বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রতিরোধ
ঢাকার বাইরেও এদিন আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং আওয়ামী লীগ ও এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতা–কর্মীদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়।
ঢাকার বাইরেও এদিন আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং আওয়ামী লীগ ও এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতা–কর্মীদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়।
মৈত্রী হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) ও জুলাই আন্দোলনের আরেক সমন্বয়ক নিশিতা জামান বলেন, ‘জুলাই আমাদের ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ছাত্রলীগমুক্ত হওয়াতেই শেখ হাসিনার পতন নিশ্চিত হয়েছিল বলে দাবি করেছেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম।
প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ও গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক অভিযোগ করেছেন যে, অনির্বাচিত অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দেশের স্বার্থবিরোধী চুক্তি করেছিল।
১৯ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে ‘জুলাই বিপ্লব ২০২৪-এর লিগ্যাসি: জবাবদিহি, সংস্কার ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ’ প্রতিপাদ্যে অনুষ্ঠিত হবে দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক জুলাই বিপ্লব সম্মেলন।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বেওয়ারিশ দাফন হওয়া শহীদদের স্বজনরা তাঁদের কবরের করুণ দশা এবং খুনিদের দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
জুলাইয়ের শহীদেরা একাত্তরের শহীদদের বাস্তব অনুসারী এবং রাষ্ট্রকে ব্যক্তিগত সম্পত্তি ভাবলে জুলাই বারবার ফিরে আসবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু।
জুলাই গণহত্যার বিচারের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কফিন মিছিল ও সংহতি সমাবেশ করেছে জাতীয় ছাত্রশক্তি।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রকৃত ইতিহাস এবং সাধারণ মানুষের অবদানকে মনে রাখার আহ্বান জানিয়ে লিখেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগঠক ও নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক প্রাপ্তি তাপসী।
চব্বিশের গণ–অভ্যুত্থানের দিনগুলোয় যখন লাশের সারি বাড়ছে, যখন ক্রমেই আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে যে জনতার সঙ্গে আওয়ামী লীগের মরণপণ লড়াই অত্যাসন্ন, তখন এ দেশের ‘প্রগতিশীল’ হিসেবে পরিচিতদের ভূমিকা বেশ নাজুক ছিল।
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় আহত ব্যক্তিরা ঠিক সময়ে ঠিক চিকিৎসা পাননি। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের হস্তক্ষেপও ছিল।
জুলাই সনদের গণভোটের রায় কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
১৬ জুলাইকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘শহীদ আবু সাঈদ দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন।
শাহবাগে আয়োজিত দোয়া ও ফাতেহা পাঠ কর্মসূচিতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের বিচার নিশ্চিতকরণ এবং স্মৃতি সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছেন তাঁদের স্বজনেরা ও ইনকিলাব মঞ্চ।
ফেনী সরকারি কলেজে জুলাই শহীদ দিবস অনুষ্ঠানে শহীদ মোহাম্মদ ওয়াসিমের ছবি ব্যানারে না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করে কলেজ ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা মঞ্চের ব্যানার খুলে নেন।
জাতীয় ঘটনার সাক্ষী হওয়ার যদি কোনো ন্যূনতম মানদণ্ড থেকে থাকে, তাহলে আমি বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের মতো বিশাল একটা ঘটনার সাক্ষী হওয়ার সুযোগ হারিয়েছি।
বিরোধী দলের সমালোচনাকে রাজনৈতিক বক্তব্য বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান। তিনি বলেছেন, সরকার ও বিরোধী দল একসঙ্গে জুলাই সনদের প্রতিটি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কাজ করবে।
‘ছেলের কথা খুব মনে পড়লে ওর কাপড়গুলো বুকে জড়িয়ে ধরি’, বলছিলেন আবু সাঈদের মা।
জুলাই গণ–আন্দোলনের সময় ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় যখন যোগাযোগ সীমিত, তখন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে ৯ দফা ঘোষণা করে আলোচনায় আসেন অন্যতম সমন্বয়ক আবদুল কাদের।
শহীদ মোহাম্মদ ওয়াসিমের শেষ ফেসবুক স্ট্যাটাস ‘চলে আসুন ষোলোশহর’ ঘিরে স্মৃতিচারণা এবং কক্সবাজারের পেকুয়ার মেহেরনামার বাড়িতে ক্রেস্ট সাজিয়ে রাখার পাশাপাশি পরিবারের বক্তব্য উঠে এসেছে। ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই ষোলোশহরে কোটাবিরোধী আন্দোলনের সময় ওয়াসিম গুলিতে নিহত হন।
সেই কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও মুক্তকণ্ঠ আবু সাঈদের নিহত হওয়ার ঘটনা তুলে ধরতে যে সক্রিয়তা দেখিয়েছিল, তা-ও উল্লেখ করার মতো।
আবু সাঈদের মৃত্যুর পর ওই দিন সন্ধ্যায় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের বাসভবনে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন।
বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন; জুলাই অভ্যুত্থানকে ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে অভিহিত করেছেন তিনি।
জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্যসচিব আখতার হোসেন অভিযোগ করেছেন যে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি মুছে ফেলার চেষ্টা চলছে, তবে শহীদ ও গণমানুষের ত্যাগের কারণে তা সম্ভব নয়।