ইরানে বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা হলে কেন ভয়াবহ বিপর্যয়ে পড়তে পারে উপসাগরীয়
যুদ্ধের উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোর জ্বালানি ও পানি প্রকল্পে হামলার হুমকি দিয়েছে ইরান।
যুদ্ধের উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোর জ্বালানি ও পানি প্রকল্পে হামলার হুমকি দিয়েছে ইরান।
যুক্তরাষ্ট্রের তেল অবরোধ এবং জরাজীর্ণ অবকাঠামোর সংকটে কিউবায় বিদ্যুৎ বিপর্যয়।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে হরমুজ নিয়ে তাঁর অবস্থান পরিষ্কার করেছেন।
ইরান যুদ্ধ নিয়ে কিছুটা সুর নরম করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত সেনাদের সুনির্দিষ্ট ভূমিকা কী হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
যেমনটা ধারণা করা হয়েছিল, জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হোয়াইট হাউসের বৈঠকটি তেমনই হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের শুরু করা যুদ্ধের প্রভাব এখন দেশটিতেও পড়তে শুরু করেছে। যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম বেড়েছে, তাতে গৃহস্থালিতে ব্যয় বাড়িয়ে চাপে ফেলেছে দেশটির নাগরিকদের।
ট্রাম্প প্রশাসন ইরানে বিমান ও নৌবাহিনী পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনায় রাখছে।
ছোট্ট কিউবা, ফিদেল কাস্ত্রোর কিউবা, চে গুয়েভারার কিউবা মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে বলা যায়।
এক বছর আগে প্রেসিডেন্টের চেয়ারে ফেরার পরপরই এক নির্বাহী আদেশে ভয়েস অব আমেরিকা কার্যত বন্ধ করে দিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এখন তা আবার সচল করার আদেশ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালত।
হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার প্রচেষ্টায় শক্তি প্রয়োগে যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনায় টোকিওকে যুক্ত হওয়ার আহ্বান ডোনাল্ড ট্রাম্প আবার জানাতে পারেন।
ইরান জাতীয় ফুটবল দল বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানোর কোনো চিন্তাই করছে না। তবে যুক্তরাষ্ট্রে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে তারা অনড়।
কেন্ট খুদে ব্লগ লেখার সাইট এক্সে তাঁর পদত্যাগপত্রের একটি প্রতিলিপি প্রকাশ করেছেন।
ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সব দূতাবাস ও কূটনৈতিক দপ্তরকে অবিলম্বে নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যালোচনা করতে নির্দেশ দিয়েছে পররাষ্ট্র দপ্তর।
পদত্যাগপত্রে কী লিখেছেন শীর্ষস্থানীয় মার্কিন কর্মকর্তা
গতকাল সোমবার একাধিক মিত্রদেশ ট্রাম্পের আহ্বানকে প্রত্যাখ্যান করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল কাউন্টারটেররিজম সেন্টারের পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন জোসেফ কেন্ট।
ইরান যুদ্ধের কারণে ইউরোপীয় নেতারা এক কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন।
বিশ্বরাজনীতির অস্থিরতা বর্তমানে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু সরকারের অনেকেই ইতিমধ্যে বলে ফেলেছেন, ওল্ড টেস্টামেন্টে ‘আর্মাগেডন’ বা ‘চূড়ান্ত যুদ্ধের’ প্রেক্ষাপট ইরান যুদ্ধের মধ্য দিয়েই সূচিত হতে যাচ্ছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকে ইরানের বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে
নিরাপত্তাঝুঁকি থাকায় যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে চায় না ইরান। বিশ্বকাপে তাদের ম্যাচগুলো মেক্সিকোতে সরিয়ে নিতে চায়।
ইরান যুদ্ধে ধর্মের কার্ড যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীকেও বিভক্ত করেছে।