জামালপুরে জলাবদ্ধতা দূরীকরণে উদ্যোগ না নেওয়ায় ট্রেন আটকে বিক্ষোভ
জামালপুর শহরের শেখেরভিটা এলাকায় কয়েক সপ্তাহ ধরে তীব্র জলাবদ্ধতায় পানিবন্দী তিন শতাধিক পরিবার। চরম দুর্ভোগের প্রতিবাদে ও সমাধানের দাবিতে ট্রেন আটকে বিক্ষোভ করেছেন এলাকাবাসী।
জামালপুর শহরের শেখেরভিটা এলাকায় কয়েক সপ্তাহ ধরে তীব্র জলাবদ্ধতায় পানিবন্দী তিন শতাধিক পরিবার। চরম দুর্ভোগের প্রতিবাদে ও সমাধানের দাবিতে ট্রেন আটকে বিক্ষোভ করেছেন এলাকাবাসী।
নাসিরনগরে টানা বৃষ্টিতে হাওরের ধান তলিয়ে গেছে। চোখের সামনে ফসল হারিয়ে দিশাহারা কৃষকেরা। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের সংখ্যা হাজার ছাড়ালেও অনেকের নাম এখনো সরকারি তালিকায় ওঠেনি, ফলে ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে।
দেড় ঘণ্টার বৃষ্টিতে মাত্র চার দিনের ব্যবধানে আবারও পানিতে তলিয়ে গেছে চট্টগ্রামের প্রবর্তক মোড়ের রাস্তাঘাট। সড়ক উপচে পানি ঢুকেছে আশপাশের দোকানেও।
রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় পানিনিষ্কাশনের নালার মুখে বাঁধ দেওয়ায় জলাবদ্ধতায় শত একর বোরো ধান তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকেরা। এর প্রতিবাদে আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার তারাগঞ্জ চৌপথী এলাকায় রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন তাঁরা।
চট্টগ্রাম নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে এক দশক ধরে ১৪ হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে চারটি বড় প্রকল্প চললেও প্রথম ভারী বৃষ্টিতেই প্রায় ২০টি এলাকা ডুবে গেছে।
জলাবদ্ধতা একটি সমন্বিত ড্রেনেজ নেটওয়ার্কের বিষয়। খাল, নালা, জলাধার, নদী, জোয়ার-ভাটা—সবকিছু একসঙ্গে কাজ করে।
১৪ হাজার কোটি টাকার কাজ চলছে এক দশক ধরে। খরচ হয়ে গেছে ১০ হাজার কোটি টাকা। তবু মৌসুমি বৃষ্টিতেই বারবার ডুবছে চট্টগ্রাম নগর।
হাওরে কৃষকের ফসলহানি ও চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা নিয়ে সরকারের আন্তরিকতা প্রকাশ পেয়েছে। কিন্তু হাওরে ও চট্টগ্রামে সমস্যার ভিন্ন বাস্তবতার বিষয়গুলো সরকার জানে?
চট্টগ্রাম নগরীতে জলাবদ্ধতার অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম দাবি করেছেন। তাঁর ভাষ্য, সাময়িক পানিজট হয়েছিল।
‘চেয়ার-টেবিল সরাতে সরাতেই দোকানের রান্নাঘরে পানি ঢুকে পড়ে। ১৫–২০ মিনিটের মধ্যে সব ভেসে গেছে, রান্না করা খাবারও বাঁচাতে পারিনি।’ কথাগুলো শাহেদ আলমের। চট্টগ্রাম নগরের প্রবর্তক এলাকার কিচেন এশিয়া রেস্টুরেন্টের ব্যবস্থাপক তিনি।
চট্টগ্রাম নগরের সাম্প্রতিক জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘অতিরঞ্জিত’ প্রচার চালানো হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যে ফেসবুকে ক্ষোভ।
প্রতিবছর বর্ষা মৌসুম এলেই সামান্য ভারী বৃষ্টিতেই ক্যাম্পাসে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। এ বছর বর্ষা শুরুর আগেই শুরু হয়েছে এই দুর্ভোগ।
হঠাৎ অতিবৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম নগরীতে ‘কিছুটা’ পানি জমেছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। আজ বুধবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম নগরীর প্রবর্তক এলাকায় জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি ও হিজড়া খালের সম্প্রসারণ কাজ পরিদর্শনে এসে এ মন্তব্য করেন তিনি।
‘পানি হু হু করে ঢুকেছে। ১০ মিনিটের মধ্যে বুকসমান পানি হয়ে যায় দোকানে। কিছুই বের করতে পারিনি। আমি পথে বসে গেলাম।’ কথাগুলো বলতে বলতে থেমে যান তানভির আহমেদ। চট্টগ্রাম নগরের প্রবর্তক এলাকায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মূল ফটকের সামনে তাঁর ‘আয়াত সার্জিক্যাল’ নামের ওষুধের দোকানটি এখন পানির নিচে। তাঁর ধারণা, ক্ষতির পরিমাণ ৫০ লাখ টাকার বেশি।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা (টিপু) আজ বুধবার ঈশ্বর পাঠশালা (উচ্চবিদ্যালয়) পরিদর্শন করেন।
জলাবদ্ধতা কারণে কষ্টের শিকার হওয়ায় চট্টগ্রাম মহানগরের বাসিন্দাদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, যত দ্রুত সম্ভব, এই সমস্যা থেকে মানুষকে বের করে নিয়ে আসার চেষ্টা করছে সরকার।
বৃষ্টির পানি সড়ক ছাপিয়ে ঢুকেছে বসতবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে। এতে নগরবাসীর দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। বিশেষ করে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন।
দুর্যোগে বিপাকে পড়েছে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা। বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় অনেক কেন্দ্রে মোমবাতি জ্বালিয়ে পরীক্ষা দিতে হয়েছে পরীক্ষার্থীদের।
টানা বৃষ্টিতে আবারও পানির নিচে তলিয়ে গেছে চট্টগ্রাম নগরের কয়েকটি সড়ক। আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে নগরের বিভিন্ন এলাকায় তৈরি হয়েছে জলাবদ্ধতা। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন পথচারীরা।
জামায়াত এমপি সৈয়দ জয়নুল আবদীন সংসদে ৭০ শতাংশ ভোটকে উপেক্ষা করে ৫১ শতাংশ ভোটের গুরুত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন
নোংরা, দুর্গন্ধযুক্ত পানির নিচে নিমজ্জিত সড়কটি পার হতে রীতিমতো যুদ্ধে নামতে হচ্ছে পথচারীদের। জুতা হাতে, কাপড় গুটিয়ে কেউ পানিতে নেমেছেন।
খুলনা নগরে ২৯৮টি জলাশয় ছিল। এর মধ্যে ৮০টির অস্তিত্ব বিলীন হয়ে গেছে। ২৭টি জলাশয় আংশিক ভরাট হয়েছে। বাকিগুলো নাজুক হলেও কোনোমতে টিকে আছে।
একই হাওরে বাঁধ নিয়ে কৃষকেরা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ছেন। কেউ চান বাঁধ কাটতে, আবার কেউ রক্ষা করতে।