গ্যাসের চাপ কম পরোটার চাপ বেশি
মনে হলো, গ্যাস আসার খবর শুনে তাঁর পেট আর এক মিনিটও অপেক্ষা করতে রাজি নয়। আমি বললাম, ভাই, আমি তো আধা ঘণ্টা ধরে দাঁড়িয়ে আছি।
মনে হলো, গ্যাস আসার খবর শুনে তাঁর পেট আর এক মিনিটও অপেক্ষা করতে রাজি নয়। আমি বললাম, ভাই, আমি তো আধা ঘণ্টা ধরে দাঁড়িয়ে আছি।
এই যে Made in China লেখা আছে। মানুষ হলে কী লিখত জানেন? Made in Facebook. বাস্তব জীবনে কিছু না, কিন্তু প্রোফাইলে বিশ্ব বিজয়ী।
একদিন নিশ্চয় আবার আমাদের বিদ্যুৎ থাকবে। গ্যাসও থাকবে। সেদিন হয়তো আমাদের নাতি-নাতনিরা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করবে, ‘দাদু, তোমাদের সময় কি সত্যিই বিদ্যুৎ চলে যেত?’
‘আমার একটা ইচ্ছা আছে, পূরণ করবেন?’—এই কথাটা বললে মনে হয়, অনেক কঠিন কাজও সহজে করিয়ে নেওয়া যেত!
অর্থমন্ত্রীর মতো কারা কারা চাইলেই কাল সকাল থেকে কী কী দিতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন, তা নিয়ে রস+আলোর ভাবনায় এঁকেছেন আনিকা নাওয়ার ঈহা।
গ্রামের রাস্তা মেরামতে কোটি টাকার কম্পিউটার! ৩০ লাখের সফটওয়্যার!
না! আমি বলব, স্যারের আইকিউ। তিনি সাইকোলজিস্ট ছিলেন, কাকে দিয়ে কী হবে বুঝতেন। আমাকে ফাজিল চরিত্রে নেওয়ার পুরো কৃতিত্ব তাঁর।
আইডিয়া: জুনায়েদ আজিম চৌধুরী, আঁকা: প্রভা পুচ্চি
‘ভাবি, আপনাদের বিয়ের একজন সাক্ষী আমি। স্পষ্ট মনে আছে, আপনি বলেছিলেন, আশিক ভাইকে ভালোবাসা দিয়ে বেঁধে রাখবেন। এই তার নমুনা?’
শম্ভুনাথ cold-bloodedly বাজারে গিয়ে একটা আস্ত জীবন্ত খাসি নিয়ে এলেন। এরপর খাসির দড়ি আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে বললেন, satisfied?
বাঙালীদিগের তৈলের মূল্য অধিক নয়; এবং কি কৌশলে সেই তৈল বিধাতৃপুরুষদিগের সুখসেব্য হয়, তাহাও অতি অল্পলোক জানেন। যাঁহারা জানেন, তাঁহাদিগকে আমরা ধন্যবাদ দিই।
যদিও কর্তৃপক্ষ বলছে, এই বাহিনী সেই বাহিনী নয়, এখানে বাহিনীর আইনকানুন থাকবে। আগে তারা যা করত, এখন আর করবে না।
রস+আলোর পাঠকদের জন্য বর্তমান সময়ের তুমুল আলোচিত-সমালোচিত এক চরিত্র, যাকে একনামে সবাই চেনেন, সেই মহামান্য বিদ্যুৎ মশাইয়ের এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হলো।
মজার বিষয় হলো, বাঙালির সবচেয়ে পছন্দের শব্দগুলোর একটি ‘গবেষণা’, অথচ সবচেয়ে অপছন্দের কাজগুলোর একটি হলো ‘গবেষণা করা’।
বিদ্যুতের অস্বাভাবিক বিল নিয়ে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি এবং একজন সম্পাদকের ওপর চারপাশের প্রত্যাশার এক রম্য অভিজ্ঞতা।
মিরপুর পাখির হাটের কাছাকাছি আসতেই রিকশার পেছনের বাঁ পাশের চাকায় কট করে আওয়াজ হলো। রিকশা আচমকা থেমে গেছে।
আই ওয়াজ লিটারেলি সাইকো-লেভেল অ্যাট্রাকটেড টু হার! বারবার কিচেনে গিয়ে পানি চাইছি, পাশে দাঁড়াচ্ছি। অ্যাটেনশন সিক করার চেষ্টা করছি। বাট মমতাদি ফুল ঘোস্টিং মোডে।
ধ্যানাবস্থা থেকে সজল ভাইয়ের চোখ ‘প্যানাবস্থায়’ রূপ নিল। আমার দিকে লুক দিয়ে গম্ভীর কণ্ঠে বললেন, ‘জনাব, দুই দিনের দুনিয়ায় হেসেখেলে পার করতে আসিনি।’
কিন্তু তাঁরা এসবে পরোয়া করেন না, শুধু বোঝেন ভিউ-ব্যবসা। একদিন তো এই সোশ্যাল মিডিয়ার ভিউ-ই ডিজিটাল বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে পরিচিত করবে।
ঢাকার রাস্তার অন্তহীন খোঁড়াখুঁড়ি এবং সমন্বয়হীনতার এক ব্যঙ্গাত্মক চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এই প্রতিবেদনে।
‘কথাবার্তা’র একপর্যায়ে বীথি আমার দিকে মেলামাইনের প্লেট ছুড়ে মারল। ধেয়ে আসা বাউন্সার যেভাবে ব্যাটসম্যানরা সামলায়, চট করে নিচু হয়ে গেলাম।
নেতার বক্তব্যে সবচেয়ে বেশি অনুপ্রাণিত হলেন দুই বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা। তাঁরা ভাবলেন, এত দিন আমরা বই পড়েছি, গবেষণাপত্র পড়েছি, বিদেশে প্রশিক্ষণ নিয়েছি—সবই বৃথা! আসল জ্ঞান তো ডোবার ধারে!
আমি আমার সদ্যলব্ধ জ্ঞান সঙ্গে সঙ্গে কাজে লাগালাম। আমাদের পাশের বাসার পরী নামের এক বালিকাকে ডেকে কাঁঠাল গাছের নিচে নিয়ে গেলাম।