এপস্টিন কেলেঙ্কারিতে গ্রেপ্তারের পর ছাড়া পেলেন রাজা তৃতীয় চার্লসের
এপস্টিনের কাছে সরকারের গোপনীয় নথি পাচারের অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
এপস্টিনের কাছে সরকারের গোপনীয় নথি পাচারের অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যের বিচার বিভাগ বুধবার জানিয়েছে, তারা একটি অভিযোগ তদন্ত করছে।
এপস্টিনের যৌন অপরাধের শিকার ভুক্তভোগীদের কেউ ক্লিনটন দম্পতির বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ তোলেনি
লিটল সেন্ট জেমস দ্বীপের সঙ্গে নাম জড়িয়ে রয়েছে আলোচিত-সমালোচিত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টিনের।
জেফরি এপস্টিন-সংশ্লিষ্ট নথি প্রকাশের পর থেকেই চাপে ছিলেন ডিপি ওয়ার্ল্ডের চেয়ারম্যান সুলতান আহমেদ বিন সুলায়েম।
২০০৭ সালের পর্তুগালের একটি রিসোর্ট থেকে নিখোঁজ হয় মেডেলিন।
যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ সম্প্রতি এপস্টিন–সংশ্লিষ্ট তিন লাখের বেশি নথি প্রকাশ করেছে।
কুখ্যাত যৌন নিপীড়ক জেফরি এপস্টিনের সঙ্গে একসময় বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল।
আন্তর্জাতিক সংগীতজগতে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করেছে একটি নাম—জেফরি এপস্টিন।
গতকাল মঙ্গলবার ক্যাপিটল হিলে সাক্ষ্য দেন মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক।
এপস্টিন কখনো সন্তানের বাবা হয়েছিলেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের কুখ্যাত যৌন নিপীড়ক জেফরি এপস্টিনের মৃত্যুর এক দিন আগেই তাঁর মৃত্যু–সংক্রান্ত বিবৃতির খসড়া তৈরি করা হয়েছিল।
নরওয়ের রাজপরিবারকে ঘিরে চলমান বিচার এবং একই সময়ে জেফরি এপস্টিন সংযোগ নিয়ে নতুন নথি প্রকাশ এই প্রশ্নকে শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক বিতর্কে পরিণত করেছে।
জেফরি এপস্টিনের সঙ্গে জেপি মরগান চেজ সম্পর্ক ছিন্ন করার মাত্র কয়েক মাস পরেই সুইস ব্যাংক ইউবিএসে গিলেন ম্যাক্সওয়েলের নামে ব্যাংক হিসাব খোলা হয়।
পুতিন ও দালাই লামা কখনো এপস্টিনের সঙ্গে দেখা করেননি। অনেক ক্ষেত্রে এপস্টিনকে পাঠানো ই–মেইলে তাঁদের নাম উল্লেখ করার মতো ঘটনা রয়েছে।
ফাঁস হওয়া নথি থেকে জানা গেছে, এপস্টিন অনিল আম্বানির সঙ্গে ব্যবসা, নারী ও বৈঠক নিয়ে যোগাযোগ করতেন।
নথিতে এপস্টিনের আইনজীবী ও হার্ভার্ডের আইনের অধ্যাপক অ্যালান ডারশোভিটজের সঙ্গে এপস্টিনের একাধিক ফোনালাপের বিবরণ রয়েছে।
ইসরায়েলের জনসংখ্যাগত কাঠামো বদলানোর প্রচেষ্টা নিয়ে আলাপ করছিলেন এপস্টিন ও এহুদ বারাক।
জেফরি এপস্টিনের বান্ধবী গিলেন ম্যাক্সওয়েলের কারাগারের দৈনন্দিন জীবন কেমন কাটছে, তা নতুন প্রকাশিত একটি ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে সামনে এসেছে।
সম্প্রতি ফাঁস হওয়া ই–মেইলগুলো থেকে উডি অ্যালেন দম্পতির সঙ্গে জেফরি এপস্টেইনের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের ইঙ্গিত মিলেছে।
এপস্টেইনের নথিতে নাম থাকা এবং তাঁর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে ম্যান্ডেলসন বিতর্কের মধ্যে আছেন
এপস্টেইন অভিজাতদের ভোগবিলাসকে শুধু ব্যবহার করেননি। তিনি সেটিকে অস্ত্রে পরিণত করেছিলেন। অধিকারবোধকে চাপের উপকরণে, বাড়াবাড়িকে দুর্বলতায়, আর বিশেষাধিকারকে ফাঁদে রূপান্তর করেছিলেন।
এপস্টেইন নথি ঘিরে যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক সংকট ঘনীভূত হচ্ছে। ক্ষমা চেয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী স্টারমার।
জেফরি এপস্টেইন-সংশ্লিষ্ট নথিগুলো নিয়ে বিশ্বজুড়ে এখন তোলপাড়। নথিতে নিজের নাম থাকায় অস্বস্তিতে অনেক প্রভাবশালী।