মহাকাশ স্টেশনে কৃত্রিম ভ্রূণ পাঠাল চীন, কেন
মহাকাশ স্টেশনে মানুষের কৃত্রিম ভ্রূণের মডেল পাঠিয়েছেন চীনের বিজ্ঞানীরা।
মহাকাশ স্টেশনে মানুষের কৃত্রিম ভ্রূণের মডেল পাঠিয়েছেন চীনের বিজ্ঞানীরা।
অটোমোবাইল শিল্পের গত ১০০ বছরের ইতিহাসে এমন তোলপাড় আগে কখনো দেখেনি বিশ্ব।
চীন যুক্তরাষ্ট্রের আগাম হামলার মোকাবিলায় পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটির কাছে বৃহৎ সামরিক অবকাঠামো গড়ে তুলছে।
শীর্ষ ১০ রপ্তানি গন্তব্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি চাহিদা বেড়েছে ব্রাজিলে—গত মাসে দেশটির ইভি আমদানি ২২১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোয় চীন বৈদ্যুতিক গাড়ি ও ব্যাটারি খাতে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে।
খনিজ সম্পদ ও বিরল খনিজ সরবরাহ নিয়ে ঐতিহাসিক চুক্তি সই করেছে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র।
মেষপালকের দুটি পদের জন্য আবেদন করেন ৭০০-এর বেশি মানুষ। তাঁদের মধ্যে ছিলেন সাংহাই ও চংকিংয়ের করপোরেট চাকরিজীবী, বিভিন্ন কারখানার শ্রমিক, এমনকি বিশ্ববিদ্যালয় শেষ করা তরুণেরাও।
চীনে দুই বিশ্বনেতার অভ্যর্থনায় বাহ্যিক মিল থাকলেও কিছু সূক্ষ্ম পার্থক্য ছিল চোখে পড়ার মতো।
ভেরি লার্জ ক্রুড ক্যারিয়ার ইগল ভেরোনা শনিবার হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করে বেরিয়ে গেছে
চীন তাদের মহাকাশ স্টেশনে এক বছর থাকার জন্য একজন নভোচারীকে পাঠাচ্ছে। এটি হবে দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ মেয়াদের মহাকাশ অভিযান।
রুশ অধিকৃত ইউক্রেনের দনবাস অঞ্চলের একাংশে চীনা কোম্পানির বিস্তার, ইউয়াননির্ভর অর্থনীতি ও ইরানের সম্পৃক্ততা নিয়ে নতুন ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার চিত্র উঠে এসেছে।
চার দিনের সরকারি সফরে চীনে গেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।
বিস্ফোরণের সময় ভূগর্ভে প্রায় ২৫০ শ্রমিক কাজ করছিলেন।
রুবিও বলেন, কিউবা পুরো অঞ্চলে সন্ত্রাসবাদের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক।
সম্প্রতি (১৫-২০ মে) ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আরব আমিরাত, নেদারল্যান্ডস, সুইডেন, নরওয়ে ও ইতালিতে কূটনৈতিক সফর করেছেন। এক সফর ক্রমবর্ধমান খণ্ডবিখণ্ড বহুমুখী বিশ্বব্যবস্থায় ভারতকে একটি প্রভাবশালী ক্রীড়নকে পরিণত করার একটি প্রচেষ্টা।
গত বছর রাশিয়া ও চীন পাওয়ার অব সাইবেরিয়া–২ প্রকল্প নিয়ে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে। কিন্তু বেইজিংকে দেখে মনে হচ্ছে, তারা চুক্তি নিয়ে তাড়াহুড়া চায় না।
বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা সক্ষমতায় চীন, ভিয়েতনাম থেকে ১৫-২০ শতাংশ পিছিয়ে আছে।
দুই দিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এই দুই দেশের সম্পর্ক আরও নিবিড় হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে এই সফর।
চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করেন।
রুশ সেনাদের গোপনে দেওয়া এই প্রশিক্ষণে মূলত ড্রোন ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ড্রোন তৈরির কর্মসূচি হাতে নিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা বা যুদ্ধ দপ্তর পেন্টাগন।
নিজের ফ্ল্যাট থাকার পরও কেন ওই বৃদ্ধ রাস্তার ধারে থাকেন, সে প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে ফিরে যেতে হবে ২০০০ সালে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফরের পরপরই পুতিনের এই সফর বিশ্বজুড়ে মনোযোগ কেড়েছে
বিশ্বব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে ক্রমে চীন নিজেদের অবস্থান সুসংহত করছে।