সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের চার প্রার্থীর জয়
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অন্তত ৭৯ জন ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অন্তত ৭৯ জন ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
ভোট তাই আর কেবল রাজনৈতিক পরিভাষা নয়—এটি নাগরিক আত্মসম্মানের ভাষা। মানুষ এবার উপলব্ধি করেছে, ভোট দেওয়া মানে কেবল প্রতিনিধি নির্বাচন নয়; এটি নিজের অস্তিত্ব, মত ও ভবিষ্যতের ওপর নিজের স্বাক্ষর রাখা। এবারের নির্বাচন তাই মানুষকে শুধু ভোটার বানায়নি; তাদের আরও সচেতন, আত্মমর্যাদাবান ও সক্রিয় নাগরিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটারদের ৫৯ শতাংশ ভোট দিয়েছেন বলে তথ্য দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের একজন কর্মকর্তা।
গাজীপুর-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. মজিবুর রহমান ২ লাখ ৮ হাজার ৬৮৮টি ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের শাহ্ আলম বকশী ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫৫৩ ভোট পেয়েছেন।
পঞ্চগড়-১ আসনে পরাজিত হয়েছেন ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
আজ সকালে নির্বাচন ভবনে ভোটের প্রাথমিক বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা শেষে সমাপনী বক্তব্য দেন ইসি সদস্য সানাউল্লাহ।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই–তৃতীয়াংশ আসন পেয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি।
গতকাল বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়।
আল–জাজিরা খবরে বলেছে, ‘জামায়াত ফলাফল প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।’
হবিগঞ্জ জেলার চারটি সংসদীয় আসনেই জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন এসব আসনের বেসরকারি চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরার চারটি আসনেই জয় পেয়েছে জামায়াতে ইসলামী। জেলার সব আসনে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের পরাজিত করে জামায়াত মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন।
ফরিদপুরের চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনটিতে বিএনপি ও একটিতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। ভোট গণনা শেষে গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত সোয়া একটার দিকে এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
নেত্রকোনার পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটি আসনে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। এ ছাড়া একটি আসনে জয় পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জের তিনটি আসনের সব কটিতেই বিএনপির প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। এর মধ্যে মানিকগঞ্জ-৩ আসনে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আফরোজা খানম এক লাখের বেশি ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন।
ময়মনসিংহের ১১টি আসনের মধ্যে আটটিতে বিএনপি এবং একটি করে আসনে জামায়াতে ইসলামী ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস জয় পেয়েছে।
শুরুতে ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য। এরপর নির্বাচিত হয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান। পরে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদেও নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। এই পথচলা নুরুল আমিনের। চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে বিএনপির মনোনয়নে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম-৪ (চিলমারী, রৌমারী ও চর রাজীবপুর) আসনে বড় ভাইকে হারিয়ে জয় পেয়েছেন ছোট ভাই। এ আসনে জয়ী হয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান।
ভারত একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখবে বলে পোস্টে উল্লেখ করেন মোদি।
ঢাকা-১৬ আসনের ভোটে বেসরকারি ফলে জয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আব্দুল বাতেন।
গতকাল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়।
লক্ষ্মীপুর বিএনপি-প্রভাবিত এলাকা হিসেবে পরিচিত। দলটি ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে জেলার চারটি আসনেই জিতেছিল। ২০১৪ সালে বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলো নির্বাচন বর্জন করে। একতরফা ওই নির্বাচনে সব আসন আওয়ামী লীগের দখলে চলে যায়। তবে আবারও জেলার সব কটি আসন জিতে ‘ঘাঁটি পুনরুদ্ধার’ করল বিএনপি।
চট্টগ্রামে সংসদীয় আসন রয়েছে ১৬টি। এর মধ্যে বেসরকারি ফলে ৯টিতে জয়লাভ করেছেন বিএনপির প্রার্থীরা। আরও তিনটি সংসদীয় আসনে বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা জিতেছেন দুটি সংসদীয় আসনে। বাকি দুটি আসনে বিএনপির প্রার্থীর ফলাফল আদালতের নির্দেশনায় স্থগিত রয়েছে।
নোয়াখালী ৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ৫টিতেই জয় পেয়েছে বিএনপি। আর একটিতে জয় পেয়েছে ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যে মনোনীত জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রার্থী। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বেসরকারিভাবে এসব আসনের ফল ঘোষণা করেন।
প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত ১১–দলীয় ঐক্যের প্রার্থী মামুনুল হকের চেয়ে ২ হাজার ৩২০ ভোট বেশি পেয়েছেন তিনি।