এবারের বাজেট যেন লুটেরাদের বাজেট না হয়
এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেছেন, এনসিপির পক্ষ থেকে সরকারকে বাজেটের একটি রোডম্যাপ (পথনকশা) দিতে দলীয়ভাবে ছায়া বাজেট প্রণয়ন কমিটি করা হয়েছে।
এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেছেন, এনসিপির পক্ষ থেকে সরকারকে বাজেটের একটি রোডম্যাপ (পথনকশা) দিতে দলীয়ভাবে ছায়া বাজেট প্রণয়ন কমিটি করা হয়েছে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রথম যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ জিডিপি ছাড়িয়ে গেছে। এপ্রিলে ঋণ ৩১.২৭ ট্রিলিয়ন ডলার, জিডিপি ৩১.২২ ট্রিলিয়ন। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করলেও কেউ কেউ বলছেন পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব।
‘বাংলাদেশের শিক্ষা সংস্কারের রূপরেখা: দ্য লার্নিং নেশন’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন ও প্রকাশনা অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে এ কথা বলেন দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।
মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে বাংলাদেশসহ এশিয়ার দেশগুলো ভুগছে। জ্বালানিসংকট প্রকট হচ্ছে। এসব কারণে প্রবৃদ্ধি কমে যেতে পার বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক ও এডিবির মতো সংস্থাগুলো।
আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরকে জিডিপির নতুন ভিত্তি বছর করা হবে। আগারগাঁওয়ের জাতীয় পরিসংখ্যান ভবনে বিবিএস-এর সেমিনারে এ তথ্য প্রকাশ পায়। এতে জিডিপির আকার বাড়তে পারে বলে জানা গেছে।
এডিবি চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪ শতাংশ এবং মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে। রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বৈশ্বিক সংকটের কারণে প্রবৃদ্ধির হার কমেছে। পরের বছরে এটি ৪.৭ শতাংশে উন্নীত হতে পারে।
সানেমের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, তেলের দাম ৪০% এবং এলএনজি ৫০% বাড়লে জিডিপি ১.২% কমতে পারে, রপ্তানি ২% এবং আমদানি ১.৫% হ্রাস পাবে। মূল্যস্ফীতি ৪% বাড়বে এবং প্রকৃত মজুরি ১% কমবে। জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য সানেম নবায়নযোগ্য শক্তি ও মজুত তৈরির সুপারিশ করেছে।
মধ্যপ্রাচ্য সংকটে দেশের জিডিপিতে ১.১% ক্ষতির আশঙ্কা করে ঢাকা চেম্বার সভাপতি তাসকিন আহমেদ বলেন, চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি সাড়ে ৩ শতাংশে নেমে আসতে পারে। বিশ্বব্যাংকও ৩.৯% প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে। জ্বালানি সংকট শিল্প, রপ্তানি ও দারিদ্র্য হ্রাসে বাধা সৃষ্টি করছে।
বিশ্বব্যাংক বলছে, ২০২৫ সালে নতুন করে ১৪ লাখ মানুষ গরিব হয়েছেন। আজ বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট প্রতিবেদনের এপ্রিল সংস্করণ প্রকাশ করেছে বিশ্বব্যাংক।
বিবিএসের তথ্যে চলতি অর্থবছরের অক্টোবর–ডিসেম্বর প্রান্তিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩.০৩ শতাংশ, যা আগের প্রান্তিকে ছিল ৪.৯৬ শতাংশ। ইরান–ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সংকট অর্থনীতিতে নতুন ঝুঁকি তৈরি করেছে। শিল্প খাতে সবচেয়ে কম প্রবৃদ্ধি ১.২৭ শতাংশ।
লংকাবাংলা সিকিউরিটিসের ‘বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেট সেন্টিমেন্ট সার্ভে–২০২৬’ জরিপে দেখা গেছে, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও তারল্যসংকট শেয়ারবাজারের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ। জরিপে ১০১ জন বাজার–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অংশ নেন। অর্থনীতিতে নির্বাচনের ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করেছেন সাড়ে ৫৩ শতাংশ অংশগ্রহণকারী।
বিবিএসের হিসাবে, এখন দেশে জিডিপির আকার যত, এর মাত্র ২২ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশের সমান হলো বেসরকারি বিনিয়োগ। টানা চার বছর ধরে বেসরকারি বিনিয়োগের অবদান কমছে।
আজ বৃহস্পতিবার ২০২৪–২৫ অর্থবছরের মাথাপিছু আয়, মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) চূড়ান্ত হিসাব দিয়েছে বিবিএস।
এলডিসি-পরবর্তী সময়ে নতুন বাণিজ্যচুক্তি ও বাজার বহুমুখীকরণ অপরিহার্য। অর্থনৈতিক ম্যান্ডেটের জন্য দৃশ্যমান সংস্কার ও কার্যকর নীতি দরকার।
বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ জিডিপির ২ শতাংশের কম। এর ফলে শিক্ষা ও গবেষণা কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি অর্জন করতে পারেনি। স্বাধীনতার পাঁচ দশক পরও আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শক্ত অবস্থান তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে।
চলতি বছর বৈশ্বিক অর্থনীতি ১২৩ দশমিক ৬ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে।
‘উন্নয়নের রোল মডেল’, ‘২০৪১ সালে উন্নত দেশ’—এই স্লোগানগুলো তৈরি হয়েছে এই গ্র্যাজুয়েশনকে কেন্দ্র করে। কিন্তু এখন প্রশ্ন উঠছে, যে তথ্যের ভিত্তিতে এই আখ্যান নির্মিত হয়েছিল, সেই তথ্য কতটা নির্ভরযোগ্য ছিল? হোয়াইট পেপার বা শ্বেতপত্রে বলা হয়েছে, ‘উন্নয়নের গল্প পরিসংখ্যানগত দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যতিক্রমী ছিল, কিন্তু সেগুলো ছিল জনগণের সঙ্গে প্রতারণা’।
সরকারের কাছে জমা দেওয়া জাতীয় কর কাঠামো পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্তবিষয়ক প্রতিবেদনের ওপর পিআরআইয়ের সংবাদ সম্মেলন।
জাতীয় নির্বাচন হলে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কমবে। নতুন সরকার এসে কাঠামোগত সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করবে, এমন প্রত্যাশা বিশ্বব্যাংকের।
আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) চলতি অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকের জিডিপির এই তথ্য প্রকাশ করেছে। গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ছিল ২ দশমিক ৫৮ শতাংশ।