল্লেখ করে এর জন্য অপেক্ষা ও ধৈর্য ধরতে উত্তরবঙ্গের মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
মির্জা ফখরুল ফারাক্কা চুক্তি নবায়নের গুরুত্ব দিয়ে বলেছেন, ন্যায্য পানির হিস্যা নিশ্চিত করতে ঐক্যবদ্ধ হওয়া জরুরি।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব জানিয়েছেন, চীনের সহায়তায় অল্প সময়েই তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু হবে। তিনি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস এবং বুড়িমারী এক্সপ্রেস ট্রেনের বিষয়েও কথা বলেন। লালমনিরহাটে চাকরি মেলা উদ্বোধনের পর এসব মন্তব্য করেন তিনি।
রেণু বেগম জানান, টিউবওয়েলের পানিতে আর্সেনিক। হাত–পায়ে ঘা হয়। তাই কাপড় কাচা ও গোসলের কাজে নদীর পানি ব্যবহার করেন তিনিসহ এলাকার অনেকেই।
চীন তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন করলে তাতে জামায়াতে ইসলামী পূর্ণ সমর্থন দেবে।
তিস্তা শুধু ভাঙে আর ভাঙে। এই শীতেও তিস্তার ভাঙন থেমে নেই।
সম্প্রতি ঢাকায় কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন ও বাংলাদেশ এনভায়রনমেন্টাল নেটওয়ার্কের (বাপা-বেন) আয়োজনে দুই দিনব্যাপী জাতীয় পরিবেশ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
আজ সোমবার সকালে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার গাজীর ঘাট এলাকায় তিস্তা নদী এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
তিস্তা নদীকে ঘিরে চীনের প্রস্তাবিত ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা’ বাস্তবায়নের আগে এ অঞ্চলের নদী ও প্রকৃতিকে নিয়ে চিন্তাভাবনা করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন পরিবেশ ও নদী রক্ষা আন্দোলনের বিশেষজ্ঞরা।
লালমনিরহাটের তিস্তা নদীবেষ্টিত দুর্গম চর হরিণ চওড়া মাঝের চরের ২৫০ জন শীতার্ত মানুষকে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্টের উদ্যোগে কম্বল দেওয়া হয়।
কেবল ২০২০ সালেই তিস্তার দুই পার থেকে ৯০ হাজার মানুষের বাস্তুচ্যুত হওয়ার তথ্যটি প্রমাণ করে যে এই নদী এখন আশীর্বাদের বদলে দীর্ঘস্থায়ী মানবিক সংকটের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তিস্তার উজানের ভারতীয় অংশে একাধিক বাঁধ নির্মাণের কারণে বাংলাদেশ অংশে তিস্তার পানিপ্রবাহ কমেছে ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ।
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে দেড় বছর ধরে তিস্তা নদী রক্ষা কমিটির মাধ্যমে বিএনপি নেতা–কর্মী, সমর্থকসহ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ আন্দোলনে অংশ নিচ্ছেন।