কার্ডে লেনদেন বছরে ২০% হারে বাড়ছে
২০২৪ সালের এপ্রিলে ডিজিটাল পেমেন্ট প্রতিষ্ঠান ভিসার বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানের কান্ট্রি ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব নেন সাব্বির আহমেদ।
২০২৪ সালের এপ্রিলে ডিজিটাল পেমেন্ট প্রতিষ্ঠান ভিসার বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানের কান্ট্রি ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব নেন সাব্বির আহমেদ।
নগদ চালু করল ‘বাংলা কিউআর’ পেমেন্ট সেবা, যা ক্যাশলেস লেনদেনকে সহজ ও দ্রুততর করবে সব গ্রাহকের জন্য।
এ চুক্তির আলোকে রূপালী ব্যাংকের মোবাইল আর্থিক সেবা (এমএফএস) রূপালীক্যাশ ও আকিজ অনলাইন ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থাকে আরও সহজ, নিরাপদ ও গ্রাহকবান্ধব করে তোলার লক্ষ্যে একযোগে কাজ করবে।
রাফি হোসেনের ফ্যাসেট সাশ্রয়ী আন্তর্জাতিক পেমেন্টের ব্লকচেইন–ভিত্তিক অবকাঠামো গড়ে তুলতে ৫১ মিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করেছে।
একদিকে খুচরা টাকার ঝামেলা নাই হয়ে যাচ্ছে, অন্যদিকে পুরোনো বা জাল টাকার ঝুঁকিও নেই। ফলে কেনাকাটায় ডিজিটাল লেনদেন দিনে দিনে বাড়ছে।
ডিজিটাল ওয়ালেট বা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসে (এমএফএস) মানুষের আস্থা ও স্বাচ্ছন্দ্য এখন এতটাই বেড়েছে যে দেশের লেনদেনব্যবস্থায় এক নীরব বিপ্লব ঘটে গেছে।
উৎসবের বাড়তি খরচের চাপ সামলাতে মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্তদের কাছে ক্রেডিট কার্ড এখন শুধু আভিজাত্যের প্রতীক নয়, বরং পরিকল্পিত অর্থ ব্যবস্থাপনার অন্যতম প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠেছে।
২০২৬ সালের ঈদ ঘিরে প্ল্যাটফর্মগুলোর ‘ডিজিটাল ঈদ ধামাকা’ বা ‘মেগা সেভিংস ফেস্ট’-এর মতো আয়োজনে এখন মুখর পুরো বাজার।
অনলাইনে কেনাকাটার এই বিশাল জোয়ারের সবচেয়ে বড় চালিকা শক্তি হয়ে উঠেছে ক্যাশলেস বা নগদবিহীন লেনদেন।
হাটের ডিজিটাল বুথের মাধ্যমে ভিসা কার্ড, মাস্টারকার্ড, বিকাশ ও নগদের মতো মাধ্যমগুলো ব্যবহার করে ক্রেতা-বিক্রেতারা সম্পূর্ণ নিরাপদে লেনদেন করতে পারছেন।
যেকোনো ব্যাংকের কার্ড থেকে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) ব্যক্তির হিসাবে ‘অ্যাড মানি’ করার ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
হজযাত্রায় এখন এআই, নুসুক অ্যাপ, স্মার্ট কার্ড ও রোবটের সাহায্যে ভিড় নিয়ন্ত্রণ থেকে জরুরি সেবা পর্যন্ত সব সহজ হয়েছে। ২০২৬ সালের হাজিদের জন্য ডিজিটাল টিপস এবং অ্যাপগুলোর বিস্তারিত ব্যবহার জেনে নিন। স্মার্ট বাস, ট্রেন এবং হেলথ মনিটরিং ব্রেসলেটও যাত্রাকে আরও নিরাপদ করেছে।
কার্ড লেনদেন এখন বাংলাদেশের আধুনিক জীবনযাত্রার অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। কন্টাক্টলেস পেমেন্ট, আন্তর্জাতিক ভ্রমণে সুবিধা, রিওয়ার্ড প্রোগ্রাম এবং ই-কমার্সে সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছেন ইবিএল-এর উপব্যবস্থাপনা পরিচালক। আগামী দিনগুলোতে ডিজিটাল ও ফিজিক্যাল কার্ডের সহাবস্থান থাকবে।
ব্র্যাক ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড গ্রাহকসংখ্যা তিন লাখ ছাড়িয়েছে এবং লেনদেন প্রতি বছর আশাব্যঞ্জক হারে বাড়ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্তে অনিরাপদ ঋণসীমা ২০ লাখ টাকায় উন্নীত হয়েছে। নতুন প্রযুক্তি ও সেবা দিয়ে ডিজিটাল পেমেন্টকে আরও গতিশীল করা হচ্ছে।
কার্ডভিত্তিক লেনদেনকে ভবিষ্যত অর্থনীতির মূল ভিত্তি করে ঢাকা ব্যাংক গ্রাহককেন্দ্রিক স্মার্ট ব্যাংকিং গড়ে তুলছে। করপোরেট কার্ডের মাধ্যমে খরচ ব্যবস্থাপনা সহজ করা হচ্ছে এবং ক্যাশলেস সমাজের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রযুক্তি ও নিরাপত্তায় জোর দেওয়া হচ্ছে। তরুণ প্রজন্মকে লক্ষ্য করে নতুন কার্ড ও অ্যাপ সেবা চালু করছে ব্যাংকটি।
ক্রেডিট কার্ডের শূন্য শতাংশ ইএমআই সুবিধায় মধ্যবিত্তের কেনাকাটা সহজ হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নীতিমালা গ্রাহক সুরক্ষা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করেছে। ইলেকট্রনিকস থেকে স্বাস্থ্যসেবা পর্যন্ত বিভিন্ন খাতে এই সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে।
প্রাইম ব্যাংক ‘জিরো বাই প্রাইম ব্যাংক’ নামে শূন্য ফি ক্রেডিট কার্ড চালু করেছে। এতে কোনো ইস্যুয়িং, বার্ষিক বা অন্যান্য চার্জ নেই। ক্যাশলেস অর্থনীতি গড়তে এটি গ্রাহকবান্ধব সেবা নিশ্চিত করবে।
ট্রাস্ট ব্যাংকের এমডি আহসান জামান চৌধুরী কার্ড নিরাপত্তা, বিশেষ সুবিধা ও ডিজিটাল পেমেন্টের ভবিষ্যৎ নিয়ে মুক্তকণ্ঠকে বিস্তারিত বলেছেন। সাইবার ঝুঁকি মোকাবিলায় এনক্রিপশন ও মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। কার্ড বাজারের প্রবৃদ্ধি আশাব্যঞ্জক এবং এমএফএস-এর সঙ্গে সমন্বয় জরুরি।
বাংলাদেশে কার্ড পেমেন্টের সম্ভাবনা উজ্জ্বল হলেও উচ্চ শুল্ক ও সচেতনতার অভাব চ্যালেঞ্জ। মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল নীতিগত সহায়তা, সাইবার নিরাপত্তা ও ক্যাশলেস সমাজ নিয়ে বিস্তারিত বলেছেন। বিশ্ববাজারে কার্ড পেমেন্ট অবকাঠামোর অংশ।
ডিজিটাল যুগে ক্রেডিট কার্ড ব্যবসা, শিক্ষা ও দৈনন্দিন লেনদেনের অবিচ্ছেদ্য হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নীতিতে ঋণসীমা দ্বিগুণ হওয়ায় করপোরেট ও স্টুডেন্ট কার্ডের চাহিদা বেড়েছে। বিভিন্ন ব্যাংকের সুবিধা ও সতর্কতার পরামর্শও জানুন।
এক্স ব্যবহারকারীদের সহজে অর্থ লেনদেন ও ব্যাংকিং সেবা দিতে ‘এক্স মানি’ চালু করতে চান ইলন মাস্ক।
ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের এই অ্যাপটি ২০১৮ সালে চালু হয়। অ্যাপটির মাধ্যমে গত বছর লেনদেন হয়েছে প্রায় ২ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকায়।
যদি সরকার ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার গড়ে তুলে ক্ষুদ্র ব্যবসাকে অর্থায়নের মূলধারায় আনতে পারে, তাহলে কোটি কোটি উদ্যোক্তা অর্থনীতির নতুন শক্তিতে পরিণত হবে।
ক্রিপ্টোকারেন্সির জগতের দীর্ঘতম রহস্যে এক নতুন মোড় দেখা যাচ্ছে।