জাতীয় সফটওয়্যার আর্কিটেকচার এখনই কেন জরুরি
গত দুই দশকে বাংলাদেশ সরকার ডিজিটালাইজেশনে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ করেছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর, সংস্থা ও প্রকল্পের অধীনে তৈরি হয়েছে সফটওয়্যার, পোর্টাল, মোবাইল অ্যাপ, ডেটাবেজ ও ডিজিটাল সেবা।
গত দুই দশকে বাংলাদেশ সরকার ডিজিটালাইজেশনে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ করেছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর, সংস্থা ও প্রকল্পের অধীনে তৈরি হয়েছে সফটওয়্যার, পোর্টাল, মোবাইল অ্যাপ, ডেটাবেজ ও ডিজিটাল সেবা।
মানুষের আদি ইতিহাস এবং আমাদের পূর্বপুরুষদের অবয়ব কেমন ছিল, তা নিয়ে গবেষকদের আগ্রহের শেষ নেই।
ডিজি ইনফোটেক লিমিটেডের সহযোগিতায় চালু হওয়া এ ব্যবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয়পত্র, ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সেবা, নগদবিহীন লেনদেন ও ডিজিটাল নথি ব্যবস্থাপনাকে একটি প্ল্যাটফর্মে আনা হয়েছে।
২০০৭ সালে সেনাবাহিনী থেকে আমাকে একটা জনমুখী প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হলো। যখনই কোনো সেবাগ্রহীতা সার্ভিস নিতে গিয়ে আটকে যেতেন, তাঁদের অনেকেই আমার কাছে আসতেন। কারণ, ওই এজেন্সির ওয়েবসাইটে আমার মুঠোফোন নম্বরটা দিয়ে রেখেছিলাম নিজেই। আমি নিজেও ‘ওপেন ডোর’ পলিসিতে বিশ্বাসী ছিলাম। ফলে হাজারো মানুষ ফোন করতেন, দেখা করতেন। শুনতাম। বৈধ রাস্তায় দ্রুত কাজ ওঠানোর চেষ্টা করতাম।
একসময় বিদেশে চাকরির জন্য দালালকে খুঁজতে হতো গ্রামের বাজারে, চায়ের দোকানে, বাজারের মোড়ে কিংবা পরিচিত কারও উঠানে। এখন তাকে খুঁজতে হয় না, সে নিজেই এসে হাজির হয় স্মার্টফোনের পর্দায়। তার অফিসের সাইনবোর্ড নেই, ট্রেড লাইসেন্স দেখা যায় না, কখনো হয়তো নিজের আসল নামটিও জানা যায় না। আছে একটি ফেসবুক পেজ, কয়েকটি চকচকে ছবি, বিদেশি পতাকা, ‘ফ্রি ভিসা’, ‘নিশ্চিত চাকরি’, ‘মাসে এক লাখ টাকা বেতন’—আর আছে একটি হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর। বাংলাদেশের শ্রম অভিবাসনের পুরোনো দালালি তাই বিলীন হয়নি, বরং প্রযুক্তির সঙ্গে তার নতুন রূপ হয়েছে।
পূর্ব তিমুরের পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের জন্য ‘স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যানিং অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (এসপিআইএমআইএস) তৈরি ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব পেয়েছে বাংলাদেশের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ড্রিম৭১ বাংলাদেশ লিমিটেড।
এই চ্যালেঞ্জগুলোর অনেকগুলোর সমাধান শুধু নতুন হাসপাতাল নির্মাণ, চিকিৎসক নিয়োগ কিংবা নতুন যন্ত্রপাতি কেনার মাধ্যমে সম্ভব নয়।
সংলাপে জানানো হয়, গবেষণায় দেশের ৮ বিভাগের ২ হাজার ৬১১ জন নাগরিক (নারী, তরুণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী) অংশ নেন। এ ছাড়া ২৯৭টি স্থানীয় সরকারি অফিসের ওপর গবেষণাটি করা হয়।
গত দেড় দশকে বাংলাদেশে ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবার জন্য বিপুল অর্থ ব্যয় হয়েছে। তৈরি করা হয়েছে নানা সফটওয়্যার, তথ্যভান্ডার, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও ডিজিটাল সেবা।
বাংলাদেশে ২০২৩ থেকে ২০২৬ সালের মে পর্যন্ত অন্তত ৬৮টি তথ্য ফাঁসের ঘটনা নথিভুক্ত করেছে টেকগ্লোবাল ইনস্টিটিউট। এর মধ্যে ৩৬টি সরকারি ও ৩২টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের।
বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে এখন আইডিএলসি ফিন্যান্সের এফডিআর খোলার সুবিধা পাওয়া যাবে। ১০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত ৬ মাস ও ১ বছরের মেয়াদে সঞ্চয়ের এই সুযোগটি সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে।
দীর্ঘক্ষণ স্ক্রিনে তাকিয়ে কাজ করলে চোখে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। চোখকে ডিজিটাল আই স্ট্রেইন থেকে নিরাপদ রাখতে কিছু বিষয় মেনে চলা জরুরি।
অ্যামাজন ও স্পেসএক্সের মতো মার্কিন জায়ান্টদের হাতে বৈশ্বিক দক্ষিণের ডিজিটাল অবকাঠামোর নিয়ন্ত্রণ যাওয়ার ঝুঁকি এবং ডিজিটাল ঔপনিবেশিকতার আশঙ্কা নিয়ে আলোচনা।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে নিয়ে চালু হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) ওয়েবসাইট ShahidZia.org।
গ্রামীণফোনের মাইজিপি অ্যাপ ১০ বছরে ২ কোটি ৩০ লাখ ব্যবহারকারী অর্জন করেছে, যা ডিজিটাল সেবার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৮ জুলাই ‘টিকটক মাস্টারক্লাস: সাংবাদিকতা ও ডিজিটাল গল্প বলা’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ডিজিটাল স্বাধীনতা শুধু প্রযুক্তিগত পছন্দের বিষয় নয়; এর সঙ্গে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্ন গভীরভাবে জড়িত।
ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থায় বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘বাংলা কিউআর’ উদ্যোগটি সময়োপযোগী হলেও এর ব্যাপক প্রসারে খুচরা বিক্রেতাদের সম্পৃক্ততা এবং মাশুল সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জগুলো কাটিয়ে ওঠা প্রয়োজন।
জাতীয় নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক স্বার্থ এবং নাগরিক অধিকার রক্ষায় বাংলাদেশের জন্য ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব কৌশলের গুরুত্ব এবং এর বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা।
দেশের ৬৪ জেলার ৪৫৮টি উপজেলা ও থানায় কর্মীদের জন্য পরিবেশবান্ধব ‘সুপার বাইক’ চালু করেছে মোবাইল অপারেটর রবি।
সাইবার স্পেসে মাদক কেনাবেচার সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড রেখে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) বিল জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।
উদ্ভাবনী ডিজিটাল সেবা ও প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রমে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে ‘ইনোভেশন শোকেসিং ২০২৫-২৬’-এ সেরা পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
ইউটিউব চ্যানেল, মনেটাইজড ফেসবুক পেজ, ই-কমার্স স্টোর, যেখান থেকে নিয়মিত আয় হয়। এগুলো সরাসরি সম্পদ এবং শরিয়তের উত্তরাধিকার বিধান অনুযায়ী ওয়ারিশদের মধ্যে বণ্টিত হবে।
সোশ্যাল মিডিয়া, অনলাইন গেমিং থেকে শুরু করে জেনারেটিভ এআই—আজকের ডিজিটাল পরিবেশের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ছে শিশু–কিশোর ও তাদের স্বাস্থ্যের ওপর।