বাধা পেরিয়ে সফল পরিবার পরিকল্পনা
দেশের পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচির ইতিহাস বেশ পুরোনো এবং সমৃদ্ধ। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ সরকারের একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল।
দেশের পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচির ইতিহাস বেশ পুরোনো এবং সমৃদ্ধ। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ সরকারের একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল।
মানুষকে জনসম্পদে রূপ দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা, সক্ষমতা বিকাশ, সুযোগ-সুবিধার অসমতা ও জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রভাব—এসব দিক তুলে ধরে মতামতধর্মী লেখা।
২০৩৬ সালে বাংলাদেশের সংখ্যা দাঁড়াতে পারে প্রায় ২০ কোটিতে।
বিশ্বব্যাপী প্রতিবছর ১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত হয়। এ বছর ‘তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রত্যয়ে সুন্দর আগামী গড়ি’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে বাংলাদেশে তরুণ-তরুণীদের মতামত ও চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরা হয়েছে।
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৬-এর প্রতিপাদ্য বিষয় হলো—‘আজ ও আগামীর জন্য তরুণদের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন’। এই প্রতিপাদ্য বিশ্লেষণ করে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট নিয়ে লিখেছেন মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম
ইউনিসেফ ও বিবিএস-এর জরিপ অনুযায়ী, বাংলাদেশে মোট প্রজনন হার ২.৩ থেকে বেড়ে ২.৪ হয়েছে, যা ২০৩৬ সালের মধ্যে অতিরিক্ত ৯৬ লাখ জনসংখ্যা বৃদ্ধির ঝুঁকি তৈরি করেছে।
রাজধানীর পানি ভবনে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিশু দিবাযত্নকেন্দ্রের গুরুত্ব তুলে ধরেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট জুবাইদা রহমান।
আশ্চর্যের বিষয় হলো, বিশ্বকাপ নিয়ে ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ কিন্তু কম নয়।
সুইজারল্যান্ডে জনসংখ্যা ১ কোটিতে সীমিত রাখার প্রস্তাব নিয়ে ভোট হচ্ছে।
ভারতে প্রজননহার স্থিতিশীল মাত্রার নিচে নেমে আসায় শ্রমসংকটের আশঙ্কা বাড়ছে।
জনবহুল দেশের তালিকায় জাপান এক ধাপ পিছিয়ে ১২তম স্থানে নেমে এসেছে।
মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু বলেন, ‘সন্তানেরা আমাদের সম্পদ। এ বার্তা আমি রাজ্যজুড়ে পৌঁছে দিতে চাই।’
জনসংখ্যানীতি ২০০৪ এবং ২০১২-এর মূল লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব হয়নি। অধিকন্তু পরিবর্তিত বাস্তবতায় নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ আবির্ভূত হয়েছে।
দেড় দশক পর ভারতে জনগণনা শুরু হয়েছে, যা তিন ধাপে চলবে এবং ডিজিটালভাবে পরিচালিত হবে। এবার প্রথম জাত গণনাও অন্তর্ভুক্ত। নারী আসন সংরক্ষণ ও আসন বৃদ্ধির নিয়ে সরকার-বিরোধীদের মধ্যে বিতর্ক চলছে।
প্রবীণবান্ধব প্রতিষ্ঠানটির সাদা ধবধবে পাঁচতলা করে চারটি ভবন আছে। এগুলোর নাম—পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ও সুরমা। সব কটি ভবন থেকেই করিডরের মাধ্যমে ছাদে যাওয়ার ব্যবস্থা আছে।
জনসংখ্যা নীতি হলো কোনো দেশের সরকার কর্তৃক গৃহীত এমন পরিকল্পনা ও কৌশল, যার মাধ্যমে দেশের জনসংখ্যার আকার, বৃদ্ধির হার, বণ্টন ও গুণগত মান নিশ্চিত বা উন্নত করার প্রচেষ্টা গ্রহণ করা।
ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু জানিয়েছেন, রাজ্যের জনসংখ্যা বৃদ্ধি করতে তাঁর সরকার আর্থিক প্রণোদনা দেবে।
‘উন্নয়নের রোল মডেল’, ‘২০৪১ সালে উন্নত দেশ’—এই স্লোগানগুলো তৈরি হয়েছে এই গ্র্যাজুয়েশনকে কেন্দ্র করে। কিন্তু এখন প্রশ্ন উঠছে, যে তথ্যের ভিত্তিতে এই আখ্যান নির্মিত হয়েছিল, সেই তথ্য কতটা নির্ভরযোগ্য ছিল? হোয়াইট পেপার বা শ্বেতপত্রে বলা হয়েছে, ‘উন্নয়নের গল্প পরিসংখ্যানগত দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যতিক্রমী ছিল, কিন্তু সেগুলো ছিল জনগণের সঙ্গে প্রতারণা’।
চীনে ২০২৫ সালেও দেশটির জনসংখ্যা কমেছে। এ নিয়ে টানা চার বছর দেশটির জনসংখ্যা কমল। টানা চীনের সরকারি তথ্যে এমন চিত্র উঠে এসেছে।