লোকসানে জিল বাংলা চিনিকল, বাড়ছে ঋণের বোঝা
দেশের অন্যতম উৎকৃষ্ট মানের চিনি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান জিল বাংলা সুগার মিলস লিমিটেড। বাণিজ্যিক ব্যর্থতায় ধারাবাহিক বাড়ছে প্রতিষ্ঠানটির ঋণের পরিমাণ। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে–ধারাবাহিক বাড়তে থাকা ঋণের বোঝায়...
দেশের অন্যতম উৎকৃষ্ট মানের চিনি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান জিল বাংলা সুগার মিলস লিমিটেড। বাণিজ্যিক ব্যর্থতায় ধারাবাহিক বাড়ছে প্রতিষ্ঠানটির ঋণের পরিমাণ। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে–ধারাবাহিক বাড়তে থাকা ঋণের বোঝায়...
‘দীর্ঘদিনের লোকসান ও উৎপাদন বন্ধের সংকট কাটিয়ে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিশিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করতে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বন্ধ থাকা ছয়টি চিনিকলসহ উৎপাদনমুখী সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো পর্যায়ক্রমে চালু করা...
ফয়জুল হাকিম বলেন, চিনিকল, পাটকলসহ জনগণের মালিকানাধীন ৪৪টি শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালনার পরিবর্তে বেসরকারি খাতে হস্তান্তরের চেষ্টা করা হচ্ছে।
জয়পুরহাট চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ খবির উদ্দিন মোল্যার ছেলের সঙ্গে চিনিকলের উচ্চপদস্থ এক কর্মকর্তার মেয়ের গোপনে বাল্যবিবাহের আয়োজন করা হয়েছিল। আজ শুক্রবার দুপুরে চিনিকলে এ আয়োজন করা হয়। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে সেই বিবাহ বন্ধ করা হয়।
কুষ্টিয়া চিনিকলকে বেজার কাছে হস্তান্তর করে শিল্পপার্ক গড়ার পরিকল্পনা আটকে আছে বিপুল ঋণ, জমির মূল্য নির্ধারণ ও শ্রমিকদের ভবিষ্যত নিয়ে জটিলতায়। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নীতিগত অনুমোদন পেলেও প্রক্রিয়ায় কোনো গতি নেই। বিএসএফআইসির অধীনে লোকসানী চিনিকলের এই অবস্থা অর্থনৈতিক সুযোগের পথে বাধা সৃষ্টি করছে।
শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল চালু করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। পঞ্চগড় চিনিকল চত্বরে আখচাষিদের সঙ্গে সভায় তিনি আখচাষি, শ্রমিক ও লাভজনক পরিচালনার উপর গুরুত্ব দিলে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। বর্তমানে দেশে কয়েকটি চিনিকল বন্ধ এবং অনেকগুলো সীমাবদ্ধতায় চলছে।
বিএসইসির সভায় সিটি সুগার ইন্ডাস্ট্রিজের ১৩০০ কোটি টাকার বন্ড এবং সাজেদা ফাউন্ডেশনের ১৫৮.৫০ কোটি টাকার অরেঞ্জ বন্ডের অনুমোদন হয়েছে। সিটি সুগার ব্যাংক ঋণ পরিশোধে এবং সাজেদা ফাউন্ডেশন নারী ক্ষমতায়নে অর্থ ব্যবহার করবে।
আজ সংগঠনটি সংবাদ সম্মেলন করে আগামী ৩১ মার্চ শিল্প মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।
চিনিকলটি প্রায় ৯ হাজার খেজুরগাছের মধ্যে এ বছর ৫ হাজারটি ইজারা দিয়ে আয় করেছে ২০ লাখ টাকা।
বন্ধ চিনিকল চালু হওয়ার খবরে আশা জেগেছিল আখচাষি ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে। সেই আশা ক্রমেই হতাশায় পরিণত হচ্ছে।